বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন যৌন উত্তেজক ঔষধের নাম কি






আজকে আলোচনা করবো
বাংলাদেশ এ পাওয়া যায় এমন কিছু যৌন উত্তেজক ঔষধ এর নাম এবং কিভাবে খাবেন বা খাওয়ার নিয়ম:


যৌন উত্তেজক ঔষধ এর নামগুলি নিন্মরুপ:


1.ভায়াগ্রা,
2.এনাগ্রা,
3.সিনেগ্রা,
3.ভিগার,
4.পাওয়ার,
5.কামশক্তি,
6.টার্গেট,
7.ওয়ানগ্রা,
8.নিশাত,
9.রিফিল
10.ভ্যালেন্টি
11.সাজিন
12.জিনসিন
13.লিবিডেক্স
14.ফ্রডেক্স
15.এনডিউরেক্স।

দাম ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

খাওয়ার নিয়ম : সব গুলো ঔষধ সহবাস বা মিলন করার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে হালকা গরম দুধ এর সাথে খেতে হয়।

তবে এসব ঔষধ বেশি দিন খাওয়া ঠিক নয়। এতে যৌন শক্তি ক্রমেই লোপ পায়। ধন্যবাদ সবাইকে।

জেনে নিন মেদ কমানোর জন্য কি কি খাবার খাবেন






ওজন কমাতে আমরা কত কিছুই না করি! প্লেটে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে শশা, গাজর আর সুপ খেয়েই কাটিয়ে দিই দিনের পর দিন তারপরও এত কষ্টের ফলাফল ওজন মেশিন খুব সহজে দিতে চায় না ডায়েট শুরুর প্রথম দিকে চটপট ওজন কমলেও একটা সময় পর ওজন হ্রাসের গতি কমে আসে হতাশা নিয়ে অনেকে আবিষ্কার করেন, ওজন তো কমছেই না বরং দীর্ঘদিন থেকে সুপ আর শশা খাওয়ার ফলে শরীরে দেখা দিচ্ছে অপুষ্টি চুল পড়ে যাচ্ছে, চামড়া শুষ্ক হয়ে পড়ছে, চেহারায় লাবণ্য নেই বললেই চলে
অন্যদিকে শরীরের ভেতরের কার্যকলাপ কম গতিসম্পন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে মেটাবলিক সিস্টেমের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার কারণে খাবারের ক্যালরি চর্বি হয়ে শরীরে জমা হতে শুরু করে
তাহলে উপায়? এমন কি কোনোম্যাজিকনেই, যাতে করে পেট ভরে খেলেও বাড়বে না ওজন! উত্তর হল, আছে। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা ধরনের খাদ্যোপাদানকেম্যাজিক ফুডবলে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, ধরনের খাবার পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খেলে ওজন অবশ্যই কমবে

ফল সবজি
খাবারগুলোতে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ফাইবার বেশি থাকার কারণে তা কোলেস্টেরল পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। খাবারের আঁশ চর্বিকণাকে বেঁধে ফেলে এবং মলমূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ফল সবজিতে আঁশজাতীয় উপাদান বেশি থাকার কারণে ক্ষুধার অনুভূতি হ্রাস করে। প্রতিদিন অন্তত চার-পাঁচ ধরনের ফল সবজি খেলে তা অন্যান্য খাবারের প্রতি আকর্ষণ কমায়। বিশেষ কয়েকটি কারণেই পেটের মেদ কমাতে ফল সবজি কাজ করে থাকে

সবুজ চা
হালকা পানীয় কেবল শরীরকে সতেজই রাখে না, সঙ্গে ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রাচুর্য পরোক্ষভাবে অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে

বাদাম অলিভ অয়েল
প্রতিদিনের খাবার তালিকায় প্রোটিন থাকা যেমন অত্যাবশ্যক, ঠিক তেমনি জরুরিফ্যাট’-জাতীয় খাবারের উপস্থিতি। আঁতকে উঠলেন? কিন্তু এটাই সত্যি।
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, সবফ্যাট শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়। শরীরকে সব ধরনের খাদ্য উপাদানের সুষম বণ্টনই সুস্থতাকে নির্দেশ করে। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন মিনারেলের মতো দেহে ফ্যাটেরও প্রয়োজন। বিশেষ করে কিছু ভিটামিন শোষণের জন্য প্রয়োজন ফ্যাট।
, ডি, কে এবং ভিটামিনের অভাব দেখা দিতে পারে, যদি শরীর তার প্রয়োজনমতো ফ্যাটের সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হয়। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রাখুন কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, কুমড়ার বিচি, শিমের বিচি, কিডনি বিন জলপাইয়ের তেল। বাদাম দানাজাতীয় খাবার থেকে যে ফ্যাট পাওয়া যায় তাকে পুষ্টিবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এই ফ্যাট রক্ত থেকে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে
মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ত্বক অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের দেখভাল করে, চামড়ার মসৃণতা বাড়াতে সাহায্য করে পাশাপাশি মেটাবলিক রেট বাড়ায়, যা ওজন হ্রাসে ভূমিকা রাখে

সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক মাছে থাকে ওমেগা ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই অ্যাসিড মেদ বৃদ্ধিতে দায়ী চর্বিকে পোড়াতে এবং শরীরে ভালো চর্বির পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। সামুদ্রিক মাছ থেকে যে ফ্যাট পাওয়া যায় তার নামপলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বাদাম জলপাই তেলের মতো সামুদ্রিক মাছের ফ্যাটও ওজন হ্রাসে ভূমিকা রাখে

মসলা
রান্নায় যেসব মসলা ব্যবহার করা হয়, যেমন রসুন, হলুদ, দারুচিনি, আদাএগুলো বাংলাদেশের আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মসলার নিজস্ব গুণাগুণের কারণে তা শরীরকে আয়ুর্বেদিক কিছু উপকারিতা দিয়ে থাকে। আবার মসলা খাবারকে সহজপাচ্য করে, যা খাবারকে সুস্বাদু করার সঙ্গে সঙ্গে হজমেও সাহায্য করে। আদা, দারুচিনি হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পরোক্ষভাবে ওজন কমাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে থাকে

পানি
শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দিতে পানির ভূমিকা অসাধারণ। বলা হয়, প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি ওজন হ্রাসে সরাসরি ভূমিকা রাখে। পানি শরীরকে সতেজ রাখে, অযথা ক্ষুধাভাবকে দূর করে। বারবার পানি পান করার ফলে শরীর চাঙাবোধ করে। মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। তাই ওজন কমানোর অন্যতম আরেকটি জরুরি পদক্ষেপ পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া

আঁশজাতীয় খাবার

এই ধরনের খাবার রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আঁশজাতীয় খাবারে ভিটামিন-বি বেশি থাকে, যা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি আমাদের বেসাল মেটাবলিক রেট (বিএমআর) সচল রাখার মাধ্যমে শরীরকে তার খাবার পরিপূর্ণভাবে সদ্ব্যবহার করতে সাহায্য করে। শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা রাখার প্রবণতা কমাতে আঁশজাতীয় খাবারের জুড়ি মেলা ভার


কিভাবে আপনার মেদ বা ভুরি কমাবেন







মেদহীন সুন্দর পেট সবারই কাম্য। কিন্তু এটা এখন একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই মেদ ঝরানো তেমন কঠিন কিছুই নয় যদি আপনি জানতে পারেন কোন পদ্ধতি ব্যবহার করলে দ্রুত পেটের মেদ কমানো যায়। আসুন জেনে নিই কিছু পদ্ধতি যা আপনার পেটের মেদ দ্রুত কমাতে সাহায্য করবে। নিচের খাবার পানীয় গুলো গ্রহন করলে আপনার মেদ দ্রুত ঝরে যাবে।

১. ব্ল্যাক কফি : দুধ, চিনি ছাড়া কালো কফি দারুণ এনার্জি জোগানোর পাশাপাশি থার্মোজেনেসিসের সাহায্যে হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. ভেজিটেবল জুস : টোমাটো, গাজর ও আদার রসের তৈরি ভেজিটেবিল জুস পুষ্টিগুণ পরিপূর্ণ। এর ডায়েটারি ফাইবার হজমে সাহায্য করে ওজন কমায়।

৩. গ্রিন টি : এর মধ্যে রয়েছে ফ্লাভনয়েড যার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ যা কোমরের অংশের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

৪. আদা ও লেবু পানি : এক গ্লাস পানি আদা ও লেবুর রস মিশিয়ে সকাল বেলা খান। এতে পেট পরিষ্কার যেমন হবে, তেমনই মেদও ঝরবে। উপরি পাওনা হিসাবে ত্বকও ভালো থাকবে।

৫. ড্যান্ডেলিওন টি : ড্যান্ডেলিওন গাছের মূল মেদ ঝরানোর ওষুধ হিসেবে বহু দিন থেকেই জনপ্রিয়। এই মূল থেকেই তৈরি ড্যান্ডেলিওন টি খেতে পারেন রোজ আর ধীরেধীরে মেদকে জানাতে পারেন গুডবাই।

৬. দারুচিনি ও মধু : এক গ্লাস জলে এক চামচ মধু ও আধ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটা যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই মেদ ঝরাতে দারুন সাহায্য করে।

৭. খেজুর ও কলা : একটা কলা ও একটা খেজুর এক সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এর সঙ্গে এক কাপ বাদাম মিল্ক ও এক চিমটি দারুচিনি মিশিয়ে খেয়ে নিন। হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে খিদে কমাতে সাহায্য করে এই মিশ্রণ।

৮. আমন্ড ও আপেল : পাঁচটা আমন্ড ও একটা মাঝারি সাইজের আপেলের সঙ্গে আধ কাপ লো ফ্যাট দুধ বা ৩/৪ কাপ দই মিশিয়ে ব্রেকফাস্টে খেলে অনেক ক্ষণ পেট ভরা থাকবে। ফলে খিদে কম পাবে, ভুঁড়ি কমবে।

পেটের মেদ কমাতে অনেক বেশি পরিমাণে ক্যালোরি ক্ষয় করতে হয়। এজন্য চাই নিয়মিত ব্যায়াম। এটি শরীরকে যেমন সুগঠিত করে তেমনি শরীরকে সুস্থও রাখে। ব্যায়ামের পাশাপাশি সুষম খাবার এর তালিকাও পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।