যৌন দূর্বলতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা





আমরা জানি যে, হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁবাস্তবেও কথাটি সত্য।
 অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌনরোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে।
শুধু তাই নয় মহিলাদেরও যৌন দুরবলতাযৌনকর্মে ‍অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে 
তারও চমৎকার চিকিৎসা আছে। কথা না বাড়িয়ে এবার কয়েকটি ঔষধের নাম আলোচনা করছি ।

ক্যালেডিয়ম (Caladium Seg)
দীর্ঘদিন স্বপ্ন দোষ হওয়ার কারণে ধ্বজভঙ্গ, ঘুমের মধ্যে লিঙ্গের উত্থান, ঘুম হতে জাগিলে লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে। স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অত্যন্ত প্রবল কিন্তু ক্ষমতাহীন। সহবাস কালে লিঙ্গ শক্ত হয় না। যদিও সামান্য হয় অল্পসময়েই শুক্রপাত হয়েযায়।

লাইকোপোডিয়াম(Lycopodium)
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন, স্বপ্ন দোষ ও অত্যাধিত স্ত্রী সহবাসের কারণে ধ্বজভঙ্গ, স্ত্রী সহবাসের প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্যেও ক্ষমতাহীন, লিঙ্গ শিথিল, ছোট আলিঙ্গন করলেও লিঙ্গ উত্থান হয় না। হলেও অল্প সময় থাকে। ক্ষনস্থায়ী সহবাস।

সেলেনিয়ম(Selenium)
ঔষধটি শক্র তারল্য ও ধ্বজভঙ্গ রোগে সুনামের সাথে ব্যবহার করা হয়। পায়খানায় বসিয়া কোঁথ দিলে বীর্যপাত। রোগি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। চোখ মুখ বসিয়া যায়।

কোনিয়াম(Conium)
স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা প্রবল কিন্তু সহবাসে অক্ষম। স্ত্রী লোক দেখলে, কাছে বসলে বা মনেমনে ভাবলে বীর্যপাত হয়।

এগনাস কাস্ট(Agnus Cust)
যেসকল রোগী বারবার প্রমেহ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা প্রবল থাকার পরও ক্ষমতাহীন। আবার কারো সঙ্গম ইচ্ছাও থাকেনা।

এনাকার্ডিয়াম(Anacardium)
স্মরণশক্তিহীন রোগীদের বাহ্য ব প্রস্রাবের সময় অথবা অন্য প্রকারে বীর্যপাত হয়ে ধ্বভঙ্গ হলে।

টিটানিয়ম(Titanium)
সঙ্গম শক্তির দুর্বলতার জন্য সহবাসের সময় দ্রুত বীর্যপাত হলে টিটানিয়ম উৎকৃষ্ট।

এছাড়া Nuphar Lut, Damiana, Salix Nig, Avana Sat, Phosphorus, Moschus, Medorrhinum লক্ষনভেদে উপকারী।




শেষকথা

পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য Agnus castus (অতীতে যৌন অনাচার),  
Lycopodium (যাদের পেটে গ্যাস হয়) অথবা Baryta carb (জন্মগতভাবে বোকাটে) [শক্তি ২০০] সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস খান।

মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum, Baryta mur  অথবা  Salixnigra  প্রতিদিন একবার করে খান। পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য  Salix nigra  অথবা  Agnus castus (শক্তি ২০০) তিনবেলা করে পনেরদিন খান। 

অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য  Platinum (শক্তি ২০০) তিনবেলা করে কিছুদিন খেয়ে পরে শক্তি বাড়িয়ে খেতে পারেন।


মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে  Agnus castus  (শক্তি Q,,৬) পাঁচ ফোটা করে দুইবেলা করে পনের দিন খান।

জেনে নিন আপনি কেন শষা খাবেন




শশার অনেক গুণ রয়েছে। আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শশার মধ্যে বিদ্যমান। সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি সেটি হলো শসা। রূপচর্চা মেদ নিয়ন্ত্রণ সহ নানান উপকারিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।এর মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা। আসুন জেনে নেই শশার নানান উপকারিতাঃ

দেহের পানিশূন্যতা দূর করে-
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে। কারণ, শশার ৯০ শতাংশই পানি

দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক-
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন। এছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন

বিষাক্ততা দূর করে-
শশার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়

প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে-
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শশার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন , বি সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে

ত্বক বান্ধব খনিজের সরবরাহকারী-
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়

হজম ওজনহ্রাসে সহায়ক-
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়

চোখের জ্যোতি বাড়ায়-
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে

ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে-
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল পিনোরেসিনোল তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে-
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

মুখ পরিষ্কার রাখে-
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস

চুল নখ সতেজ করে-
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল নখকে সতেজ শক্তিশালী করে তোলে। ছাড়া শসার সালফার সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে

গেঁটেবাত থেকে মুক্তি-
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়

মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি-
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর সমস্যা থাকবে না

কিডনি সুস্থ রাখে-
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ সতেজ।
শসাকে যেমন পুষ্টিকর সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, তেমনি ব্যবহার করা হয় রোগ নিরাময়ে


পুষ্টি উপাদান-
শসা ভিটামিন এবং মিনারেলেস পরিপূর্ণ একটি সবজি। এর ৯৬ শতাংশ পানি। শসা ভিটামিন-কে, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-, ফলিক এসিড, পটাশিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস। ছাড়া রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেনিক এসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সালফার, সিলিকা এবং ভিটামিন বি- আছে বেশি পরিমাণে। শসা থেকে খাদ্য আঁশ পাওয়া যায়। এতে আরো রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, কিউকারবিটাকিন্স, লিগনান্স এবং ফ্লাভনয়েডস



কিভাবে Showing posts with label বার্তা দেখানো বন্ধ করবেন




আজকে দেখাবো কিভাবে  আপনার ব্লগ থেকে নিচের লেখাটি দুর করবেন । সাধারনত যখন কোন লেবেলে ক্লিক করবেন তখন এই বার্তাটি দেখায় ।


showing posts with label

 যাই হোক প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন । এবার ড্যাশবোর্ড থেকে Template ক্লিক করুন । অতঃপর Edit HTML ক্লিক করুন । এবার  <body expr:class='&quot;loading&quot; + data:blog.mobileClass'> 
এই কোডটি খুজুন ।
 খুজে পেলে ঠিক তার নিচে


<b:if cond='data:blog.pageType == &quot;index&quot;'>
<b:if cond='data:blog.searchLabel'>
<style>
.status-msg-wrap{display:none;}
</style>
</b:if>
</b:if>


এই  কোডটুকু কপি করে  পেস্ট করে দিন ।

এবার সেভ করুন । এখন আপনার ব্লগের লেবেল এ ক্লিক করে দেখুন । আর হয়তো সেই বার্তা দেখাবে না ।
তবে যদি কাজ না করে তাহলে  টেমপ্লেট থেকে  নিচের কোডটুকু খুজে ডিলিট করে দিন । অতঃপর সেভ করে ব্লগ দেখুন । এবার অবশ্যই কাজ করবে ।

<div class='status-msg-wrap'>
    <div class='status-msg-body'>
      <data:navMessage/>
    </div>
    <div class='status-msg-border'>
      <div class='status-msg-bg'>
        <div class='status-msg-hidden'><data:navMessage/></div>
      </div>
    </div>
  </div>


আজকের মত বিদায় । ভাল থাকবেন সবাই ।