বিজয়ের মাস

কিভাবে Neobux account খুলে অনলাইনে আয় করবেন

সবায় কেমন আছেন। আশা করি ভাল আছেন।
অনলাইনে আয় করার অনেক উপায় আছে তার মাঝে PTC বা অ্যাড দেখে আয় হল একটি সহজতম আয়ের উপায়। কিন্তু এতে প্রতারিত হয়ার সম্বাবনাও অনেক বেশি। তাই আপনাকে সঠিক সাইট নির্বাচন করতে হবে। আমার মতে লাখ লাখ PTC সাইট এর মাঝে অন্যতম হল Neobux ।
আজ আমি আপনাদের Neobux সম্পর্কে আলোচনা করব। তাহলে চলুন

Neobux একটি বিশ্বস্ত  PTC সাইট যা ২০০৭ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে আজ পর্যন্ত টিকে আছে । হাজার হাজার PTC সাইট এর মাঝে Neobux প্রথম । এখানে আপনি প্রতারিত হয়ার কোন সুযোগ নেই।
যারা চিন্তা করছেন যে PTC সাইট থেকে অনলাইনে আয়  করবেন তাদেরকে বলব এই সাইট এ কাজ করুন

কিভাবে একাউন্ট খুলবেনঃ

প্রথমে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন sign up । ক্লিক করলে সাইট এর হোম পেজ আসবে । দেখুন উপরে ডান পাসে Register লিখা আছে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর নিচের মত একটা পেজ আসবে 

 

প্রথমে আপনার নাম দিন। তারপর পাস ওয়ার্ড দিন, তারপর ই মেইল । যদি আপনার payza বা paypal আইডি থাকে তাহলে দিন। আর না থাকলে আপনার যেই ইমেইল আছে সেটাই দিন। রেফার এ কিছু দিতে হবেনা। ব্যাস, এখন আপনার ইমেইল এ একটা ম্যাসেজ পাঠাবে। ইমেইল এ গিয়ে আপনার নিবন্ধন নিশ্চিত করুন । ব্যাস আপনার একাউন্ট হয়ে গেল। এখন থেকে আপনি আয় করতে পারবেন। 

 কিভাবে অ্যাড দেখে আয় করবেন

 প্রথমে আপনার নাম ও পাস ওয়ার্ড দিয়ে নিওবাক্স এ লগিন করুন ।

এবার দেখুন view advertisement লিখা আছে  । ক্লিক করলে দেখবেন ২০ টার মত অ্যাড দেয়া আছে। অ্যাড এ ক্লিক করলে ৫ সেকেন্ড এ শেষ হয়ে যাবে। ২০ টা অ্যাড দেখতে ৫ মিনিট লাগবে মাত্র। ২০ টা অ্যাড দেখলে আপনার আয় হবে 0.0020 ডলার। তাহলে মাসে হবে ০.600 ডলার। কি খুব কম তাই না । এটা অন্যান্য ভুয়া সাইট এর মত আপনাকে মাসে ৬০০ ডলার দিবে না।

তবে নিওবাক্স থেকেও আপনি মাসে ৩০০ ডলার আয় করতে পারবেন। এই বিষয়ে আরেকদিন লিখব । আজকের মত বিদায় ।

 

সহজে পুরো Computer Refresh করুন Duble Click করে

সহজ একটা টিপস্ | একবার ডাবল ক্লিক করে পুরো কম্পিউটার Refresh করুন।
এজন্য প্রখমে নোটপ্যাড চালু করুন। এরপর এই কোড গুলি কপি করে আপনার নোটপ্যাডে পেস্ট করুন এবং Refresh.bat নামে সেভ করুন। এখানে
আমার 5টি ড্রাইভ তাই আমি 5টি ড্রাইভ দিয়েছি | আপনাদের যতগুলো ড্রাইভ থাকবে ততগুলো ড্রাইভ দিবেন।
Echo Off
cd/
tree
C:
tree
D:
tree
E:
tree
F:
tree
G:
tree
ব্যাস কাজ শেষ | এবার উক্ত ফাইলটি ডেস্কটপে রাখুন | ডাবল ক্লিক করুন আর মজা দেখুন | খুব সহজ তাই না |

সকল Mobile Operator এর Power Menu

আজকে শেয়ার করবো ছোট্ট একটা টিক্স কিন্তু খুব দরকারি | কিভাবে জানবেন সিমের প্যাকেজ, অফার, ইন্টারনেট, প্রোমোশন ইত্যাদি | এসব কিছু জানা যায় ফ্রী পাওয়ার মেনু দিয়ে | তাই সকল মোবাইল Operator এর Power মেনু দিয়ে দিলাম----
Grameen phone----*111#
Robi-----------*140#
Banglalink------ *789#
Airtel---------- *121#
আপনার মোবাইলে কোন
সিমটি ব্যবহার করছেন তা জানতে ডায়াল করুন
Robi-------*140*2*4#
Graminphone--- *2#
Airtel-------- *121*6*3#
Banglalink------ *511#
আপনার মোবাইলের IMEI code জানতে চাপুন *#06# আজকে এ পর্যন্তই |

Grameen SIM দিয়ে কথা বলুন cheap rate এ

প্রথমে আপনার সিমের পাকেজ পরিবর্তন করে নিশ্চিন্তে চলে আসুন।
এজন্য N লিখে পাঠিয়ে দেন 4444 নাম্বারে অথবা ডায়াল করুন 4444 এবং 3 চাপুন | তারপর ৭০ টাকা রিচার্জ করুন (প্রতি মাসে ১বার)
সুবিধা:
২৪ ঘন্টা যেকোনো নাম্বারে কথা হবে-৭৬ পয়সা/মিনিট (ভ্যাট সহ)।
২৯ পয়সা/মিনিট রাত ১২ টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কথা বলুন যেকোনো জিপি নাম্বারে, এ জন্য মাই জোন চালু করতে ডায়াল করুন *666*1# অফ করতে *666*9# |
সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯ পয়সা/মিনিট এ কথা হবে যেকোনো জিপি নাম্বারে, এজন্য START T লিখে মেসেজ করুন 9999 নাম্বারে।

কিভাবে অব্যবহৃত SIM এর নং জানবেন (সকল Operator)

আমরা যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি কম বেশি সবাই একাধিক সিম ব্যবহার করি | বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীরা তো বটেই | বর্তমানে খুব কমই student আছে যে ৪-৫ টা সিমuse করে না | কিন্তু দীর্ঘদিন use না করলে প্রায়
নাম্বার ভুলে যাই তখন
কতইনা বিপদে পড়তে হয় |
আজকে সেই বিপদের
সমাধান দিতে ছোট্ট এই পোস্ট |
সিম এর নাম্বার জানতে হলে
ডায়াল করতে হবে...
# GP : *2#
# Banglalink : *511#
# Robi : *140*2*4#
# Airtel : *121*6*3#
# Teletal : TAR লিখে 222 তে সেন্ড করুন
# Citycel : mdn লিখে 7678 তে সেন্ড
করুন | তাহলে সমস্যার সমাধান হলো তো |

অনপেজ অপটিমাইজেশন কাকে বলে (defination of On page optimazation)

অনপেজ অপটিমাইজেশন হল ওয়েবপেজের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে অপটিমাইজেশন করা অর্থাৎ ওয়েবসাইটের মধ্যেই এসইও করা। তাই বলা যায় একটি ওয়েব সাইটকে যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য যে অপটিমাইজেশন করা হয় সেটাই অনপেজ অপটিমাইজেশন বা অন-পেজ এসইও। সহজ কথায় ওয়েব পেজের মধ্যে যে সকল অপটিমাইজেশন করা হয় তাকেই অন-পেজ অপটিমাইজেশন বলা হয়। সাধারনত ওয়েব পেজে বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা, সুন্দর করে কনটেন্ট লেখার কলাকৌশল, লিংকের ব্যবহার, সাইটের সাজসজ্জা ইত্যাদি করে অনপেজ অপটিমাইজেশন করা হয়।

SEO এর জন্য যে Point গুলো জরুরী

আমরা যখন SEO নিয়ে কাজ করি তখন কতগুলো বিষয়ের উপর প্রাধান্য দিয়ে তা করা হয়| এগুলো না করলে ভাল ফল পাওয়া যায়না | যেমন
১.ওয়েব সাইটের টাইটেল,
২.ওয়েব সাইটের ডেসক্রিপশন,
৩.ওয়েব সাইটের মেটা ট্যাগ,
৪.ওয়েব সাইটের সাইট ম্যাপ,
৫.ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর টাইটেল,
৬.ওয়েব সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর অল্টার ট্যাগ,
৭.ওয়েব সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর ক্যাপশন,
৮.সার্চ ইন্জিনে সাবমিট ইত্যাদি।
এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করে ওয়েব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে দৃষ্টিগোচর করার কাজটিই এসইও’র মূল কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কী-ওয়ার্ড (Keyword) কি ?

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে। প্রথমতঃ সে সকল শব্দ সমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড বলে যা নিয়ে আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেছেন,
আর দ্বিতীয়তঃ যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে।
তবে আমার মতে দ্বিতীয়টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।
উদাহরণ স্বরুপঃ আমরা যখনGoogle বা Yahoo তে বিভিন্ন ওয়ার্ড বা লাইন লিখে সার্চ দেই, যেমন-Free Movies, Hollywood Movies ইত্যাদি।এগুলোই হচ্ছে কীওয়ার্ড|

SEO কি, এর গুরুত্ব কি বা কেন করা হয় ?

এসইও এর পুরো হচ্ছে Search Engine Optimization | এটি এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজকে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের সার্চ কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে ফলাফলের তালিকায় প্রথমে দেখানোর চেষ্টা করা হয়।এটি কোনো একক কাজ নয়,এটি বিভিন্ন ধরণের কাজের সাথে সম্পৃক্ত একটি পদ্ধতি | এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হল :-
১.SEO এর মাধ্যমে সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
২.ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
৩.সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
৪.অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে Use করা।
৫.তথ্য বিনিময়ে সাহায্য করা|

কিভাবে অপ্রয়োজনীয় (extra) Blog deleteকরবেন

অনেক সময় আমরা ডিজাইনের সুবিধার্থে দুই তিনটা ব্লগ খুলি কিংবা সখের বশেও খুলে ফেলি| পরবর্তীতে আর এইসব ব্লগে লেখা হয়না | মাসের পর মাস ঐভাবে পড়ে থাকে | তাই এগুলো চিরতরে ডিলিট করাই ভাল| এজন্য ব্লগে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে settings এ ক্লিক করুন | অতঃপর other এ ক্লিক করুন | এখানে তিনটি অপশন পাবেন | শেষেরটিতে লেখা আছে delete blog. সেখানে ক্লিক করুন | অতঃপর আর একটি অপশন আসবে | সেখানে delete this blog লেখায় ক্লিক করুন |কাজ শেষ | উক্ত ডিলিটকৃত ব্লগটি ৯০ দিনের মধ্যে আবার রিকোভার করা যাবে| ৯০ দিন পর চিরতরে মুছে যাবে|

কিভাবে Attribution1 hide or remove করবেন

আজকে শেয়ার করবো ছোট্ট একটা ট্রিক কিভাবে ব্লগার ব্লগ থেকে attribution remove/hide করবেন বা লুকিয়ে রাখবেন? এজন্য যা করতে হবে, খুব সহজ কাজ দেখুন ** ব্লগারে লগ ইন করুন, এবং dashboard এ যান. ** choose Design > Customize > Advanced > Add CSS এ যান ** নিচের কোডটুকু কপি করে paste করুন #Attribution1 {display: none;} ** Apply to Blog লেখায় ক্লিক করুন (top right corner of the screen) ব্যাস কাজ শেষ | অন্য ট্যাবে ব্লগ দেখুন | খোদা হাফেজ ! ভাল থাকবেন সবাই |