বিজয়ের মাস

কোন রাসায়নিক সারের কি কাজ







আজকে আপনাদের সামনে মজার একটি টিপস নিয়ে হাজির হলাম। আমরা কৃষি জমিতে সবাই বিভিন্ন রকম সার ব্যবহার করি। কিন্তু কোন সার ফসলের জন্য কি কাজ করে তা আমরা জানি না, এমনকি জানার চেষ্টাও করিনা। কিন্তু ভাল ফসল উৎপাদনের জন্য এটা জানা খুবই জরুরী। নিচে কোন রাসায়নিক সারের কি কাজ তা সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।

ইউরিয়াঃ
ইউরিয়া সার গাছের ডালপালা, কান্ড ও পত্রের বৃদ্ধি সাধন করে। এই সার গাছপালাকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে। এর নাইট্রোজেন পাতার সবুজ কণিকা বা ক্লোরফিলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং উদ্ভিদের প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে।

গর্ভধারনের প্রধান প্রাথমিক লক্ষণসমূহ কি কি






প্যাথলজি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার আগেই কিছু লক্ষণে আপনি জানতে পারবেন গর্ভবতী কি না? আজকের এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি লক্ষণ যা দেখে আপনি বাড়িতে বসেই বুঝতে পারবেন আপনি মা/বাবা হতে চলেছেন।
এক প্রতিবেদনে এমনই জানিয়েছে এমএসএন ফিটনেস। নিচে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হল-

১. পেটে গ্যাস হওয়াঃ
গর্ভবতী হওয়ার অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে এই গ্যাস। গর্ভবতী হওয়ার পর অধিকাংশেরিই পেটে গ্যাস তৈরি হয় এবং তা নির্গত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তবে এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হওয়ায় তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

২. স্তন ব্যথাঃ
গর্ভবতী হওয়ার শুরুতেই স্তন ব্যথা একটি লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। এছাড়া স্তনবৃন্তের চারপাশে ত্বকের রংয়ের পরিবর্তন হয়। স্তন নাজুক ও ফুলে যায়। ফলে হালকা ব্যাথা অনুভব হয়। এছাড়া কোন কোন নারীর ক্ষেত্রে স্পর্শকাতরতা অনেক বেড়ে যায়।

জেনে নিন কিভাবে মোবাইল রেডিয়েশন থেকে বাঁচবেন






মোবাইল থেকে বেরোয় নানা ক্ষতিকর রশ্মি যার বিকিরণে শরীরে নানা খারাপ প্রভাব পড়ে। সেই মুহূর্তেই আমরা তা বুঝতে না পারলেও এর সুদূর প্রসারী প্রভাব রয়েছে। তাই আজকের পোস্ট, কীভাবে মোবাইল ব্যবহার করেও আপনি এইক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও নিজেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।

বুক পকেটে মোবাইল নয়:
অনেকেই বাসে বা ট্রেনে পকেটমার থেকে বাঁচতে মোবাইল বুক পকেটে রাখেন যা কখনই করা উচিত নয়। এর ক্ষতিকর বিকিরণ সরাসরি হার্টের ক্ষতি করে।

জেনে নিন শীতে হাত পা ঘামলে কি করবেন







অতিরিক্ত ঘাম সাধারণত হাতের তালু, পায়ের পাতা ও বগল থেকে হয়ে থাকে। কারও কারও শীতকালে, কারও শুধু পরীক্ষার হলে, কখনোবা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার সময় হাত-পা ঘামে।

হাত-পা ঘামার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি। তবে বংশগত ভাবে কোন রোগ থাকা, শারীরিক কিছু সমস্যা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারণে হতে পারে।
অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণেও ঘাম হয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘেমে থাকে। যেমন: পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়াবেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজের পর প্রভৃতি।

অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত-পা ঘামে।

কিভাবে জিমেইলের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন






আপনারা যারা জিমেইলের পাসওয়ার্ড অনেকদিন থেকে পরিবর্তন করতে পারছেন না তাদের জন্য আজকের এই টিউনটি। আশারাখি আপনাদের কাজে লাগবে। এজন্য আপনাদের যা করতে হবে -

ধাপ -১। প্রথমে আপনার জিমেইলে বর্তমান পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন বা Sign in করুন। আর এজন্য নিচের লিংকে লিংকে ক্লিক করুন

www.gmail.com

ধাপ -২। Sign in করার পর ডান পাশে কোনে দেখুন Settings Button দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করুন।

জেনে নিন কিভাবে ড্রাগ লাইসেন্স করবেন






আপনি কি চান ফার্মেসীর ব্যবসা করবেন। আপনি জানেন এই ব্যবসা করতে গেলে আপনার কি করা লাগবে? এই ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে। কিন্তু কোথায় পাবেন এই লাইসেন্স? না, অনেকেরই তা জানা নেই । তাই আজকের পোস্ট কিভাবে ড্রাগ লাইসেন্স করবেন ?

আপনাদের সকলকে হালকা হালকা শীতের আগমনী শুভেচ্ছা। কেমন আছেন এই শীতের আগমনে ? নিশ্চয় ভাল আছেন। তো কথা না বাড়িয়ে এবার মূল কথায় আসি।

জেনে নিন ভূমির বিভিন্ন পরিমাপ সম্পর্কে






আজকে ভূমির মাপ নিয়ে হাজির হলাম। আমাদের প্রত্যেকের কিছু না কিছু জমি আছে। আর এই জমির মাপ সম্পর্কিত বিষয়গুলো আমরা অনেকেই জানি না। তাই এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট লিখছি আজকে। সাধারণত : ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপের একক গুলো হলো:

(১)ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক
(২) কাঠা,
(৩) বিঘা এবং
(৪) একর

এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা "সরকারি মান"( Standard Measurement) বলে পরিচিত। উক্ত পরিমাপের কতিপয় হিসাব নিম্নে প্রদান করা হলোঃ

জেনে নিন কুকুর কামড়ালে কি করবেন






পথে ঘাটে অনেক সময় যে কাউকে কামড়াতে পারে কুকুর। এই কুকুরের কামড় খুব যন্ত্রণাদায়ক এবং মারাত্নক। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। রেবিস নামক ভাইরাস থেকে এই জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। এই রেবিস ভাইরাস কুকুরের মুখের লালা থেকে ক্ষতস্থানে লেগে যায় এবং সেখান থেকে রক্তে মিশে স্নায়ুতে পৌঁছে জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

Piles বা অর্শ কি? জেনে নিন এর প্রতিকার






পাইলস হলো পায়ুপথে এবং মলদ্বারের নিচে অবস্থিত প্রসারিত এবং প্রদাহযুক্ত ফোলে ওঠা ধমনী৷ মলত্যাগের সময় মল শক্ত বা কষা হলে অথবা গর্ভকালীন সময়ে এই সমস্ত ধমনীর উপর চাপ বেড়ে গেলে পাইলসের সমস্যা দেখা দেয়।

কি কি কারণে পাইলস হয়?

জেনে নিন সরিষা তেলের গুনাগুন ও উপকারীতা






মাছ ও ডিম ভাজা, ভর্তা বা ঝালমুড়ির জন্য সরিষার তেল ছাড়া অন্য তেল চিন্তাই করতে পারেন না অনেকে। কেবল স্বাদের জন্যই নয়, বহুকাল ধরেই এই তেল ব্যবহারের পেছনে আরো অনেক কারণ রয়েছে।

বলা হয়, সরিষার তেল হলো এ অঞ্চলের অলিভ অয়েল। কেবল খাবার রান্নাতেই নয়, ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে চুলেও সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়। ভারতের সেলিব্রিটি পুষ্টিবিজ্ঞানী সন্ধ্যা গুগনানি বলেন, সরিষার তেল নিয়ে রীতিমতো মিথলজি প্রচলিত রয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপে এই তেলটি খেতে নিরুৎসাহিত করা হয়। অথচ এই তেলটি অন্যান্য স্বাস্থ্যকর তেলের মতই তালিকার শীর্ষস্থানীয়দের একটি।

কিভাবে Facebook থেকে মুছে ফেলা ছবি ও মেসেজ উদ্ধার করবেন






আজকে দেখাবো কিভাবে আপনি ফেসবুক থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া ম্যাসেজ, পোস্ট বা ছবি ফিরে পাবেন।
আপনি যখন কোনো কিছু ফেসবুকে থেকে ডিলিট করেন তখন সেটি ফেসবুকের Archive এ জমা হয়ে থাকে । আর আপনি খুব সহজেই সেখান থেকে আর্কাইভ ফোল্ডারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এজন্য

১. প্রথমে Facebook এর Settings গিয়ে General অপশনে ক্লিক করুন।

২. General Settings অপশনটি ওপেন হবার পর নিচের দিকে দেখতে পাবেন Download a copy of your Facebook data!
এই লেখাটিতে ক্লিক করুন।

৩. Download Your Information নামে একটা পেজ আসবে। সেখানে আপনি Start My Archive লেখাটি দেখতে পাবেন। এটাতে ক্লিক করুন। এবার ফেসবুক সিকিউরিটির জন্য আপনার কাছে আইডি ও পাসওয়ার্ড চাইবে। তাই সঠিকভাবে আইডি পাসওয়ার্ড বক্স পুরন করে সাবমিট করুন।

কিভাবে জানবেন আপনার নামে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে






আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID এবং আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে অন্য কেউ বাড়তি সিম নিবন্ধন করে নিয়েছে কি না তা কিভাবে জানবেন? আপনার নামে কোন কোম্পানির কয়টি সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে, তা আপনি সহজেই জানতে পারবেন। এখন পর্যন্ত চারটি মোবাইল অপারেটর এ সুবিধা চালু করেছে। একজনের আঙুলের ছাপ একাধিকবার নিয়ে গোপনে অন্যজনের সিম নিবন্ধন হয়েছে, এমন খবর প্রকাশের পর গ্রাহকদের মধ্যে বেশ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরই মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগগুলো এক এনআইডির অধীনে কতগুলো সিম নিবন্ধন হয়েছে, তা গ্রাহকদের মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। যারা এই SMS এখনো পাননি, তাঁরা চাইলেই SMS কিংবা ডায়াল করে জেনে নিতে পারেন।

কিভাবে ব্লগে thumbnail সহ related post widget যুক্ত করবেন






কেমন আছেন আপনারা ? নিশ্চয় ভালো আছেন। আজকে আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনার blogger ব্লগে সাম্প্রতিক পোস্ট গ্যাজেট যুক্ত করবেন ? এর আগে আরো এরকম পোস্ট লিখেছিলাম। আজকেরটা একটু আলাদা। আজকে দেখাচ্ছি ফিচার ইমেজ সহ সাম্প্রতিক পোস্ট ওয়েটগেট অর্থাৎ Recent post widget with thumbnail যুক্ত করার নিয়ম।

এজন্য আপনার ব্লগার একাউন্টে লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে লেয়াউট ক্লিক করুন। এখন সাইডবার থেকে Add a gadget লেখায় ক্লিক করুন। এখন একটি লিস্ট দেখতে পাবেন। লিস্ট থেকে HTML/JavaScript ক্লিক করুন।
এবার যে বক্স আসবে সেখানকার প্রথম বক্সে সাম্প্রতিক পোস্ট বা Recent post লিখুন এবং নিচের বক্স এ প্রদত্ত কোডগুলো কপি করে পেস্ট করে দিন।

কিভাবে ডোমেইন কিনবেন এবং কোথায় কিনবেন







আজকে আপনাদের সামনে হাজির হলাম বাংলাদেশী ডোমেইন কোম্পানির নামের তালিকা নিয়ে। এসব কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনলে পেমেন্ট এবং রিনিউ বাংলাদেশি টাকায় করতে পারবেন Bkash কিংবা Mobile Banking এর মাধ্যমে। ডোমেইন কিনতে চাইলে আর ডলার কিংবা ক্রেডিট কার্ড এর দরকার নেই। যাই হোক এবার মুল আলোচনায় আসি-

ডোমেইন কিনার জন্য প্রথমেই আপনাকে যেকোনো হোস্টিং কোম্পানির সাইটে যেতে হবে। হোস্টিং কোম্পানির সাইটে গিয়ে ডোমেইন বিভাগে যান। এরপর সেখান থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন অপশন টিতে যান। এবার আপনি যেই নামে ডোমেইন কিনতে চান তা দিয়ে লুকআপ বা সার্চ করুন।

ডোমেইন কেনার আগে যেসব বিষয় জানতে হবে






কেমন আছেন আপনারা সবাই ? আশা করি ভালো আছেন? আমিও আপনাদের দোয়াতে ভালো আছি, আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আপনি যদি ডোমেইন কিনতে চান তাহলে Domain কেনার আগে কি কি বিষয় ভেবে দেখবেন কিংবা কি কি জানতে হবে?

প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কারনে ওয়েব সাইটের প্রয়োজন হয়। না বুঝে Domain কিনলে আপনি পরর্বতি সময়ে আপনার প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন না। ফলে অর্থ ও সময় দুই নষ্ট হবে । তাই Domain ক্রয় করার আগে ভালোভাবে জেনে নিবেন ।

১. ডোমেইন হচ্ছে আপনার সাইটের পরিচয় অতএব সবদিক ভেবে চিন্তে সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করুন। এসইও নির্ভর কিছু করতে চাইলে কিওয়ার্ডকে গুরুত্ব দিয়ে নাম বাছাই করুন।

হোস্টিং (Hosting) কিনতে হলে যেসব বিষয় জানা অতি জরুরী







আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয় ভালো আছেন। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো হোস্টিং কেনার আগে আপনাদের কি কি বিষয় জানা থাকা জরুরী বা জানতে হবে :


১. বাজেট:
প্রত্যেকেরই একটা আনুমানিক বাজেট থাকে যার মধ্যে সে হোস্টিং কিনবে। একই সাথে ভাল মানের এবং কম টাকার মধ্যে কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাজার ঘুরে দেখতে হবে। আপনার বাজেট নির্ধারণ অবশ্যই বাস্তব সম্মত হতে হবে।একটা কথা মনে রাখতে হবে যেমন টাকা পে করবেন তেমন সার্ভিস পাবেন। আপনি যেমন ডিমের দামে মুরগী পাবেন না তেমনি হোস্টিং এর ক্ষেত্রেও তাই প্রযোজ্য। একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের প্রাইস ১৫০-৫০০ ডলার প্রতি মাসে। এখন আপনি যদি ৫০ জিবি স্পেস ২ ডলার মাসে চান তাহলে আপনাকে ডাউনটাইম, সাইট স্লো লোডিং এসব বিষয় সহ্য করতে হবে।

জেনে নিন খাঁটি মধু চেনার উপায়






মধু হল এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। মধুতে উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল বিদ্যমান এবং এটি সুপেয়। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে মধুর ব্যবহারে চিনির চেয়ে অনেক সুবিধা রয়েছে। মধুর বিশিষ্ট গন্ধের জন্য অনেকে চিনির চাইতে মধুকেই পছন্দ করে থাকেন।
আমরা জানি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মধু কতটা দরকারী। মধুর উপকারিতা এবং কার্যকারীতা বলে শেষ করার মতো নয়। তবে মধু যদি আসল না হয়ে ভেজাল যুক্ত হয়, কিংবা নকল মধু হয়, তখন কিন্তু হিতে বিপরিত হতে পারে। আজকে আমি আপনাদের সামনে খাটি মধু চিনার কিছু টিপস নিয়ে হাজির হচ্ছি।

জেনে নিন শীতে ঠোট ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন কিভাবে





শীত আসি আসি করছে। এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেই ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়ে যান। মাত্রাতিরিক্ত ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার কারণে অনেকের ঠোঁট ফেটেও যায়, যা খুবই অস্বস্তিকর। তাই এই শীতে ঠোট ফাটা সমস্যার কিছু সহজ উপায় নিয়ে হাজির হলাম ।

১. যাদের ঠোঁট ভীষণ শুকিয়ে যায় তাদের একটি বদ অভ্যাস তৈরি হয়। যা হল কিছুক্ষণ পর পর জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। অনেকে ভাবেন এটি করলে ঠোঁট শুকোবে না। কিন্তু এতে ঠোঁট আরো বেশি শুকিয়ে যায় এবং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন।


জেনে নিন ঘুমের মাঝে শরীরে ঝাকুনি আসে কেন

আপনি সবে মাত্র ঘুমিয়েছেন । এমন সময় আচমকাই শরীরেএকটা ঝটকা। শরীরটা প্রবলভাবে ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল, মনে হল কোথাও পড়ে যাচ্ছিলেন। এটা কেবল আপনার সমস্যা নয় বরং শরীরের ঝাঁকুনির এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিশ্বের অন্তত ৭০শতাংশ মানুষ। ঘুমের মধ্যে এমন ঝাঁকুনিকে বলা হয় ‘হিপনিক জার্কস’ । কিন্তু কেন এমনটা হয় ?

এর উত্তর খুজতে গিয়ে অজানা এক তথ্য বেরিয়ে আসে। সাধারণত জেগে থাকা অবস্থা থেকে সবেমাত্র ঘুমোতে যাওয়ার অবস্থার মধ্যে এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। এ সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না। বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। এই অবস্থাতেই স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে জাগরণ ও স্বপ্নের সীমানাকে অনেক সময়েই মস্তিষ্ক ঠিকমত উপলদ্ধি করতে পারে না। ফলে তার ধাক্কা এসে লাগে শরীরে। এ থেকেই তৈরি হয় ‘হিপনিক জার্কস’।

ঠিক কেন মস্তিষ্ক অনুভব করতে পারে না শরীরের এমন অবস্থা?
আসলে শরীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাসল এবং পেশীগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে। কিন্তু মস্তিস্ক শরীরে পেশীর এই অবস্থান উপলদ্ধি করতে না পেরে সেই প্রক্রিয়া আটকানোর চেষ্টা করে, ফলে শারীরে ঝাঁকুনি হয়। যদিও কিছু মানুষ এটাকে শারীরিক অসুবিধা ভেবে ভয় পান। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ অনেক সময়ে নাক ডাকা থেকেও এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। সহজ ভাবে বলা যায়, স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনা প্রবাহ ঠিকমতো উপলদ্ধি করতে না পারায় ঘুমের মধ্যে শরীরে এই ঝাঁকুনি হয়। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।


পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত এর এলোপ্যাথিক সমাধান






পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা অথবা পুরুষত্বহীনতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা। অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।
যাই হোক শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-

ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা।
পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যোনিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া,
প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব।

এসবের মাঝে দ্রুত বীর্য পাত সমাজে প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের (পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর। গবেষণায় দেখা গেছে, খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, যৌন মিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌন সুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পর পুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে।


কেন এমন হচ্ছে বা এর পেছনে কারন কি?

প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো- ডায়াবেটিস, লিঙ্গে জন্মগত কোন ত্রুটি, সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌন রোগ ইত্যাদি।

প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।
আবার অতিরিক্ত যৌন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মাস্টারবেট বা হস্তমৈথুন করা, যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না।
এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে ব্যাপক বয়সের পার্থক্য কিংবা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

প্রতিরোধের জন্য করণীয় :

* অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌনজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।

* যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাতুড়ে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হবেন না বা কোন টোটকা ব্যবহার করবেন না। কোন তেল বা ওষুধ কিছুই ব্যবহার করবেন না হাতুড়েদের কথায় প্রভাবিত হয়ে।

* বাজারে সাময়িকভাবে যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।

চিকিৎসা :
দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসা একটি দীর্ঘ মেয়াদী ব্যাপার। এর জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা উত্তম। তবে এলোপ্যাথি বেশ কিছু ঔষধ বাজারে প্রচলিত আছে। যেমন :-
Capsule :
1) Dapoxen 30 mg (Opsonin)
2) Daxetin 30 mg (ACI)
3) Depotin 30 mg ( Incepta)
4) Susten 30 mg ( Square)
5) Ejalong 30 mg ( Drug)


সেবন বিধি :
মিলনের ১ - ৩ ঘন্টা আগে একটা ক্যাপসুল সেবন করতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আর সেবন করা যাবে না।
তবে ১৮ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের উর্দ্ধে যাদের বয়স তাদের সেবন করা উচিৎ নয়। এছাড়া যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে এবং heart এর সমস্যা আছে তাদের সেবন করা ঠিক নয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া :
এসব ঔষধ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যৌন জীবনে দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া সেবন না করাই ভালো। তবে এসব সেবনে অনেকের মাথা ব্যাথা, ঝিমুনি, তন্দ্রাচ্ছন্ন, ডায়রিয়া, ইনসোমিয়া প্রভৃতি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাছাড়া দীর্ঘ দিন ব্যবহার করলে ঔষধ ছাড়া আর চলতেই পারবেন না। এ জন্য বেশি দিন সেবন করা মোটেই ঠিক নয়।
সর্বোপরি একজন ভালো যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন।

সূত্র : DIMS এবং ইন্টারনেট।




জেনে নিন জন্ম নিয়ন্ত্রণ এর সকল পদ্ধতি সম্পর্কে







জন্ম নিয়ন্ত্রণ এর আছে নানান পদ্ধতি। যারা নতুন বিয়ে করেছেন, অনেকেই বুঝতে পারেননা কোন পদ্ধতি গ্রহন করবেন। আজকে এই পদ্ধতিগুলোর খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করবো। আপনি দেখে নিতে পারেন কোনটি আপনার জন্য সুবিধা জনক।

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রকারভেদ:
জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গুলোকে প্রধানত: দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
ক) সনাতন পদ্ধতি
খ) আধুনিক পদ্ধতি।

ক) সনাতন পদ্ধতিঃ
যে পদ্ধতি পরিবারের সদস্য সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ঐতিহ্যগত ভাবে সমাজে প্রচলিত আছে সেগুলোকে সনাতন পদ্ধতি বলে। যেমন:
১) প্রত্যাহার বা আযলঃ এর মানে হচ্ছে স্বামীর বীর্য বাইরে ফেলা।
২) বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো
৩) নিরাপদকাল মেনে চলা ও
৪) নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সহবাস থেকে বিরত থাকা বা আত্মসংযম।

খ) আধুনিক পদ্ধতিঃ
আধুনিক পদ্ধতিকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:
১) নন-ক্লিনিক্যাল এবং
২) ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি।

১) নন-ক্লিনিক্যাল:
যে পদ্ধতিগুলো অন্যের সাহায্য ছাড়া নারী-পুরুষ নিজেই ব্যবহার করতে পারে সেগুলোকে নন-ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি বলে। যেমনঃ খাবার বড়ি, কনডম ইত্যাদি।

২) ক্লিনিক্যাল: যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের জন্য নারী-পুরষকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবাদানকারীর সাহায্য নিতে হয় সেগুলোকে ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি বলে। যেমন:
ক) অস্থায়ী পদ্ধতি এবং
খ) স্থায়ী পদ্ধতি।


ক) অস্থায়ী পদ্ধতি : অস্থায়ী পদ্ধতি আবার কয়েক ধরনের রয়েছে। যেমন :
১) ইনজেকশন
২) আই.ইউ.ডি
৩)নরপ্ল্যান্ট

খ) স্থায়ী পদ্ধতি : এই পদ্ধতি দুই ধরনের। যথা :
১) পুরুষ বন্ধ্যাকরণ বা ভ্যাসেকটমী
২) নারী বন্ধ্যাকরণ বা টিউবেকটমি বা লাইগেশন

নিচে পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো -

* খাবার বড়ি:
জন্ম নিয়ন্ত্রনের জন্য বাজারে বিভিন্ন প্রকারের খাবার বড়ি পাওয়া যায়। যেমন: নরকোয়েস্ট, ওভাষ্ট্যাট, ওভাকন, মারভেলন, সি-৫, সুখী (স্বল্পমাত্রার বড়ি)। প্রত্যেক প্রকার বড়িতে হরমোনের মাত্রার পার্থক্য থাকতে পারে।
কার্যপদ্ধতি : ডিম্বাশয়ের ডিম্বকে পরিপক্ক হতে ও বের হতে বাধা দেয়।

সুবিধা :
১)সাফল্যের হার বেশী।
২)অনাকাংখিত গর্ভসঞ্চার খুবই কম হয়।৩)অতিরিক্ত সতর্কতা ছাড়া যৌন সহবাস করা যায়।
৪)মাসিক নিয়মিত হয়।
৫)মাসিকের রক্তস্রাব কম হয়।
৬) মাসিকের ব্যাথা থাকলে তা কমে যায়।৭) নিয়মিত বড়ি খাওয়ার ফলে অনেক মহিলার স্বাস্থ্য ভাল হয়।
৮) আয়রন বড়ির জন্য রক্তস্বল্পতা কম হয়।
৯)ডিম্বাশয় ও জরাযু ঝিল্লি¬তে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
১০) পি.আই.ডি (পেলভিসের সংক্রমণ ) কম হয়।
১১) বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে গর্ভধারণ করা যায়।
১২) কার্যকারীতা ও সাফল্যের হার বেশী। ১৩) অনাকাংখিত গর্ভসঞ্চার খুবই কম হয়।


অসুবিধা:
১) প্রতিদিন মনে করে খেতে হয়।
২) যারা ধূমপান করে তাদের বেশী জটিলতা দেখা দেয়।
৩) টিউমার বা জন্ডিস থাকলে ব্যবহার করা যাবেনা।
৪) মাসিকের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
৫) ওজন বেড়ে যেতে পারে।
৬) মেজাজ খিটখিটে হয়।
৭) পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়ার পর গর্ভধারণে দেরী হতে পারে।
৮) এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা নাই।

* কনডম :
কনডম রাবারের দ্বারা তৈরি চোঙ্গার মতো যার একদিক খোলা এবং একদিক বন্ধ বোঁটার মতো। এটি পুরুষের যৌনাঙ্গে পরতে হয়। বিভিন্ন নামে কনডম পাওয়া যায়। যেমন : রাজা, সুলতান, প্যানথার, ম্যাজিষ্টিক, সেনসেশন।

কার্যপদ্ধতি : সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গে কনডম ব্যবহারের ফলে শুক্রকীট নারীর জরাযুতে প্রবেশ করতে পারে না । ফলে শুক্রকীট ডিম্বানুর সংস্পর্শে আসতে পারে না বলে নারী গর্ভবতী হয় না।

সুবিধা:
১) যে কোন পুরুষ ব্যবহার করতে পারে।
২) কোন ডাক্তারের সহযোগীতা লাগে না। ৩) কনডম বেশ সস্তা এবং সব জায়গায় কিনতে পাওয়াযায়।
৪) এইচআইভি/এইডস সহ নানা রকম যৌন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৫) যৌন সহবাস দীর্ঘায়িত হয়।
৬) জন্ম নিয়ন্ত্রনে পুরুষকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।

অসুবিধা:
১) প্রত্যেক সহবাসে ব্যবহার করতে হয়। ২) দু’জন সঙ্গীরই যথেষ্ট সহযোগিতা থাকা দরকার।

কার্যকারীতা: প্রতিবার সঠিক নিয়মে কনডম ব্যবহার করলে ৮৮% ভাগ পর্যন্ত কার্যকর হয়। এছাড়া শুক্রকীট নাশক ফেনা বড়ির সাথে ব্যবহার করলে প্রায় ৯৯% ভাগ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।

ইনজেকশন :
ইনজেকশন ২ প্রকার। যথা : DMPA- সাদা রং এর দ্রবীভূত জলীয় পদার্থ, ১ ডোজ ১ টি ভায়েলে থাকে।

কার্যপদ্ধতি:
১.জরায়ুর মুখে শ্লেষ্মা তৈরী করে ফলে পুরুষের শুক্রকীট জরাযুতে ঢুকতে পারেনা।
২. ডিম্বাশয়ের ডিম্বকে পরিপক্ক হতে ও বের হতে বাধা দেয়।
৩. জরায়ুর ভিতরের গায়ে ঝিল্লী¬র পরিবর্তন করে, ফলে ডিম্ব জরায়ুতে বসতে পারে না।

সুবিধা:
১.নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।
২.ব্যবহার বিধি সহজ (৩ মাসের জন্য)।
৩. রক্ত জমাট বাধার সমস্যা দেখা যায় না।
৪. সহবাসের সাথে সম্পর্ক নাই।৫.গোপনীয়তা রক্ষা করে নেয়া যায়।
৬. বন্ধ করলে গর্ভধারণ করা যায়।
৭. প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী দিতে পারে।
৮. শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মা হলেও নেয়া যায়।

অসুবিধা:
১. অনেকের ইনজেকশন নেয়ার ক্ষেত্রে ভয় থাকে।
২. নিজে নেওয়া যায় না।

কার্যকরীতা : অত্যন্ত কার্যকরী প্রায় ১০০% ভাগ এবং নিরাপদ জন্মনিরোধক পদ্ধতি।

আই ইউ ডি বা কপার টি :
আই ইউ ডি (Intra Uterine Device) জরায়ুর ভেতরে ব্যবহারের জন্য একটি জিনিস যা জন্মনিয়ন্ত্রণ করে। অনেক উন্নত ধরণের আই ইউ ডি পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে। বর্তমানে কপার-টি সবচাইতে জনপ্রিয়।

সুবিধা:
১.ব্যবহার করা সহজ।
২.প্রতিদিন মনে করতে হয় না।
৩. যৌন সঙ্গমে বাধা সৃষ্টি করে না।
৪. বুকের দুধ কমে না।
৫. যে কোন সময় খুলে ফেলা যায়।
৬. খুলে ফেলার পর গর্ভধারনের ক্ষমতা ফিরে আসে।
৭. কম খরচে বহুদিন জন্মনিরোধ করা যায়।
৮) কার্যকারীতা খুব বেশী প্রায় ৯৪-৯৮%

অসুবিধা:
১.বারবার পরীক্ষা করতে হয়।
২.অনেকে এতে অস্বস্তি বোধ করেন।

নরপ্ল্যান্ট :
বর্তমানে এক প্রকার ৬টি ক্যাপসূলে ১ ডোজ পাওয়া যায়।

কার্যপদ্ধতি : এই পদ্ধতিতে ছয়টি ছোট ছোট নরম চিকন ক্যাপসূল (দেয়াশলাই-এর কাঠির চেয়ে ছোট) মহিলাদের হাতের কনুইয়ের উপরে ভিতরের দিকে চামড়ার নিচে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

সুবিধা:
১.পদ্ধতিটি ৫ বছরের জন্য কার্যকর
২.পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম
৩.যে কোন সময় ডাক্তারের কাছে গিয়ে খোলা যায়।

অসুবিধা:
১.নিয়মিত মাসিক না হওয়া বা অনেকদিন বন্ধ থাক।
২. মাসিক বন্ধ হলে গর্ভসঞ্চার হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
৩.মাসিকের সময় রক্তস্রাব বেশী হতে পারে।
৪.দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব হতে পারে।
৫.মাথা ব্যথা।
৬.ওজন বেড়ে যাওয়া।
৭.মন বিষন্ন থাকা।
৮.মুখে বা শরীরে মেছতার দাগ থাকলে বেড়ে যেতে পারে এবং মুখে লোম দেখা দিতে পারে।

কার্যকারীতা : এটি একটি সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।

ভ্যাসেকটমি:
ভ্যাসেকটমি বা পুরুষ বন্ধ্যাকরণ পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি। ছোট্ট একটি অপারেশন এর মাধ্যমে এতে শুক্রকীটবাহী নালী দুটির কিছু অংশ বেঁধে কেটে দেয়া হয়।

সুবিধা:
১.অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ভয় না থাকায় সহবাসে আনন্দ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
২. তেমন কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।৩.আর কোন পদ্ধতি গ্রহণের ঝামেলা থাকে না।

অসুবিধা:
যেহেতু স্থায়ী পদ্ধতি তাই পরবর্তীতে সন্তান চাইলেও তা প্রায় অসম্ভব।

কার্যকরীতা: স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি এবং প্রায় ১০০%ভাগ কার্যকরী।

টিউবেকটমি/লাইগেশন : খুব ছোট অপারেশনের মাধ্যমে মহিলার প্রজনন ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করাই হচ্ছে লাইগেশন । জরায়ুর দুই ধারে দুটি ডিম্ববাহী নালী থাকে। সেই নালী দুটির কিছুটা অংশ বেঁধে কেটে দেয়াকে লাইগেশন বলে।
কার্যপদ্ধতি : ডিম্বাশয় থেকে ডিম্ব বের হয়ে শুক্রানুর সাথে মিলিত হতে পারে না, ফলে গর্ভ সঞ্চার হয়না।

সুবিধা:
অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ভয় না থাকায় সহবাসে আনন্দ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তেমন কোন পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। আর কোন পদ্ধতি গ্রহণের ঝামেলা থাকে না। গর্ভবতী হলে মৃত্যুঝুঁকি আছে এমন নারীর জন্য খুবই প্রযোজ্য। আর সন্তান না চাইলে এই অপারেশন খুবই ভাল।

অসুবিধা:
১) যেহেতু স্থায়ী পদ্ধতি তাই পরবর্তীতে সন্তান ধারণ করতে চাইলেও তা সম্ভব নয়।
২) অপারেশনের পর একরাত হাসপাতাল অথবা ক্লিনিকে থাকতে হয়।

কার্যকরীতা : স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। প্রায় ১০০%ভাগ কার্যকরী।

পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সেবা প্রাপ্তির জন্য যোগাযোগ
* পরিবার পরিকল্পনা কর্মী
* স্বাস্থ্য কর্মী
* স্যাটেলাইট ক্লিনিক
* ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
* মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
* উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
* জেলা হাসপাতাল
* বেসরকারী ক্লিনিক


জেনে নিন চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায়





চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালি আসলে কি?
সাধারণতভাবে আমরা চোরাবালি বলতে বুঝি- যখন বালি, কাদা বা নুড়ি গর্ভস্থ পানির প্রবাহের সান্নিধ্যে আসে, সেই বালি বা নুড়ির দানাগুলোর মধ্যে যে ঘর্ষণ শক্তি থাকে তা কম হয়ে যায়, আর সেই বালি বা মাটি ভার সহ্য করতে পারে না- একেই চোরাবালি বলে। এ ধরনের ব্যাপার আমরা সমুদ্র সৈকতে দেখতে পাই। সমুদ্রধারের বালিতে যদি কেও দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে খানিকক্ষণ পর দেখা যাবে যে ধীরে ধীরে তার পা বালির ভেতর বসে যাচ্ছে। এটাও এক ধরনের ছোটখাটো চোরাবালি। তবে এ ধরনের চোরাবালির গভীরতা মাত্র কয়েক ইঞ্চি হয়। তাই সেসব স্থানে শুধু আমাদের পায়ের পাতা ডোবে। তবে যে সব স্থানে এর গভীরতা বেশি সেসব স্থান খুবই ভয়ংকর।

চোরাবালি পানি ও তরল কাদা মিশ্রিত এমনই একটি গর্ত, এর ফাঁদে একবার পা দিলে আর নিস্তার নেই। আস্তে আস্তে ডুবে যেতে হয় বালির ভেতর। যত নড়া যায় ততই ডুবে যেতে থাকে শরীর। সাধারণত নদী বা সমুদ্রতীরে কাদা মিশ্রিত বালির ভেতরে লুকানো অবস্থায় থাকে চোরাবালি। কোনও মানুষ যদি সেই গর্তের ধারে-কাছে যায়, তাহলে শরীরের চাপে ওই বালি ক্রমে সরে যেতে থাকে। ফলে মানুষ শত চেষ্টা করেও আর ওপরে উঠে আসতে পারে না। চোরাবালিতে পড়ার পর সেখান থেকে উঠে আসার জন্য চেষ্টা করলে শরীরের চাপে আরও দ্রুত ডুবে যেতে হয়। সময়মতো কেও এগিয়ে না এলে ওই মানুষ নিশ্চিত মৃত্যুকোলে ঢলে পড়ে। তবে অধিকাংশ চোরাবালি সাধারণত মারাত্মক নয়। তবে এটি প্রকৃতির একটি অদ্ভুত বিস্ময়।


কোথায় চোরাবালি বেশি হয়?
যেসব জায়গায় চোরাবালি থাকার সম্ভাবনা আছে, সেসব জায়গায় একা একা বেড়াতে যাওয়া মোটেও উচিত নয়। যেসব জায়গায় পানি বেশি, সেসব জায়গায় চোরাবালি থাকার সম্ভাবনাও বেশি। যেমন জলা, নদী, খাল, সমুদ্রতীর এবং জলাভূমি। যেসব জায়গায় ভূগর্ভস্থ পানির প্রবাহ থাকে সেখানে চোরাবালি থাকতে পারে বা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে :
চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে।
কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

জেনে নিন গোলমরিচের উপকারীতা এবং ঔষধি গুন কি কি ?






প্রাচীন কাল থেকে গোল মরিচের গুঁড়া ইউরোপীয় দেশগুলোতে খাদ্যের মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয়। লতাজাতীয় উদ্ভিদ গোল মরিচের ফল শুকিয়ে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ঝাঁঝযুক্ত গোলমরিচ শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতে নয় বরং পুষ্টিগুণেও সেরা। তাই আসুন জেনে নেই এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত দিক।

খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম গোল মরিচে পাবেন ১৭ কিলো ক্যালরি। এছাড়া প্রোটিন ১১.৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৬০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৯৮ মিলিগ্রাম, আয়রণ ১৬.৮ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১ গ্রাম, পটাসিয়াম ৯২ মিলিগ্রাম, খাদ্যআঁশ ১.৭ মিলিগ্রাম।

তবে এই পুষ্টিমান গোল মরিচের উৎপাদনের স্থানের তারতম্যের জন্য কিছুটা পরিবতর্ন হতে পারে। গোল মরিচে থাকা পাইপারিন নামের রাসায়নিক উপাদানটি এর ঝাঁঝালো স্বাদ এনে দেয়। এখন জেনে নেব গোলমরিচের দারুণ উপকারী দিক সম্পর্কে।

* গোলমরিচ অন্ত্রের হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসরণ বাড়িয়ে দিয়ে খাবার হজমে সাহায্য করে।

* কফ, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা নিরাময় করে শরীরকে সুস্থ রাখে ।

* গোলমরিচের বাইরের আবরণ দেহের চর্বিজাতীয় কোষ ভাঙতে সাহায্য করে। তাই ওজন কমানোর চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।

* শরীর থেকে ক্ষতিকারক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে।

* ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং তা প্রতিরোধ করে।

* প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য রোগের জন্য উপকারী।

* গোলমরিচের তেল ত্বক ভালো রাখে। বিশেষ করে ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

* এটি দাঁত এবং মাড়ির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাবারে গোল মরিচ রাখতে পারেন।



জেনে নিন লজ্জাবতী গাছের গুনাগুন ও উপকারীতা





এই গাছটির বাংলা নাম লজ্জাবতী। আবার কেউ কেউ একে লাজুক লতা বলে থাকেন । তবে স্থানভেদে এর আরও অনেক নাম আছে।

পরিচয় : এটি বর্ষজীবী গুল্ম আগাছা বা ওষুধী গাছ। এর কাণ্ড লতানো, শাখা প্রশাখায় ভরা এবং কাঁটাযুক্ত। কিছুটা লালচে রঙের। এটি সহজে ভাঙ্গে না বরং পেচিয়ে টানলে ছিড়ে যায়।
এর পাতা যেীগিক পত্র। কয়েক জোড়া পাতা বিপ্রতীপভাবে থাকে। অনেকটা দেখতে তেতুল পাতার মত। হাত ও পায়ের স্পর্শে লজ্জ্বাবতীর পাতা বুঁজে এসে বন্ধ হয়ে যায়। পাতা সরু ও লম্বাটে, সংখ্যায় ২ থেকে ২০ জোড়া। এর ফুল উভলিঙ্গ। বৃতির সংখ্যা ৪ টি, পাপড়ী ৪টি, ফুল গুলি বেগুনী ও গোলাপী রঙের। ফল দেখতে চ্যাপ্টা এবং একত্রিত। সাধারণত মে থেকে জুন মাসে ফুল আসে, জুলাই আগষ্টে ফুল থেকে ফল হয় এবং জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারি মাসে বীজ থেকে চারা গজায়।

ব্যবহৃত অংশঃ-এর উপকারী অংশ পাতা ও মুল। পাতায় এ্যাকোলয়ড ও এড্রেনালিন এর সব উপকরণ থাকে। এছাড়াও মুলে ট্যানিন থাকে।

ব্যবহারঃ-
দন্ত রক্ষা : দাতেঁর মাঢ়ির ক্ষত সাড়াতে গাছসহ ১৫ থেকে ২০ সে.মি. লম্বা মূল পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে কয়েক দিন দিনে ৩ বার কুলকুচা করলে ভালো হয়।

অর্শ : সাদা ফুলের লজ্জ্বাবতীর পাতা ও মুল পিষে রস বের করে নিয়মিত খেলে পাইলস্ ও ফিস্টুলায় আরাম পাওয়া যায়।

লিংগের শৈথিল্য : লজ্জাবতীর বীজ দিয়ে তৈরি তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করলে তা দৃঢ় হয়।

যৌনি ক্ষতে : যে কোন কারনে যোনি পথে ক্ষত হলে, প্রথমিক স্তরে মাঝে মাঝে অথবা প্রায় রোজই অল্প স্রাব চলতে থাকে, একটা আশটে গন্ধ, কখনো বা একটু লালচে স্রাব হয়, এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক সাবধান করে থাকেন, এটি পরিণামে ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে ।এক্ষেত্রে দুধ-জলে সিদ্ধ করা লজ্জাবতীর কাথ দিনে ২ বার খেলে এ রোগ উপশম হয়। একই সাথে লজ্জাবতীর ক্বাথ দিয়ে ডুশ দিলে বা যোনিপথ ধুলে তাড়াতাড়ি ক্ষত সেরে যায়।

আঁধার যোনি ক্ষতে : এ বিচিত্র রোগটি কৃষ্ণপক্ষে বেড়ে যায় আর শুক্লপক্ষে শুকাতে থাকে । এ ক্ষতটি হয় সাধারণত: হাটুর নিচে আর না হয় কুঁচকির দু’ধারে। এক্ষেত্রে গাছও পাতা ( মূল বাদে ) ১০ গ্রাম শুধু জল দিয়ে ক্বাথ করে খেতে হয় এবং ঐ ক্বাথ দিয়ে মুছতে হয়, ফলে অসুবিধা দুর হয়।

রমনে অতৃপ্তি : কয়েকটি সন্তান হওয়ার পর প্রসবদ্বারের শৈথিল্য হয়েছে , সেটার অনেকটা মেরামত করে দিয়ে থাকে এ লজ্জাবতীর ক্বাথের ডুশ নেওয়ায়, আর গাছের পাতা সিদ্ধ ক্বাথ দিয়ে তৈরি তেলে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পিচু ধারণ করাতে হয়। এছাড়া অন্ডকোষের পানি জমা সারাতে পাতার পেস্ট ব্যবহার করা হয়।

আমাশয় : অনেকের আছে পুরানো আমাশয় । মল ত্যাগের বেগ হলে আর অপেক্ষা করতে পারে না । গিয়ে প্রথমে যা হল তারপর আর হতে চায় না ।আবার অনেকের শক্ত মলের গায়ে সাদা সাদা আম জড়ানো থাকে। এক্ষেত্রে ১০ গ্রাম লজ্জাবতীর ডাঁটা ও পাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এ ক্বাথ খেলে তারা অবশ্যই উপকার পাবেন।

দুর্গন্ধ দুর করতে : অনেকের ঘামে দুর্গন্ধ হয় এবং জামায় বা গেঞ্জিতে হলদে দাগ লাগে, এক্ষেত্রে লজ্জাবতী গাছের ডাঁটা ও পাতার ক্বাথ তৈরি করে বগল ও শরীর মুছতে হবে বা লাগাতে হবে। তাহলে এ অসুবিধা দুর হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য : অনেকের মল গুলটে হয়ে যায়, বুলেটের মত কয়েকটা বের হয়, আর কিছুই নেই। এক্ষেত্রে মূল ৭ / ৮ গ্রাম থেঁতো করে সিদ্ধ করতে হবে এবং ছেঁকে ঐ পানিটা খেতে হবে । তাহলে উপকার হবে।


জেনে নিন কিভাবে, কি খেলে মায়ের গর্ভের বাচ্চা ফর্সা হবে







আজকে যে বিষয়টি নিয়ে হাজির হয়েছি তা নিয়ে সবার মনেই কৌতূহল আছে। আমাদের দেশের এমন কেউ নেই যে ফরসা সুন্দর বাচ্চা কামনা করেনা। তাই কিভাবে গর্ভের বাচ্চা ফরসা হবে, কি খেলে বাচ্চার ত্বক ফরসা হবে তা নিয়ে আজকের এই পোস্ট।
গবেষকরা বলছেন, মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময়ই সন্তানের গাত্র বর্ণ নির্ধারিত হয়। গায়ের বর্ণ ফর্সা হবে না কালো, এর জন্য দায়ী ২-৩টি বিষয় –
১) বাবা-মায়ের জিন,
২) মেলানিন হরমোনের নিঃসরণ,
৩) জায়গা ও আবহাওয়া।

আরও একটি বিষয়কে তুলে ধরেছেন গবেষকরা। গর্ভবর্তী মায়ের খাদ্যাভাস। তিনি কী খাবার খাচ্ছেন, তার উপরও নাকি সন্তানের বর্ণ নির্ভর করে। আমাদের দেশে ফর্সা হওয়া একটা বড় গুণ (যদিও বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির এতে কোনও কৃতিত্বই নেই)। তবুও ব্যক্তির দোষগুণ বিচারে, তাকে গ্রহণ করার ব্যাপারে চামড়ার রং কে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এটাই এ দেশের মানুষের মানুষিকতা। ফলে ফেয়ারনেস ক্রিমের চাহিদাও এ দেশে ব্যাপক । তাই সানস্ক্রিন মেখে রোদে বেরানো, ডাল বাটা, দুধের সর মুখে মাখার খুব ধুম। তাছাড়া কালো মেয়েকে বিয়ে করতে চায় না কেউ। এমতবস্থায় কোনও শিশু যদি ফুটফুটে দুধের মত রং নিয়ে জন্মায়, এমনিতেই তার কদর বেড়ে যায়। তাই গর্ভাবস্থায় মাকে খেতে হবে এমন সব খাবার, যা শিশুর বর্ণ করবে দুধে আলতা রং । যেমন-

১. গর্ভের শিশুর ত্বক ভালো করতে মাকে খেতে হবে রোজ কমলালেবু। এতে করে শিশু ফরসা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

২. শিশুকে সূর্যের আলট্রা ভায়োলেট রে থেকে বাঁচাতে গর্ভবতী মাকে খাতে হবে টোম্যাটো যাতে বাচ্চার ত্বকে কোন প্রভাব না পড়ে।

৩. শিশুর ত্বক উজ্জ্বল করতে মাকে রোজ খেতে হবে চেরি ও বেরি ফল।

৪. গর্ভাবস্থার ৪,৫,৬ মাসে রোজ নিয়ম করে মা যদি ডিমের সাদা অংশ খান সন্তানের গৌর বর্ণ হবেই। কুসুমও খেতে পারেন, তাতেও কাজ হবে ।

৫. গর্ভাবস্থার ৯ মাসই যদি কোনও মা নিয়ম করে দুধে জাফরান মিশিয়ে খান, তাহলে তার সন্তান ফর্সা হবে।

৬. ঠাকুমা, দিদিমাদের মুখের শোনা কথা, গর্ভবতী মাকে যদি নারকেলের সাদা শাঁস নিয়ম করে খাওয়ানো হয়, তবে সন্তান নাকি খুব ফর্সা হয়।
তবে অতিরিক্ত নারকেল না খাওয়াই ভালো। এতে ক্ষতি হতে পারে।

তো আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আপনারা ভাল থাকবেন।



জেনে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ উপকারীতা ও গুণাগুণ






এমন কোন দিন নেই যেটা আমাদের কাঁচা মরিচ ছাড়া চলে। এই কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সবজিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো।

কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১। গ্রীষ্ম কালে মসলা জাতীয় খাবারের সাথে কাঁচা মরিচ খেলে তা ঘামের সাথে বেড়িয়ে যায়ফলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।

২। চর্বি জাতীয় খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেলে মোটা হওয়ার কোনা ভয় থাকে না। কারণ কাঁচা মরিচ খাদ্যের সঙ্গে থাকা চর্বিকে ধ্বংস করে । ফলে স্লিম থাকা যায়।

৩। কাঁচা মরিচে অবস্থিত ক্যাপসাইসিন খাদ্যে থাকা উচ্চমাত্রার চর্বি শুষে নিয়েশরীরে মেদ রোধ করতে সাহায্য করে।

৪। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

৫। ত্বক ও চুল ভালো রাখতে কাঁচা মরিচে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দারুণ উপকারি। তাছাড়াও রক্তনালী আর তরুনাস্থি গঠনে সাহায্য করে।

৬। প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়। ও হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

৭। কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরিপোড়াতে সহায়তা করে। ফলে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৮। এতে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

৯। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যাও কমে যায়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

১০। কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। এছাড়া যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য খুবই উপকারী


কাঁচামরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খেলে, তাতে বিদ্যমান ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এর আসল উপকারিতা পেতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কাঁচা খেতে অভ্যাস করুণ।

ধন্যবাদ সবাকে। ভালো থাকবেন।



কিভাবে blogger ব্লগে navbar মুছে ফেলবেন







আজকে শেয়ার করব এই দরকারি টিপ্সটি। যারা নিয়মিত ব্লগার এবং blogger.com এ ব্লগ আছে তাদের জন্য এই পোস্ট।

ব্লগার ব্লগ থেকে নাভবার মুছে ফেলতে আপনাদের যা যা করতে হবে --

* প্রথমে blogger.com যান এবং লগ ইন করুন।

* এবার ড্যাশবোর্ড থেকে Template লেখায় ক্লিক করুন।

* এবার Edit HTML লেখায় ক্লিক করুন।

* এখন নিচের কোডটুকু খুজুন
]]></b:skin>

* কোডটি খুজে পেলে ঠিক তার উপরে নিচের CSS code টুকু পেস্ট করে দিন।

#navbar { height: 0px; visibility: hidden; display: none;}
#navbar-iframe { height: 0px; visibility: hidden; display: none;}


* এখন “Save Template” লেখায় ক্লিক করুন।

তাহলে navigation bar আপনার ব্লগ থেকে remove হয়ে যাবে।

যাই হোক পরবর্তীতে আপনারা যদি আবার Navbar দেখাতে চান তাহলে কেবল উপরের CSS কোডটা রিমুভ করে দিন এবং সেভ করুন।

ব্যাস কাজ শেষ। এভাবে আপনি আপনার ব্লগ থেকে নাভবার দূর করতে কিংবা ফিরে আনতে পারবেন।


জেনে নিন বাস বা ট্রেন ভ্রমনে বমি আসলে কি কিরবেন







বাস বা ট্রেনের ঝাঁকুনি, লঞ্চের দুলুনি এবং বিমানের শূন্যতার কারণেই মূলত সমস্যায় পড়েন অনেকে। পেটে অসস্তিকর অনুভূতি, মাথা ঘোরানো, কানে ভোঁ ভোঁ করতে থাকা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। অনেকর বমি হতে পারে। মোশন সিকনেসের কারণে বমি হয়ে থাকে । তাই বলা যায় মোশন সিকনেস ভ্রমণের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। এক ধরনের মস্তিকের সমস্যার কারণে এটা হতে পারে।
অন্তঃকর্ণ আমাদের শরীরের গতি ও জড়তার ভারসাম্য রক্ষা করে। যখন গাড়িতে চড়ি তখন অন্তঃকর্ণ মস্তিষ্কে খবর পাঠায় যে সে গতিশীল। কিন্তু চোখ বলে ভিন্ন কথা। কারণ তার সামনের বা পাশের মানুষগুলো কিংবা গাড়ির সিটগুলো থাকে স্থির। চোখ আর অন্তঃকর্ণের এই সমন্বয়হীনতার ফলে তৈরি হয় মোশন সিকনেস। এ কারণে তৈরি হয় বমি বমি ভাব, সেই সঙ্গে মাথা ঘোরা, মাথা ধরা প্রভৃতি। আজকে জেনে নিন এই মোশন সিকনেস থেকে বাঁচতে অর্থাৎ বাস বা ট্রেন ধরণের বাহনে উঠলে বমিভাব দূর করার খুবই সাধারণ কিছু কার্যকরী উপায় ---

১) বাহনে উঠার আগে কি খাওয়া উচিত এবং উচিত নয় সেদিকে নজর দিন। অতিরিক্ত সফট ড্রিংকস, ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার একেবারেই খাবেন না। যারা এই সমস্যায় ভোগেন তারা প্রয়োজনে কিছু না খেয়েই বাহনেউঠুন। অনেক দূরের পথ হলে হালকা শুকনো কিছু খেয়ে নিন।

২) অতিরিক্ত ঘ্রাণ বা সুগন্ধযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাহন চলাকালীন সময়ে কিছু খেতে চাইলে শুকনো চিপস ধরণের খাবার অল্প পরিমাণে খাবেন। পানি পান করবেন।

৩) বাহন যেদিক মুখ করে সামনে এগুচ্ছে তার উলটো দিকে কখনোই বসবেন না। এতে উলটো মোশনের কারণে বমিভাব প্রবল হয়। বাহন যেদিকে এগুচ্ছেন সেদিক মুখকরে বসুন।

৪) বাসে বসার ক্ষেত্রে পেছনের দিকের সিটে বসার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। পেছনের দিকে ঝাঁকুনি বেশী লাগে যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৫) যতোটা সম্ভব চলার পথের সমতলে নজর রাখুন। বাইরের দৃশ্য দেখায় মনোযোগ দিন। নিচের দিকে বা উপরের দিকে তাকিয়ে বসে থাকলেও বমিভাব ও অস্বস্তি হয়।

৬) যাদের মোশন সিকনেস রয়েছে তারা বাহনে উঠে চলার সময় কোনো বই পড়া বা মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে কিছু দেখার চেষ্টা করবেন না। এতে আরও অস্বস্তি হতে থাকবে।

৭) বদ্ধ স্থানে আরও বেশী সমস্যা হয়। তাই বাস বা ট্রেনে উঠলে জানালার পাশে বসে তাজা বাতাস গ্রহন করতে পারলে এই বমিভাব আপনা থেকেই কেটে যায়। বিমানের জন্য বা বড় ফিক্সড জানালার এসি বাসের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।

৮) চলার পথে অন্যান্য যাত্রীদের কাউকে অসুস্থ হয়ে বমি করতে দেখলে অবস্থা আরও বেশী খারাপ হয়ে যায়, তাই যাত্রীদের দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে বাইরের দিকে মনোযোগ দিন অথবা চোখ বন্ধ করে গান শুনতে থাকুন।

৯) ঘুমিয়ে পড়া হচ্ছে সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ। ঘুমিয়ে পড়তে পারেন এই অস্বস্তিকর অনুভূতি থেকে বাঁচতে। ভালো কাজে দেবে।

১০) বমিভাব দূর করার জন্য বাহনে উঠার আগেই ডমপেরিডন জাতীয় ঔষধ খেয়ে নিতে পারেন। যদি আপনার খুব অল্প দূরত্বের জন্য এবং ঘন ঘন এই সমস্যা হতে থাকে তাহলে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খাবেন।

প্রাকৃতিক চিকিৎসা :
বমি ভাব দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী ভেষজ ওষুধ আদা। আদা কুচি করে কেটে মুখে নিয়ে চিবুতে পারেন। এতে করে আপনার বমি ভাবটি দূর হয়ে যাবে।

* যখনই বমি ভাব দেখবেন তখনি মুখে এক টুকরা লবঙ্গ রেখে দিন। ধীরে ধীরে চিবুতে থাকুন দেখবেন আপনার মুখ থেকে বমিভাব চলে গিয়েছে।

* পুদিনা পাতা বমিভাব দূর করতে দারুণ কার্যকর।পুদিনার রস গ্যাস্ট্রিক জনিত বমিভাব দূর করতে বেশি কার্যকরী। তাই গ্যাস্ট্রিক জনিত বমিভাবে পুদিনা পাতা মুখে দিয়ে চিবুতে থাকুন।

* অনেকেই দারুচিনি চিবুতে পছন্দ করেন। দারুচিনি ভারী খাবারের পর খেলে হজমে খুব সাহায্য করে। তাই হজমের সমস্যাজনিত কারণে বমিভাব হলে খেতে পারেন এক টুকরা দারুচিনি।

* টক জাতীয় খাবারের ফলে শরীরের বমিভাব দূর হয়। লেবুর রসে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা বমিভাব দূর করতে বেশ কার্যকরী। কিন্তু গ্যাস্ট্রিক জনিত বমির ভাব হলে লেবু না খাওয়াই ভালো। তা ছাড়া বমি ভাব হলে লেবুপাতার গন্ধ উপকারে আসতে পারে। কারণ লেবুর পাতা শুকলে বমি বমি ভাব দূর হয়।

জানালার কাছে সিট নিন। জানালাটা খুলে দিন। খোলা বাতাসে মন-প্রাণ থাকবে চনমনে। ফলে আপনার যাত্রা হবে ফুরফুরে। ভালো থাকবেন সবাই এই কামনায়.......

জেনে নিন আপনার Facebook Profile কে কে Visit করেছে


আজ  দেখবো কিভাবে জানা যায় কে কে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল দেখেছিল। আর এর মাধ্যমে আপনি সেই সব বন্ধুদের চিনতে পারবেন যারা আপনার প্রোফাইল দেখেছিলো । চলুন কাজটি কিভাবে করতে হবে দেখে নেওয়া যাক।


* প্রথমে ফেসবুকে লগইন করুন।

* টাইমলাইনে রাইট ক্লিক করুন। ‘view page source’সিলেক্ট করুন।

* কোডে ভরা একটা পেজ খুলবে। বিভ্রান্ত হবেন না। আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।

* কিবোর্ডে CTRL+F প্রেস করুন।

* পেজের ডান দিকে যে সার্চ বক্স খুলবে সেখানে টাইপ করুন  InitialChatFriendsList

* InitialChatFriendsList-এর পাশে নম্বরের একটা তালিকা দেখতে পাবেন।

* যাঁরা আপনার টাইমলাইন ভিজিট করেছেন, তাঁদের আইডি’র তালিকা আসবে।

* আইডিগুলোর যে কোন একটি কপি করে নিন এবং ব্রাউজারে আলাদা একটি ট্যাব খুলুন  ।

* এখন আপনার টাইমলাইন ভিজিট করেছে, তা নিশ্চিত করতে অ্যাড্রেস বারে টাইপ করুন:
facebook.com/তারপরে এখানে আইডি দিন। 

এবার ইন্টার মারলেই আপনার ভিজিটরের পেজে ল্যান্ড করবেন। আর দেখতে পাবেন কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে ।

ঠিক একই ভাবে, এক একটি কোড কপি করে তার প্রোফাইল দেখে নিন, ধন্যবাদ।



জেনে নিন পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আপনার ফোন খুলবেন কিভাবে



আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটিতে পাসওয়ার্ড দিয়ে রেখেছেন। আপনার ছোট্ট ভাই - বোন কিংবা ছেলে - মেয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে। অথবা আপনার বন্ধু- বান্ধব যাতে কোন এপ্লিকেশন এ ঢুকতে না পারে । এজন্য বেছে নিয়েছেন প্যাটার্ন লক, আই লক, ফিঙ্গার প্রিন্ট ইত্যাদি বহুবিধ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু এতসব পাসওয়ার্ড কিংবা প্যটার্ন লকের মধ্যে ভুলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তখন কী করবেন আর ফোনটাই বা খুলবেন কীভাবে ? জেনে নিন এর সমাধান।

১. প্রথমে আপনার স্মার্টফোনটির সুইচ অফ করুন।

২. এরপর ফোনের ভলিউম বাটন, পাওয়ার বাটন এবং হোমস্ক্রিন বাটন একসঙ্গে প্রেস করুন (একেক সেটে একেক রকম। সবগুলো বাটন চেপে যাচাই করবেন)।

৩. এবার wipe data/factory reset বাটন প্রেস করুন এবং yes প্রেস করুন।

তবে মনে রাখবেন, এই অপশন সিলেক্ট করা মাত্র আপনার ফোন মেমরির সমস্ত ডাটা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি ডিলিট হয়ে যাবে।

৪. এরপর আপনার ফোনটি নিজে থেকেই রিস্টার্ট হয়ে যাবে। এবার আপনি নিজের ইচ্ছে মতো ফোন আনলক
করতে পারবেন।

৫. এবার নিজের ইচ্ছে মতো প্যাটার্ন লক দিয়ে ফোনকে সুরক্ষিত রাখুন।

ভালো থাকবেন সবাই।


কিভাবে রাসায়নিক পদার্থ মুক্ত আম চিনবেন








আম খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারণ আমের মতো এতো সুস্বাদু ফল আর নেই। আমকে বলা হয়, ফলের রাজা। আমের খোসা ফেলতেও মায়া হয়। কারণ মনে হয়, খোসার সঙ্গে বেশ কিছু আমও চলে যাচ্ছে। এখন যেহেতু আমের মৌসুম, তাই প্রত্যেক বাড়িতেই আম খাওয়ার ধুম। তবে রমজান মাস শুরু হওয়ায়, সারাদিনের উপবাসের পর ইফতারে আম থাকা যেন চাই-ই চাই। কিংবা রাতে অথবা সেহরিতে। আমের প্রতি সকলের এতো টান স্বাভাবিকভাবেই সুস্বাদুর পাশাপাশি আম শরীরের জন্য উপকারিতা হওয়ার দরুনও। কিন্তু যুগটা যেহেতু এখন ভেজালের, তাই বাজারের সব আমই যে গাছপাকা, তা কিন্তু নয়। রাসায়নিক উপায়েও পাকানো হচ্ছে আম। ফলে আম যেখানে শরীরের জন্য উপকারী হওয়ার কথা সেখানে ফরমালিন, কার্বাইড মিশ্রিত হওয়ায় তা হয়ে উঠছে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং আম কেনার সময় আপনাকে সচেতন থাকতে হবে যে, তা রাসায়নিক মুক্ত কিনা। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন? জেনে নিন কয়েকটি উপায়।

 * আমের ওপরে মাছি বসছে কিনা দেখুন। রাসায়নিক থাকলে মাছি বসবে না।

 * গাছপাকা আম হলে দেখবেন, আমের গায়ে সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হয় ঝকঝকে সুন্দর ও পরিস্কার।

 * গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ থাকে। রাসায়নিকে পাকানো আমের গা হয় দাগহীন। কারণ, কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়।

 * গাছপাকা আমের গায়ের রঙ-ও আলাদা। গোঁড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ। রাসায়নিক দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়।

 * হিমসাগর সহ আরো বেশকিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

 * আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ওষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে গন্ধ থাকে।





জেনে নিন কেন আপনি তেঁতুল খাবেন






তেতুল খেলে শরীরের ক্ষতি হয়-এমন একটা ধারনা চালু আছে বহু দিন ধরে। মুরবিবদের কেউ কেউ বলেন তেতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায়। তবে এর আদ্যোপান্ত ঘাটতে গিয়ে সে রকম কিছু পাওয়া যায়নি বরং জানা যায়,হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে খুব উপকারী তেতুল। হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর ভেষজ ও পুষ্টিগুন। তেতুলের কিছু উপকারিতার কথা নিচে তুলে ধরা হলো।

তেতুলের কিছু উপকারিতা :
তেতুল দেহে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে।রক্তে কোলষ্টেরল কমায়।
তেঁতুল চর্বি কমানোয় বেশ বড় ভূমিকা রাখে।
এতে কোলস্টেরল ও ট্রাইগ্রাইসেরাইডের মাত্রা এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
শরীরের মেদ কমাতেও কাজ করে তেতুল।
এতে টারটারিক এ্যাসিড থাকায় খাবার হজমে সহায়তা করে।
শরবত করেও খাওয়া যেতে পারে তেতুল।
পেটের বায়ূ, হাত-পা জ্বালায় এ শরবত কার্যকর পথ্য।
তেতুল গাছের বাকলেও উপকার আছে। শুকনো বাকলের প্রলেপ ক্ষতাস্থানে লাগালে ক্ষত সারে।
বুক ধড়ফর করা, মাথা ঘোরানো ও রক্তের প্রকোপে তেতুল উপকারী।
কাচা তেতুল গরম করে আঘাত পাওয়া স্থানে প্রলেপ দিলে ব্যথা সারে।
পুরনা তেতুল খেলে আমাশয়, কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার পাওয়া যায়।
পুরনো তেতুল খেলে কাশি সারে।পাকা তেতুল খেলে কাশি সারে।
পাকা তেতুলের খনিজ পদার্থ সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি।

তেতুলে খাদ্যশক্তির পরিমান নারিকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে বেশি।
আয়ূর্বেদীয়, হোমিও, এলোপ্যথিক ওষুধ, তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় তেতুল।তেতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ ওঠা সারায়।মুখে ঘা বা ক্ষত হলে পাকা তেতুল জলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায়।
পুষ্টিগুণ :
তেতুলে ক্যালসিয়ামের পরিমান সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১৭ গুন বেশি। আয়রনের পরিমান নারিকেল ছাড়া সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ২০ গুন বেশি। অন্যান্য পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক পরিমানে আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তেতুলে মোট খনিজ পদার্থ ২.৯ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ২৮৩ কিলোক্যালরি, আমিষ ৩.১ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৬৬.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৭০ মিলিগ্রাম, আয়রন ১০.৯ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৬০ মাইক্রোগাম ও ভিটামিন সি ৩ মিলিগ্রাম। সব মিলিয়ে তাই তেতুল খেতে পারেন আপনিও।



জেনে নিন তেঁতুল কেন খাবেন







তেঁতুল একটা উপকারী ফল। এটার অনেক পুষ্টিগুন রয়েছে। ছেলেদের নিষেধ আর মেয়েদের খেতে হবে বিষয়টা এমন নয় বরং এতে রয়েছে অনেক পুষ্টি উপাদান । যেমন :


জলীয় অংশ ২০.৯ গ্রাম,
মোট খনিজ পদার্থ ২.৯ গ্রাম,
আঁশ ৫.৬ – ১০.০ গ্রাম,
খাদ্যশক্তি ৩৮৩ কিলোক্যালরি,
আমিষ ৩.১ গ্রাম,
চর্বি ০.১ গ্রাম,
শর্করা ৬৬.৪ গ্রাম,
ক্যালসিয়াম ২৭০ মিলিগ্রাম,
আয়রন ১০.৯ মিলিগ্রাম,
ক্যারোটিন ৬০ মাইক্রোগ্রাম,
ভিটামিন বি১ - ০.০১ মিলিগ্রাম,
ভিটামিন বি ২ - ০.০৭ মিলিগ্রাম,
ভিটামিন সি ৩৬ মিলিগ্রাম।


এটা খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় এমন ধারনা অনেকে করে তবে সেটা ভুল। এটা ছেলেদের ও উপকার করে মেয়েদেরও করে। তবে কোন এক অজানা কারনে এটা অন্য প্রানী যেমন ষাঁড়ের যৌন ক্ষমতা কমাতে এটা ব্যাবহৃত হয়। তবে গবেষনায় দেখা যায় তেঁতুল পুরুষ মানুষের যৌন ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করে, আর মেয়েদের জন্যও এটা অনেক কাজের কারন এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা তাদের দেহের ক্ষত পুরুনে সাহায্য করে আর মেয়েদের শরীরে বেশী ক্ষত হয় বিশেষ করে প্রতিমাসে তো হয়ই, আর প্রেগনেন্সির সময় এটা খেলে মুখের রুচি ফিরে নিয়ে আসে ফলে মায়ের স্বাস্থ্য ঠিক থাকে ,এবং রক্তের চর্বি কমানোর মাধ্যমে মায়ের ও বাচ্চার রক্ত চলাচল ঠিক রাখে। তাই এটা কারো জন্য আর নিষেধ নয় বরং সীমার মধ্যে হলে সবারই খাওয়া উচিৎ ।




কিভাবে আপনার ব্লগে Color Code generator tool যুক্ত করবেন




আজকে দেখাবো মজার এই টিপস । আমরা যারা ব্লগে কাজ করি তাদের অনেক সময় বিভিন্ন কালারের প্রয়োজন পড়ে । বিশেষ করে যারা ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করে তাদের তো সবসময় দরকার । কিন্তু এত কোড  কারো পক্ষেই মনে রাখা সম্ভব নয় । তাই এই টিউনটির মাধ্যমে আপনারা আপনাদের ব্লগে  Color Code generator যুক্ত করতে পারবেন ।

আপনারা এই টুলটি আপনাদের ব্লগে ইচ্ছে মত জায়গায় বসাতে পারবেন, পোস্ট পেজে কিংবা পেজ আকারে । যাই হোক যেখানেই বসান কোডটুকু বসার আগে HTML অপশন ক্লিক করবেন । অর্থাৎ পেজ আকারে দেখাতে চাইলে New page ক্লিক করার পর পেজের নাম লিখে বিষয় বস্তু লেখার আগে  HTML ক্লিক করবেন  । তারপর  নিচের কোড টুকু পেস্ট করে পাবলিশ করবেন ।


কিভাবে Blogger এ Scrolling Back To Top বাটন যুক্ত করবেন





আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন।
আমাদের অনেকরই এক বা একাধিক ব্লগ আছে। আর নিজেদের ব্লগটা আরেকটু সুন্দর করার জন্য আমরা সকলেই প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি। আজকে আমি কিভাবে Blogger এ Back to top ওয়েডগেট যুক্ত করতে হয় সেটাই শেয়ার করব।
যারা জানেন না তাদের জন্য এই পোস্ট। প্রথমে বলে রাখি Back to top বাটন ব্যবহার করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্লগ পেজ বা পোস্ট দেখতে দেখতে একদম নিচে নামার পর আবার স্ক্রল করে উপরে উঠতে ঝামেলা মনে হয় । তাই এই বাটনটি যুক্ত করার ফলে আপনার ব্লগ ভিজিটররা সহজভাবে শুধু বাটনটিতে ক্লিক করেই উপরে উঠতে পারবে ।
 আর উইজেটও আপনার ব্লগকে আরও সুন্দর করবে। এজন্য যা যা করতে হবে ।


কিভাবে Blogger template থেকে widget মুছে ফেলবেন






আজকে দেখাব কিভাবে টেমপ্লেট থেকে ওয়েডগেট ডিলিট করবেন বা মু্ছে ফেলবেন ।
এ টিপসটি তখনই দরকার পড়বে যখন আপনি টেমপ্লেট রিমুভ করার কোন অপশন পাবেন না ।

এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে-

1) আপনার  Blogger এ লগইন করে Layout ক্লিক করুন ।
2) এবার যে ওয়েডগেট ডিলিট করতে চান তার  Edit  অপশন এ ক্লিক করুন ।
3) এখন নিচের মত একটি ছবি দেখতে পাবেন ।

কিভাবে Clixsense থেকে টাকা আয় করবেন






সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমরা সবাই কমবেশি ONLINE EARNING কথা শুনেছি । অনেকেই এই বিষয়ে অনেক সাইট এর কথা বলেছে।কিন্তু সবাই শুধু বলেছেন যাদের ওয়েব সাইট আছে তাদের নিয়ে। কিন্তু আমরা তো সবাই আর ওয়েব ডিজাইনার নই । তাই আমি আজ সকলের জন্যে এই পোস্ট টা করলাম 


Dolencer/skylencer এর কারনে বাংলাদেশ এর সবাই মনে করে PTC সাইট মানে ধোঁকা বাজি । কিন্ত না, শুধু ধৈর্য ধরে আসল সাইট চিনতে পারলে মাসে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়। কিন্তু সমস্যা হল আসল সাইট চিনা । কারন প্রতিদিন নতুন নতুন সাইট অনলাইন এ আসে। -১২ মাসের মধ্যে Scam করে চলে যায় । So নতুন সকল সাইট scam ধরে নিয়ে নতুন কোন সাইট এ কাজ করবেন না । যে সব সাইটের বয়স ৫ বছর শুধু সেই সব সাইট হল আসল সাইট। কারন যারা ৫ বছর যাবত কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া payment দিয়ে যাচ্ছে তারা scam হতে পারে না । আর যদি মনে করেন নিজে নিজে Google search করে সাইট বের না করে অভিজ্ঞ কার সহায়তা নিবেন সেক্ষেত্রে আপনি নিতে পারেন। 

কিভাবে ইচ্ছে মত ছেলে বা মেয়ে সন্তানের জন্ম দিবেন





সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা
মূলত শারীরিক মিলনের সময়ের ওপরে নির্ভর করে। আর কি উপায়ে শারীরিক মিলন করতে হবে তা জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই দুইটি বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। যথা:

১) ওভিউলেশন বা
ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়া
২) স্পার্ম বা শুক্রাণু দ্বারা ডিম্বাণু নিশিক্ত করন।

প্রথমে জানা দরকার ওভিউলেশন কি?

প্রতিটি নারীর জীবনে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের মত একটি সময়সীমা থাকে যখন
ওভিউলেশন ঘটে। এই ওভিউলেশন বা ডিম্বপাতের তিন দিন আগ থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। কারণ
ডিম্বানু কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, অপরপক্ষে শুক্রাণু নারীর শরীরে সর্বোচ্চ পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরীভাবে বেঁচে থাকতে পারে। তাই এই সময়ের মাঝে শারীরিক মিলন করলে গর্ভধারণ ঘটে।


ডাউনলোড করুন Grameen Phone মডেমের জন্য USSD মেনু সফটওয়্যার






আজকে ছোট্ট একটি সফটওয়্যার নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম । আপনাদের মধ্যে যারা গ্রামীনফোনের পুরাতন মডেম ব্যবহার করেন তারা ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে পারেন না কম্পিউটার দিয়ে । ব্যালেন্স চেক করতে গেলে মডেম খুলে সিমটা মোবাইলে ঢুকাতে হয় । এরপর ব্যালেন্স চেক করতে পারেন । কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলে সিম না খুলেই ব্যালেন্স জানতে পারবেন । এজন্য ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে হবে আপনার পিসিতে । 


কিভাবে জানবেন আপনার সিমটি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন হয়েছে কি না








যারা সিম নিবন্ধন করেছেন তারা কি নিশ্চিত ভাবে জানতে পেরেছেন যে আপনার সিমটি সফলভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। নাকি দোকানে বা কাস্টোমার কেয়ারের লোকদের কথা শুনে নিশ্চিত হয়েছেন? না, আপনার সিমটি নিবন্ধন করার পরও কিন্তু সেটি সফল নাও হতে পারে। তাই চলুন জেনে নিই আপনার প্রিয় সিমটির নিবন্ধন সফল হয়েছে কিনা?

কিভাবে জানবেন গর্ভস্থ শিশুটি ছেলে না মেয়ে






মায়ের গর্ভের যে শিশুটি আছে তা ছেলে না কি মেয়ে হবে এ নিয়ে সবারই প্রায় কৌতূহল জাগে। মা-বাবারও জানার আগ্রহের কমতি থাকে না। তাই আজকে এই বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করছি। আমরা কিছু বিষয় নিয়ে ভেবে একটু চেষ্টা করলে আগেই জানতে পারব।

অনেক মা আছেন যারা একটু চালাক তারা তাদের গর্ভের সন্তান সম্পর্কে আলট্রাসনোগ্রাম করার আগেই জানতে পারেন। কিন্তু কীভাবে সেটা সম্ভব হয়, আজকে আপনারা তা জেনে নিন-

কিভাবে youtube থেকে সহজে ভিডিও ডাউনলোড করবেন







ইউটিউব থেকে টপাটপ গান বা ভিডিও ডাউনলোড করতে পারছেন না ? ডাউনলোডার দিয়ে ডাউনলোড দিতে সময় ব্যয় করতে হচ্ছে ?
তবে আর নয়, এখন অনেক সহজেই ডাউনলো়ডার ছাড়া আপনি গান বা ভিডিও মুহূর্তেই ডাউনলোড করতে পারবেন। কিন্তু কী ভাবে ? আসুন জেনে নিই।

১। প্রথমে ইউটিউবে যান। সেখানে আপনার পছন্দের গান বা ভিডিও সার্চ করে ওপেন করুন।

কিভাবে You Tube থেকে আয় করা যায়







অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার অনেক উপায় আছে। আজকে দেখাবো কিভাবে YouTube এ ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করা যায় । আপনিও খুব সহজেই YouTube থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

কিভাবে ভিডিও বানাবেন:

আপনি দুইটি উপায়ে ভিডিও বানাতে পারবেন।
প্রথম: ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি,

দ্বিতীয়: কম্পিউটারের সাহায্যে বিভিন্ন ভিডিও Editing সফটওয়ার এর মাধ্যমে ভিডিও তৈরি।

কিভাবে পায়ের পাতার দুর্গন্ধ দূর করবেন






কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ সর্বত্রই অনেকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন পায়ের গন্ধের জন্য ৷ পা-ঢাকা জুতো অর্থাৎ সু পড়ে কিছু বিশেষ জায়গায় যেতেই হয় আমাদেরকে ৷ আর সেখানেই বাঁধে সমস্যাটা ৷ এই জুতোর গন্ধে অনেকেই কাছে ঘেসতে চায়না ৷ আর এই পরিস্থিতি লজ্জারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ মূলত যাঁদের পা ঘামে তারাই বেশি এই সমস্যার মুখোমুখি হয়।
কিন্তু এর থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি সহজেই ৷ আসুন জেনে নেই পায়ের পাতার গন্ধ দূর করার কিছু কৌশল -

রাসায়নিক ভাবে পাকানো ফলমূল কিভাবে চিনবেন





বাজার ছেয়ে গিয়েছে পাকা আম, লিচু ও নানান ধরণের গ্রীষ্মকালীন ফলে। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে তার স্বাদ নেহাতই পানসে। বলতে গেলে কোন রকম স্বাদ-গন্ধই যেন নেই। পাকা আম, কাঁঠাল, লিচুর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ, তাই না? কিন্তু আজকাল ফলে যেন কোনো ঘ্রানই নেই। এমনকি কলা বা পেঁপের মত সস্তা ফলের ক্ষেত্রেও একই হাল।
কি সুন্দর পাকা পেঁপে। কিন্তু কাটার পরে দেখা গেল ভিতরটা বিশ্রী রকমের কাঁচা। পাকা কলার খোসা ছাড়িয়ে কামড় বসাতেই টের পাওয়া গেল কলা মোটেই পাকেনি। এর পেছনে কারণ কী, আপনি জানেন?

কিভাবে আপনার বাসা থেকে টিকটিকি তাড়াবেন





আমাদের খুব পরিচিত একটি প্রাণীর নাম হচ্ছে ‘টিকটিকি’। প্রায় সব বাসাতে এটি দেখতে পাওয়া যায়। ঘরের সব স্থানে এর অবাধ বিচরণ। এটি আপনার প্রত্যক্ষভাবে কোন ক্ষতি না করলেও পরোক্ষ ভাবে ক্ষতি করে থাকে। এর মল মূত্র বিষাক্ত এবং তা কোনোভাবে আমাদের খাবারের সাথে মিশে গেলে ডায়রিয়া কিংবা পেটের অসুখ হতে পারে।
এছাড়া এর উপস্থিতি বিরক্তি আর অস্বস্তি ছাড়া আর কিছুই দেয় না।
তাই বিরক্তিকর এই প্রাণীটিকে ঘর থেকে চিরতরে বিদায় করার সহজ কিছু উপায় নিয়ে আজকে আপনাদের সামনে হাজির হলাম।

১। ডিমের খোসা: টিকটিকি দূর করার সহজ এবং কার্যকরী একটি উপায় হল ডিমের খোসা। টিকটিকি ডিমের গন্ধ পছন্দ করে না। এর গন্ধ তাকে মানসিকভাব দূর্বল করে দেয়। টিকটিকি আসার জায়গাগুলোতে ডিমের খোসা রেখে দিন।দেখবেন টিকটিকি আসা বন্ধ হয়ে গেছে। কিছুদিন পর পর ডিমের খোসা পরিবর্তন করুন।

২। ন্যাপথালিন: কাপড় পোকার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ন্যাপথালিন ব্যবহার করা হয়। এই ন্যাপথালিন দূর করে দিবে ঘরের টিকটিকি! টিকটিকি আসার স্থানগুলোতে ন্যাপথালিন রেখে দিন। এটি ঘরে টিকটিক আসা বন্ধ করে দিবে। শুধু টিকটিকি নয় সাথে আরও কিছু পোকা আসাও বন্ধ হবে।

৩। রসুন: একটি বড় রসুনের কোয়া কুচি করে পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি স্প্রে বোতলে ভরে ফেলুন। টিকটিকির উপর স্প্রে করুন এই পানিটি। অথবা ঘরে যেসব স্থানে টিকটিকি আসা যাওয়া করে সেসব স্থানে রসুনের কোয়া রেখে দিন। এমনকি রসুনের খোসাও রেখে দিতে পারেন।

৪। ঠান্ডা পানি: টিকটিকি শীতল রক্তের প্রাণী। টিকটিকি দেখলেই বরফপানি স্প্রে করে দিন। বরফ ঠাণ্ডা পানির ফলে টিকটিকির শরীর অনেক বেশী ঠাণ্ডা হয়ে যায় যার কারণে টিকটিকি নড়াচড়া করতে পারে না। আর তখন একটি বক্সের ভেতরে ঢুকিয়ে বাইরে ফেলে দিন।

৫। ময়ূরের পালক: কোন এক অদ্ভুত কারণে টিকটিকি ময়ূরের পালক ভয় পায়। ঘরের ফুলদানিতে কয়েকটি ময়ূরের পালক রেখে দিন। কিংবা ঘরের দেয়ালে কয়েকটি পালক লাগিয়ে রাখতে পারেন। এটি ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার সাথে সাথে টিকটিকিকে দূর করে দিবে।

ঘর থেকে টিকটিকি দূর করুন, সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

কিভাবে Android Phone এর RAM বাড়াবেন




আজকে যে বিষয়টি শেয়ার করবো তার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইলের RAM প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বাড়িয়ে নিতে পারবেন । ফলে আপনার মোবাইল এর গতি অনেক বেড়ে যাবে, আপনি অনেক বড় বড় এপ্স ইন্সটল করতে পারবেন।
এই পদ্ধতিতে RAM বাড়ানোর জন্য আপনার ডিভাইস Swap File Supported হতে হবে, না হলে RAM বাড়ানো যাবে না।

RAM বাড়ানোর জন্য যা যা লাগবেঃ
১ টি Class 8/10 Micro SD Card,
Busy Box Pro,
RAM Expender,
তবে অবশ্যই আপনার ডিভাইসটি Root করা হতে হবে।

♣ প্রথমে Busy Box Pro অ্যাপটা ডাউনলোড করে আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করে Open করুন। Open হবার পর Install লেখা অপশন পাবেন, সেখানে টাচ করুন।
♣ এরপর Install Type অপশন থেকে Normal Install এ ক্লিক করুন,
♣ Super User Permission চাইলে Grant/Accept করুন।
♣ Install করা শেষ হলে বের হয়ে আসুন ।
♣ এখন Ram Expender ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন এবং ওপেন করুন।
♣ Super User Permission চাইলে Grant/Accept করুন।

ধাপ-১:
এখানে Swap File লেখা অপশনে ক্লিক করুন, একটা বক্স আসবে। এখানে কত MB RAM বাড়াতে চান তা লিখুন।

আপনার সেটে যা RAM দেয়া আছে তার সমান হলে ভাল হয়, খুব বেশি হলে দ্বিগুন করতে পারেন কিন্তু তার বেশি করবেন না। অর্থাৎ, আপনার সেটের RAM যদি 512MB হয় তাহলে আপনি 512MB / 1GB RAM বাড়াতে পারবেন। তবে সমান সমান করাই ভাল।

ধাপ-২:
Swappiness লেখার উপর ক্লিক করলে যে বক্স আসবে সেখানে 50 লিখুন।

ধাপ-৩:
Min Free KB লেখায় ক্লিক করলে যে বক্সটা আসবে সেখানে 1 থেকে 20 যা ইচ্ছা দিন। তবে 20 এর বেশি দিলে সেট মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যেতে পারে।
এবার অ্যাপটির উপরে Swap active লেখায় টিক দিলে Swap File Create করা শুরু হবে, তাই কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন।

কাজ শেষ হলে আপনার SD Card এর স্পিড দেখাবে। Swap File তৈরির আগে অ্যাপটির Settings এর SD Card Directory তে গিয়ে Swap File কোথায় তৈরি হবে তা নির্ধারন করে দিতে পারেন, না করলে অ্যাপটিনিজেই Directory তৈরি করে নিবে স্বয়ংক্রিয় ভাবে।
যাই হোক, Close করে বের হয়ে যান। এখন Notify Icon ও Autorun অপশন দুটিতে টিক চিহ্ন দেন। কাজ শেষ।

তবে সেট ডাটা কেবল দিয়ে পিসিতে কানেক্ট করলে Swap RAM বন্ধ হয়ে যাবে, তাই প্রতিবার পিসি থেকে সেট ডিসকানেকট করার পর RAM Expender Open করে Swap Active লেখায় টিক চিহ্ন দিয়ে Swap RAM চালু করে নিতে হবে।

অ্যাপটি Open করলে,অ্যাপটির নিচের দিকে গ্রাফ আকারে RAM Status দেখাবে। আপনার সেটের অরিজিনাল RAM কত আর কতটুকু খালি আছে।Swap RAM কত আর কতটুকু খালি আছে । সবশেষে মোট RAM কত হয়েছে আর কতটুকুই বা খালি আছে।

তবে Class 8/10 Memory Card ছাড়া RAM বাড়ানো যাবে না, আর বাড়িয়ে ওতেমন কোন লাভ হবে না। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

জেনে নিন আনার বা ডালিম ( Pomegranate ) এর ১০ টি উপকারিতা



আনার খুবই পরিচিত একটি ফল। অনেকে একে বেদানা বা ডালিমও বলে থাকেন। রূপকথার গল্পে এই ফলকে যৌবন ও সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে উপস্থাপণ করা হত। আনারের আদি নিবাস পারস্যে। পারস্য থেকেই ফলটি আমেরিকা, ভারত, বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। অদ্ভুত সুন্দর দেখতে এই ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর উপকারিতাও অনেক। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি জীবনের সজীবতা ধরে রাখতে এর ভূমিকা অতুলনীয়। তাই চলুন কথা না বাড়িয়ে আনারের উপকারী দিকগুলো সম্পর্কে জেনে নেই–

১। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:
মাত্র এক গ্রাম আনারের জুসে যথেষ্ট পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হার্টকে ঝুঁকিমুক্ত রাখে। ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

২। ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক:
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আনারের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার সেল তৈরী ও বেড়ে ওঠাকে বাধা দান করে। ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে আনার বেশ কার্যকর।

৩। হজমে সহায়তা করে:
আনার খেলে পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর পরিপাক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে হজমের জন্যও আনার বেশ উপকারী।

৪। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকরে:
আনারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ রয়েছে। এই দুইটি ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক।

৫। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে:
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন কিছু পরিমাণে আনার খায় তারা অন্যদের তুলনায় কম স্ট্রেস বা মানসিক চাপে ভোগেন। চিন্তামুক্ত থাকতে তাই নিয়মিত আনার খেতে পারেন।

৬। শরীরে সজীবতা ধরে রাখে:
আনারের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের সজীবতা ধরে রাখে। এছাড়া আনার দেহকে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

৭। কোষের পুনরুজ্জীবন:
আনারে পর্যাপ্ত ফ্যটি আসিড রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে ক্যারাটিন বজায় রাখার গুণাগুণ। এই কারনে কোষের পুনরুজ্জীবনের সাথে সাথে ত্বকে বয়সের ছাপও কম পড়ে।

৮। কোলাজেন গঠনে সহায়ক:
ত্বকেরএকটি স্তর ডার্মিস, যা ফাইবার বা আঁশ দিয়ে তৈরী। ডার্মিসকে ঠিক রাখে কোলাজেন, যার জন্য দরকার প্রোটিন ও ভিটামিন সি। আনার কোলাজেন ফাইবারকে ঠিক রেখে অ্যান্টিএজিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ অকালে বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

৯। ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে সাহায্য করে:
আনারের জুস ত্বকের যত্নে দারুণ উপকারী। এটা ত্বকের গভীরে ঢুকে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে। এছাড়া মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ও সাইটো কেমিক্যাল উপাদানের যোগান দেয়। ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে এগুলো খুবই দরকারী।

১০। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে:
আনারে রয়েছে বিশেষ ধরনের ফাইবার তাই
নিয়মিত আনার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
এজন্য নিয়মিত আনার খান সুস্থ থাকুন।


জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন ( BMI ) ঠিক আছে কি না




কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয় ভালো আছেন। আজকে হাজির হলাম বিশেষ এই পোস্টটি নিয়ে। আমাদের মাঝে অনেকে আছেন যারা শরীরের ওজন অনেক বেশী করে ফেলেছেন। হয়ত জানেননা যে উচ্চতা অনুযায়ী বয়স কত হওয়া উচিত। তাই আজকে হাজির হলাম এই বিষয়ে আপনাদের কিছু উপহার দিতে।
এই বিষয়টি সবারই জানা দরকার। বিশেষ করে যারা অনেক মোটা তাদেরতো অবশ্যই।

জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কতো হওয়া দরকারঃ-

উচ্চতা - পুরুষ(কেজি) - নারী(কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯ - ৪৯ —– ৩৬ - ৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” — — ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ — – ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ — – ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ — – ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ — – ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪

হিসাব করে নিন উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন ঠিক আছে কি না ?
আজকের মত ভালো থাকুন - সুস্থ থাকুন, ধন্যবাদ !!




জেনে নিন কেউ কারেন্ট শক (electric shock) খেলে কি করবেন



আমরা জানি মানবদেহ বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। বিদ্যুৎ প্রবাহ রয়েছে এমন কোনো খোলা তার বা বৈদ্যুতিক লাইনের সংস্পর্শে এলে তাই সহজেই দেহে বিদ্যুতায়ন হতে পারে। প্রচলিত ভাষায় যাকে বলে কারেন্টে শক খাওয়া বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া। আমাদের দেশে এ ধরণের ঘটনা খুবই সাধারণ। কারেন্টে শক খেয়ে বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অনেকেই আঘাত প্রাপ্ত হয়ে থাকেন। কখনো বা বাড়ির ছোটখাট বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে অসতর্কতা বশত এ ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এটা খুবই ভয়াবহ ব্যাপার । এমনকি এ কারনে ব্যক্তির মৃত্যুও ঘটতে পারে।
তাই আসুন জেনে নেই কেউ কারেন্টে শক খেলে বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাৎক্ষণিক ভাবে আমাদের করণীয়গুলো কি? চলুন সংক্ষেপে তা জেনে নেয়া যাক-

কেউ বিদ্যুতস্পৃষ্ট হলে করণীয়:

১.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে হাত দেওয়া যাবে না।
২.বৈদ্যুতিক সুইচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে।
৩.সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে শুকনো খবরের কাগজ, উলের কাপড়, শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বৈদ্যুতিক উৎস থেকে ধাক্কা দিয়ে আলাদা করতে হবে।
৪.ধাক্কা দেওয়া এবং সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে দ্রুত বৈদ্যুতিক অফিসে খবর দিতে হবে।৫.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে কখনোই পানি দেওয়া যাবে না।
৬.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির গলা, বুক ও কোমরের কাপড় ঢিলা করে দিতে হবে।
৭.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির হৃদপিণ্ডের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে মনে হলে দ্রুত তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে। ডাক্তারি ভাষায় একে বলে সিপিআর(CPR)।
৮.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্ততপক্ষে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব না হয় ততক্ষণ এটা করতে হবে।
৯.রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া আমাদের দুর্ঘটনা থেকে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে:
১.ভেজা শরীরে বা হাতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ধরা যাবে না।
২.খালি পায়ে ভেজা জায়গায় দাঁড়িয়ে বিদ্যুতের কাজ করা যাবে না।
৩.বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় অবশ্যই স্পঞ্জ বা রাবারের জুতা পরে নিতে হবে।
৪.প্রয়োজনে মেইন সুইচ বন্ধ করে বৈদ্যুতিক কাজ করতে হবে।
এছাড়া ও আমাদের ছোট ছেলে মেয়ে, ভাই বোনকে সাবধান রাখতে হবে যাতে তারা কারেন্ট নিয়ে খামখেয়ালি না করে।


জেনে নিন ইসবগুলের ভুষির উপকারীতা কি কি






ইসবগুল বাংলাদেশ, ভারত সহ অনেক দেশেই এটি বেশ পরিচিত।এটি আভ্যন্তরীণ পাচন তন্ত্রের সমস্যার ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য বেশ উপকারী। তবেএই সাদা ভুষিটির উপকারিতা শুধুমাত্র হজমতন্ত্রের মাঝেই সীমিত নয়। এর অনেক ধরনের উপকারিতা রয়েছে। আসুন জেনে নিই ইসবগুলের উপকারিতা –

১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণঃ
ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে।এটি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে জলগ্রাহী হওয়ার কারনে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন।

২। ডায়রিয়া প্রতিরোধঃ
যদিও শুনলে অবাক লাগে, ইসবগুল একই সাথে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দুটিই প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ইসবগুল দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কারন দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে খুব কম সময়ের মাঝে ডায়রিয়া ভালো করতে পারে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ২ চামচ ইসবগুল ৩ চামচ টাটকা দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবার পর খেতে হবে। এভাবে দিনে ২ বার খেলে বেশ কার্যকরী ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

৩। অ্যাসিডিটি প্রতিরোধঃ
বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসব গুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে। ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।

৪। ওজন কমাতেঃ
ওজন কমানোর উদ্দেশ্যকে সফল করতে ইসবগুল হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার। এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়। এছাড়াও ইসবগুল কোলন পরিষ্কারক হিসেবেও পরিচিত। এটি পাকস্থলী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, হজম প্রক্রিয়াকে আরো বেশি কার্যকর করে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য করে। ভেষজ শাস্ত্র অনুযায়ী এটি পাকস্থলীর দেয়ালে যেসব বর্জ্য পদার্থ থাকে তা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে যা অন্যান্য হজমজনিত সমস্যাও দূর করে। কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুলও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে ভাত খাবার ঠিক আগে খেতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলেও তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

৫। হজমক্রিয়াঃ
দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশে ভরপুর ইসবগুল হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে। এটি শুধু পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতেই সাহায্য করে না এটি পাকস্থলীর ভেতরের খাবারের চলাচলেও এবং পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনেও সাহায্য করে। তাই হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে নিয়মিতভাবে ইসবগুল খেতে পারেন। এছাড়া মাঠা বা ঘোলের সাথে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন ভাত খাওয়ার পরপরই। তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে তা হল ইসবগুল মিশিয়ে রেখে না দিয়ে সাথে সাথেই খেয়ে ফেলতে হবে।

৬। হৃদযন্ত্রের সুস্থতায়ঃ
ইসবগুলে থাকা খাদ্য আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা আমাদেরকে হৃদরোগের থেকে সুরক্ষিত করে। হৃদরোগের সুস্থতায় ইসবগুল সাহায্যকরে কারন এটি উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত। ডাক্তাররা সব সময় হৃদরোগ প্রতিরোধে এমন খাবারের কথাই বলে থাকেন। এটি পাকস্থলীর দেয়ালে একটা পাতলা স্তরের সৃষ্টি করে যার ফলে তা খাদ্য হতে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয় বিশেষ করে রক্তের সিরাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়াও এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয় যা থাকলে ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে তা হৃদরোগ এবং কোরোনারী হার্ট ডিজিজ থেকে আমাদের রক্ষা করে। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ভাবে খাবারের ঠিক পরে বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ইসবগুল খান।

৭। ডায়াবেটিসঃ
প্রতিরোধ ইসবগুল যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য খুবই ভালো। এটি পাকস্থলীতে যখন জেলির মত একটি পদার্থে রূপ নেয় তখন তা গ্লুকোজের ভাঙ্গন ও শোষণের গতিকে ধীর করে। যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। খাবার পর নিয়মিত ভাবে দুধ বা পানির সাথে ইসবগুল মিশিয়ে পান করুন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে। তবে দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন না এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।

৮। পাইলস প্রতিরোধঃ
প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুল যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটাশুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।


জেনে নিন গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে কিভাবে খুলবেন






আমাদের কোন সময় মাছ ভাত খেতে খেতে অসাবধানতা বশত গলায় মাছের কাঁটা আটকে যায়। আর গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে সবার মনেই অসম্ভব অস্বস্তির সৃষ্টি হয় যা খুবই পীড়াদায়ক। তাই গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর উপায় সম্পর্কে আমাদের জানা থাকা দরকার। কথা না বাড়িয়ে আসুন জেনে নিই গলা থেকে মাছের কাঁটা সহজে নামানোর ৮টি উপায় :


১. সাদা ভাত : গলায় আটকা মাছের কাঁটা সাদা ভাত খেয়ে খুব সহজে নামানো যায়। এ জন্য আপনাকে ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে। মনে রাখবেন, শুধু ভাত খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না।

২. হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা : গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর সর্বাধিক কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে হোমিওপ্যাথি। এ জন্য আপনাকে নিকটস্থ ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২০০ পাওয়ারের সাইলিসিয়া নামক মেডিসিন কিনে খেতে হবে। এতে করে খুব দ্রুত কাঁটা নেমে যাবে।

৩. পানি পান করুন : গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে পানি পান করুন। পারলে হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়।

৪. কলা খান : গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে পারলে চটজলদি একটি কলা খান। কলা খেতে খেতে কখন যে কাঁটা নেমে যাবে তা আপনি টেরও পাবেন না।

৫. লেবু খান : গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে এক টুকরা লেবু নিন। তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে এর রস খান। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নিমিষেই নেমে গেছে।

৬. অলিভ ওয়েল খান : গলায় কাঁটা বিঁধেছে? তাহলে মোটেই দেরি না করে একটু অলিভ অয়েল খান। এতে কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে।

৭. ভিনেগার খান : পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটাখুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে।

৮. কোকাকোলা পান করুন : গলায় আটকা কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোকাকোলা। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোক পান করলে তা নরমহয়ে নেমে যায়।

এ ছাড়া শুকনো মুড়ি খেলেও এর কার্যকরী সমাধান পাওয়া যায়। তো আজকের মত ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ।

জেনে নিন ইংরেজি সাত বারের নাম কিভাবে এল (origin history of 7days)

­সবকিছু সৃষ্টির পেছনে যেমন ইতিহাস বা ঘটনা থাকে তেমনি ইংরেজি সাত দিনের নাম সৃষ্টির পেছনেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা।
নানান সময় নানান ধরনের কাহিনির মধ্য দিয়ে এই দিনগুলোর নামকরণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ অলীক ও ভিত্তিহীন বিষয়ের ওপর নির্মিত ইংরেজি সাতটি দিনের নাম হলো সানডে, মানডে টুয়েসডে, ওয়েডনেসডে, থার্সডে, ফ্রাইডে ও স্যাটারডে।
অযৌক্তিক ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে এই নামগুলোর শুরু হলেও যুগের ক্রমবির্তনের সাথে সাথে ওই নামগুলোরই নতুন সংস্করণ বর্তমানে সমাজে প্রচলিত রয়েছে।

দিনগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে সানডের কথা। প্রাচীনকালে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলীয় লোকেরা মনে করতো এক জন দেবতা প্রতিদিন ‘সান’ নামের আলো পিণ্ড বা বল আকাশে টেনে তোলে আর নামায়। আলোর এ পিণ্ডকে ল্যাটিনরা বলতো ‘সোলিস’ (Solis), তাই তারা এক দিনের নাম নির্ধারণ করে ‘ডাইচ সোলিস (Dies Solis) যার অর্থ ‘সূর্যের দিন’। উত্তর ইউরোপের লোকেরা একে বলতো ‘সাননানজায়েজ’। ক্রমে ক্রমে সময়ের ব্যবধানে এ ‘সাননানজায়েজ’ (Sunnadaeg) আজকের সানডে (Sunday) রূপে পরিচিতি লাভ করে।

দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা রাতের আকাশে ঝলমলে চাঁদকে (moon) ‘সালভার বল’ মনে করে একে ‘লুনা’ (Luna) বলতো। পরে ল্যাটিন, ভাষায় এই দিনের নাম ‘লুনায়েডাইস’ (Lunaedies) হয়। উত্তর ইউরোপের লোকেরা চাঁদের (moon) নামের সঙ্গে একটি দিনকে বলা শুরু করে ‘মোনানডায়েচ’ (Monandaeg)। যা এখন মানডে (monday) নামে পরিচিত।

আগের দিনে দক্ষিণ ইউরোপের লোকদের বিশ্বাস ছিল ‘টিউ’ (Tiw) নামের একজন রণদেবতা আছেন। তিনি পাহাড়ে থাকেন। এই দেবতাকে যারা পূজো দেয় তাদেরকে‘টিউ’ সাহায্য করেন। কোনো যোদ্ধা যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করলে দেবতা ‘টিউ’ সাহায্য করেন। তারপর একদল সুন্দরী নারীকর্মী সঙ্গে করে ওই মৃত যোদ্ধাকে এক মনোরম জায়গায় নিয়ে যান। লোকেরা এই ‘টিউ’ দেবতার সম্মানে একদিনের নাম করে ‘টিউয়েজডায়েচ’ (Tiwesdaeg)। যা ইংরেজিতে আজকের টুয়েসডে (Tuesday)।

উত্তর ইউরোপের লোকেরা বিশ্বাস করতো ‘উডেন’ (wden) নামের দেবতা সব দেবতার চেয়ে শক্তিশালী। দেবতা উডেন জ্ঞানের সন্ধ্যানে সর্বত্র ঘুরে বেড়ান। তার মাথায় আছে ঢেউ খেলানো বিরাট ‘হ্যাট’, যার আড়ালে একটি চোখ ঢেকে থাকতো। উডেনের দু’কাধে বসে থাকে দুটি কালো পাখি। তারা ছিল আসলে গুপ্তরে। রাতের বেলা পাখি দুটো পৃথিবীতে নেমে আসে আর সকালে উডেনের কাছে ফিরে গিয়ে রাতে কি কি দেখেছে বিস্তারিত বর্ণনা করে। এভাবেই পৃথিবীতে তখন কি ঘটেছে না ঘটেছে উডেন তা স্বর্গে বসেই জেনে নিতেন। এ দেবতার স্মরণে লোকেরা একটি দিনের নাম দেয় ‘উডেনেসডায়েচ’ (Wednesdaeg)। যাকে আমরা এখন ‘ওয়েডনেসডে’ (Wednesday) নামে চিনি।

অনেকদিন আগে মানুষ বিদ্যুত্ চমকানো ও বজ্রপাতের কারণ সম্পর্কে কিছুই জানতো না। কিন্তু এসব তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতো। তাদের মধ্যে বিশ্বাস জন্মালো এসব ঘটে একজন দেবতার দ্বারা। উত্তর ইউরোপের লোকেরা এ দেবতার নাম দেয় ‘থর’ (Tour)। তারা মনে করতো দেবতা থর যখন খুব রেগে যান তখন আকাশে বিশাল হাতুড়ি ছুঁড়ে মারেন যা আগুন বা আলো হয়ে দেখা যায়। হাতুড়িটা ছুঁড়ে মেরে দেবতা থর তার দুটি ছাগলের টানা গাড়িতে গিয়ে বসেন। গাড়িটি আবার চলতে থাকে। তখন এর চাকার যে শব্দ হয় তা-ই মেঘের গর্জন অর্থাত্ তখনকার লোকদের ধারণা ছিল আজকের যে মেঘের গর্জন তা ছিল থর দেবতার গাড়ির চাকার। যাই হোক, তারা দেবতা থর-এর সম্মানে একটি দিনের নাম রাখে ‘থরেসডায়েচ’ (Thoresdaeg)। সেই থেকেই উত্পত্তি হয় আজকের থার্সডে (Thursday)।

প্রাচীন লোকদের ধারণা ছিল ‘ওডিন’ (Odin) নামের সবচেয়ে শক্তিশালী দেবতার স্ত্রী ‘ফ্রিগ’ (Frigg) খুব ভদ্র ও সুন্দরী দেবী। এই দেবী দেবতা ওডিনের পাশে বসে সমস্ত পৃথিবী পর্যবেক্ষণ করেন। ফ্রিগ দেবীই সব দেব-দেবতার প্রেম পরিণয়সহ সমস্ত প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করেন। সুতরাং লোকজন তার সম্মানে একটি দিনের নাম ঠিক করে ‘ফ্রিগেডোয়েজ’ (Frigdaeg)। আর এ ফ্রিগডায়েজ থেকে জন্ম নিলো ‘ফ্রাই ডে’ (Friday)।

অনেক দিন আগে রোমান শাসনামলে লোকদের বিশ্বাস ছিল‘সাটার্ন’ নামের দেবতা তাদের চাষাবাদ দেখাশোনা করেন। আরও বিশ্বাস ছিল এ দেবতাই রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-তুফান নিয়ন্ত্রণ করেন। কাজেই সার্টন দেবতাকে খুশি করার জন এলাকার লোকজন একটি গ্রহের নামের পাশাপাশি একটি দিনের নামও ঠিক করে ‘সার্টনির্ডায়েজ’ (Satuidaeg)। সেদিনের সেই নামটিই আজকের স্যাটারডে (Satuarday)।



কিভাবে windows এর Low disk Space মেসেজ আসা বন্ধ করবেন

আমরা অনেকেই কোন পরিকল্পনা ছাড়াই হার্ড ডিস্কে তথ্য রাখি এলোমেলোভাবে। তাই হার্ড ডিক্স ভরে যেতে বেশি দেরি হয় না। যখনই হার্ড ডিস্ক এর কোন ড্রাইভ ভরে যায় তথনই উইন্ডোজ Low disk Space মেসেজটি দেখায়, যা খুবই বিরক্তিকর । তাই আসুন আজকে কিভাবে এই Low disk Space মেসেজটিকে বন্ধ করতে পারি সেটা নিয়ে লিখছি ।


এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে-

১। প্রথমে Win+R চেপে Regedit লিখে এন্টার চাপুন।

২। এবার HKEY_CURRENT_USER >> Software >> Microsoft >> Windows >> CurrentVersion >> Policies >> Explorer এ যান ।

৩। এবার সেখানে NoLowDiskSpaceChecks নামে কোন ডিওয়ার্ড ভ্যালু আছে কিনা সেটা দেখুন । যদি না থাকে তাহলে খালি অংশে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে NoLowDiskSpaceChecks নামে একটি ডিওয়ার্ড ভ্যালু তৈরি করে নিন ।

৪। এবার ডিওয়ার্ড ভ্যালুটির উপর ডাবল ক্লিক করে মাণ ১ (এক)সেট করে দিন ।

৫। এবার রেজিস্ট্রি এডিটর বন্ধ করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন । এরপর থেকে Low disk Space মেসেজটি আর আপনাকে ডিস্টার্ব করবে না ।

তো আজকে আর কথা বাড়াচ্ছি না । ভাল থাকবেন সবাই



The Prescribed Leave Rules 1959 অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সরকারি ছুটি

সরকারী ছুটি সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়মাবলিঃ

The Prescribed Leave Rules 1959, Fundamental Rules, Bangladesh Service Rules এবং সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক জারিকৃত আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উক্ত বিধিমালা ও বিভিন্ন আদেশের আওতায় নিম্নোক্ত প্রকার ছুটির বিধান রয়েছে।

(১) কোন কর্মচারী নিম্নবর্ণিত যে কোন ধরণের ছুটি পাবেন, যথাঃ
(ক) পূর্ণ বেতনে ছুটি;
(খ) অর্ধ বেতনে ছুটি;
গ)বিনা বেতনে অস্বাভাবিক ছুটি (Without Pay Extraordinary Leave);
(ঘ) বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি (Special Disability Leave);
(ঙ) সংগরোধ ছুটি (Quarantine Leave);
(চ) প্রসূতি ছুটি (Maternity Leave);
(ছ) অধ্যয়ন ছুটি (Study Leave); এবং
(জ) নৈমিত্তিক ছুটি (Casual Leave)

(২) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোন কর্মচারীকে বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি ও অধ্যয়ন ছুটি ব্যতীত অন্যবিধ ছুটি মঞ্জুর করতে পারেন এবং ইহা বন্ধের দিনের সাথে সংযুক্ত করেও প্রদান করা যেতে পারে।

পূর্ণ বেতনে ছুটি:
(১) প্রত্যেক কর্মচারী তৎকর্তৃক দায়িত্ব পালনে অতিবাহিত কার্যদিবসের ১/১১ হারে পূর্ণ বেতনে ছুটি অর্জন করবেন এবং পূর্ণ বেতনে প্রাপ্য এককালীন ছুটির পরিমাণ চার মাসের অধিক হবে না। পূর্ব অনুমোদন নিয়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি ও অধ্যয়ন ছুটি মঞ্জুরকরতে পারেন।

(২) অর্জিত ছুটির পরিমাণ চার মাসের অধিক হলে, তাহা ছুটির হিসাবের অন্য খাতে জমা দেখানো হবে, ইহা হতে ডাক্তারী সার্টিফিকেট উপস্থাপন সাপেক্ষে অথবা বাংলাদেশের বাইরে ধর্মীয় সফর, অধ্যয়ন বা অবকাশ ও চিত্তবিনোদনের জন্য পূর্ণ বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে।

অর্ধ বেতনে ছুটি:
(১) প্রত্যেক কর্মচারী কর্তৃক দায়িত্ব পালনে অতিবাহিত কার্য দিবসের ১/১১ হারে অর্ধ বেতনে অর্জন করিবেন এবং এইরূপ ছুটি জমা হওয়ার কোন সীমা থাকিবে না।
(২) অর্ধ-বেতনে দুই দিনের ছুটির পরিবর্তে, ডাক্তারী সার্টিফিকেট দাখিল সাপেক্ষে, এক দিনের পূর্ণ বেতনে ছুটির হারে গড় বেতনে ছুটিতে সর্বোচ্চ বার মাস পর্যন্ত পূর্ণ বেতনে ছুটিতে রূপান্তরিত করা যাইতে পারে।

প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি:
১) ডাক্তারী সার্টিফিকেট দ্বারা সমর্থিতহইলে, কোন কর্মচারীকে তাহার সমগ্র চাকুরীজীবনে সর্বোচ্চ বার মাস পর্যন্ত এবং অন্য কোন কারণে হইলে, তিন মাস পর্যন্ত অর্ধ বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে।
(২) যখন কোন কর্মচারী তাহার ছুটি পাওনা হওয়ার পূর্বেই প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি ভোগ করিয়া ফিরিয়া আসেন তখন তিনি পূর্বেই যে ছুটি ভোগ করিয়াছেন সেই ছুটি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত নূতনভাবে গড় অর্ধ বেতনে কোন ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন না।

অসাধারণ ছুটি:
(১) যখন কোন কর্মচারীর অন্য কোন ছুটি পাওনা না থাকে বা অন্য প্রকার কোন ছুটি পাওনা থাকে অথচ সংশিলষ্ট কর্মচারী লিখিতভাবে অস্বাভাবিক ছুটির জন্য আবেদন করেন তখন তাহাকে অসাধারণ ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে।
(২) অসাধারণ ছুটির মেয়াদ একবারে তিন মাসের অধিক হইবে না, তবে নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্রে উক্ত ছুটির মেয়াদ বর্ধিত করা যাইতে পারে,
(ক) যে ক্ষেত্রে সংশিলষ্ট কর্মচারী এই শর্তে বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতি প্রাপ্ত হন যে, উক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরে পাঁচ বৎসরের জন্য তিনি এ চাকুরী করিবেন, অথবা
(খ) যে ক্ষেত্রে সংশিলষ্ট কর্মচারী চিকিৎসাধীন থাকেন; অথবা
(গ) যে ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট হয় যে, কর্মচারী তাহার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে কর্তব্যে যোগদান করিতে অসমর্থ।
(৩) ছুটি মঞ্জুর করার ক্ষমতা সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ কোন কর্মচারীর বিনা ছুটিতে অনুপস্থিতির সময়কে ভূতাপেক্ষ কার্যকরতাসহ অসাধারণ ছুটিতে রূপান্তরিতকরিতে পারেন।

বিশেষ অক্ষতাজনিত ছুটি:
(১) কোন কর্মচারী তাঁহার যথাযথ কর্তব্য পালনকালে বা উহা পালনের পরিণতিতে অথবা তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবার কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হইয়া অক্ষম হইলে, তাঁহাকে বিশেষ অক্ষমতা ছুটি মঞ্জুর করিতে পারে।
(২) যে অক্ষমতার কারণে অক্ষমতাজনিত ছুটি চাওয়া হয় সেই অক্ষমতা তিন মাসের মধ্যে প্রকাশ না পাইলে এবং যে ব্যক্তি অক্ষম হন,সেই ব্যক্তি অনুরূপ অক্ষমতার কারণে অবিলম্বে কে অবহিত না করিলে, বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না।
(৩) যে মেয়াদের জন্য বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি প্রয়োজনীয় বলিয়া চিকিৎসা পরিষদ প্রত্যায়ন করিবে সেই মেয়াদের জন্য বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি মঞ্জুর করা হইবে,এবং চিকিৎসা পরিষদের প্রত্যায়ন ব্যতিরেকে তাহা বর্ধিত করা হইবে না; এবং উক্ত ছুটি কোন ক্রমেই ২৪ মাসের অধিক হইবেনা।
(৪) বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি অন্য যে কোন ছুটির সংগে সংযুক্ত করা যাইতে পারে।
(৫) যদি একই ধরণের অবস্থায় পরবর্তীকালে কোন সময় অক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বা উহার পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাহা হইলে একাধিকবার বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি মঞ্জুর করা যাইবে, তবে অনুরূপ ছুটির পরিমাণ ২৪ মাসের অধিক হইবে না এবং তাহা যে কোন একটি অক্ষমতার কারণে মঞ্জুর করা যাইবে।
(৬) শুধুমাত্র আনুতোষিকের এবং যে ক্ষেত্রে অবসর ভাতা প্রাপ্য হয় সেক্ষেত্রে অবসর ভাতার ব্যাপারে চাকুরী হিসাব করিবার সময় বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি কর্তব্য পালনের সময় হিসাবে গণনা করা হইবে এবং ইহা ছুটির হিসাব হইতে বিয়োজন করা হইবে না।
(৭) বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটিকালীন বেতন হইবে নিম্নরূপ যথাঃ(ক) উপরিউক্ত উপ-প্রবিধান (৫) এর অধীনে মঞ্জুরকৃত ছুটির মেয়াদসহ যে কোন মেয়াদের ছুটির প্রথম চার মাসের জন্য পূর্ণ বেতন; এবং(খ) এইরূপ কোন ছুটির অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য অর্ধ বেতন।
(৮) এই প্রবিধানের অন্যান্য বিধানসমূহেরপ্রযোজ্যতা এমন কর্মচারীর ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত করা যাইতে পারে যিনি তাহার যথাযথ কর্তব্য পালনকালে বা উহা পালনের পরিণতিতে অথবা তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবার কারণে, দুর্ঘটনাবশতঃ আঘাতপ্রাপ্ত হইয়াছেন অথবা যিনি নির্দিষ্ট কোন কর্তব্য পালনকালে তাঁহার পদের স্বাভাবিক ঝুকি বহির্ভূত অসুস্থতা বা জখম বাড়াইয়া তোলার সম্ভাবনা থাকে এইরূপ অসুস্থতার দরচণ অক্ষম হইয়াছেন।

সঙ্গরোধ ছুটি:
(১) কোন কর্মচারীর পরিবারে বা গৃহে সংক্রামক ব্যধি থাকার কারণে যদি আদেশ দ্বারা তাহাকে অফিসে উপস্থিত না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় তবে যে সময়ের জন্য উক্তরূপ নির্দেশ কার্যকর থাকে সেই সময়কাল হইবে সঙ্গরোধ ছুটি।
(২) অফিস প্রধান কোন চিকিৎসক কর্মকর্তা বা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে অনুর্ধ ২১ দিন অথবা অস্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ দিনের জন্যসঙ্গরোধ ছুটি মঞ্জুর করিতে পারেন।
(৩) সংগরোধের জন্য প্রয়োজনীয় উপ-প্রবিধান (২) এ উলেলখিত মেয়াদের অতিরিক্ত ছুটি প্রয়োজন হইলে উহা সাধারণছুটি হিসাবে গণ্য হইবে।
(৪) এই প্রবিধানমালা অনুযায়ী প্রাপ্য সর্বাধিক ছুটি সাপেক্ষে, প্রয়োজন হইলে অন্যবিধ ছুটির সহিত সংগরোধ ছুটিও মঞ্জুরকরা যাইতে পারে।
(৫) সংগরোধ ছুটিতে থাকাকালে কোন কর্মচারীকে তাহার দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত বলিয়া গণ্য করা হইবে না এবং যখন কোন কর্মচারী নিজেই সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন, তখন তাহাকে এইরূপ কোন ছুটি দেওয়া যাইবে না।

প্রসূতি ছুটি:
(১) কোন কর্মচারীকে পূর্ণ বেতনে সর্বাধিক তিন মাস পর্যন্ত প্রসূতি ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে এবং উহা তাহার পাওনা ছুটির হিসাব হইতে বাদ দেওয়া যাইবে না।
(২) প্রসূতি ছুটি মঞ্জুরীর অনুরোধ কোন নিবন্ধিত চিকিৎসক কর্তৃক সমর্থিত হইলে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনা মতে কর্মচারীর প্রাপ্য অন্য যে কোন ছুটির সহিত একত্রে বা সম্প্রসারিত করিয়া মঞ্জুর করা যাইতে পারে।
(৩) চাকুরী জীবনে কোন কর্মচারীকে দুইবারের অধিক প্রসূতি ছুটি মঞ্জুর করা যাইবে না।

অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্তুতিমূলক ছুটি:
(১) কোন কর্মচারী ছয় মাস পর্যন্ত পূর্ণ বেতনে এবং আরও ছয় মাস অর্ধ বেতনে অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্তুতিমূলক ছুটি পাইবেন এবং এইরূপ ছুটির মেয়াদ তাহার অবসর গ্রহণের তারিখ অতিক্রম করার পরেও সম্প্রসারিত করা যাইতে পারে, কিন্তু আটান্ন বৎসরের বয়স-সীমা অতিক্রমের পর উহা সম্প্রসারণ করা যাইবে না।
(২) কোন কর্মচারী তাহার অবসর গ্রহণের তারিখের কমপক্ষে একমাস পূর্বে অবসর গ্রহণের প্রস্ত্ততিমূলক ছুটির জন্য আবেদন না করিলে তাহার পাওনা ছুটি অবসর গ্রহণের তারিখের পর তামাদি হইয়া যাইবে।
(৩) কোন কর্মচারী তাহার অবসর গ্রহণের তারিখের কমপক্ষে একদিন পূর্বে অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্ত্ততিমূলক ছুটিতে যাইবেন।

অধ্যয়ন ছুটি:
(১) চাকুরীর জন্য সহায়ক এইরূপ বৈজ্ঞানিক, কারিগরি বা অনুরূপ সমস্যাদি অধ্যয়ন অথবা বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ গ্রহণের জন্য কোন কর্মচারীকে অর্ধ বেতনে অনধিক বার মাস অধ্যয়নের জন্য ছুটি মঞ্জুর করিতে পারেন, যাহা তাহার ছুটির হিসাব হইতে বাদ দেওয়া হইবে না।
(২) যে ক্ষেত্রে কোন কর্মচারীকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোন অধ্যয়ন ছুটিমঞ্জুর করা হয় এবং তিনি পরবর্তীকালে দেখিতে পান যে, মঞ্জুরীকৃত ছুটির মেয়াদ তাহার শিক্ষা কোর্স ও পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় মেয়াদ অপেক্ষা কম, সে ক্ষেত্রে সময়ের স্বল্পতা পূরণকল্পে তাহাকে অনধিক এক বৎসরের জন্য উক্ত অধ্যয়ন ছুটির মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারেন।
(৩) পূর্ণ বেতনে বা অর্ধ বেতনে ছুটি বা বিনা বেতনে অসাধারণ ছুটির সহিত একত্রে অধ্যয়ন ছুটি মঞ্জুর করা যাইতে পারে, তবে এইরূপ মঞ্জুরকৃত ছুটি কোনক্রমেই একত্রে মোট দুই বৎসরের অধিক হইবে না।

নৈমিত্তিক ছুটি:
সরকার সময়ে সময়ে উহার কর্মচারীদের জন্য প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে মোট যতদিন নৈমিত্তিক ছুটি নির্ধারণ করিবেন কর্মচারীগণ মোট ততদিন নৈমিত্তিক ছুটি পাইবেন।ছুটির পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক কর্মচারীর ছুটির হিসাব নির্ধারিত নিয়ম ও পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণ করা হইবে।
(২) ছুটির জন্য সকল আবেদন নির্ধারিত ফরমেহইতে হইবে।
(৩) আবেদনকারী কর্মচারী যে কর্মকর্তার অধীনে কর্মরত আছেন তাহার সুপারিশক্রমে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ ছুটি মঞ্জুর করিতে পারেন।
(৪) বিশেষ পরিস্থিতিতে, কোন কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাহার অধীনেকর্মরত কোন কর্মচারীর ছুটি পাওনা রহিয়াছে, তবে তিনি আনুষ্ঠানিক মঞ্জুরী আদেশ সাপেক্ষে, তাহাকে অনুর্ধ ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে যাইবার অনুমতি দিতে পারেন।








কিভাবে বাড়িতেই মিষ্টি দই (Sweet Curd) বানাবেন





একটু ভারী খাবারের পর দই খাওয়া অনেকেই পছন্দ করেন, বিশেষ করে মিষ্টি দই। অার এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। অাপনারা ইচ্ছে করলে ঘরেই জমিয়ে ফেলতে পারেন দোকানের মতো সুস্বাদু ও পারফেক্ট মিষ্টি দই, খুব সহজেই। ভাবছেন কীভাবে? না চিন্তার কিছু নাই। আজকে আমি দই বানানো শিখাবো। এজন্য আপনার যা যা লাগবে

✿- দুধ ১ লিটার
✿- ১ কাপ পানি
✿- চিনি ২০০ গ্রাম
✿- দইয়ের বীজ ২ টেবিল চামচ
✿- ১ টি মাটির পাত্র।

দইয়ের বীজ তৈরির পদ্ধতিঃ
দইয়ের বীজ দুভাবে নেয়া যায়
১) আগের দই থেকে ২ টেবিল চামচ সরিয়ে রেখে।২) ১ কাপ দুধে ১ কাপ পরিমাণে গুঁড়ো দুধ দিয়ে ভালো করে জ্বাল দিয়ে ক্ষীরসা তৈরি করে নিন। এটিই দইয়ের বীজ হিসেবে কাজ করবে।

দই জমানোর পদ্ধতিঃ
* একটি পাত্রে দুধ নিয়ে এতে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন।
* দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক পরিমাণে হয়ে এলে এতে চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন।
* দুধ আরও ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন।
* আঙুল ডুবিয়ে দেখুন গরম সহ্য করা যায় কিনা। এই ধরণের গরম থাকতে দুধে দইয়ের বীজ দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
* এরপর মাটির পাত্রে ঢেলে ভারী মোটা কাপড় বা চটের কিছু দিয়ে ঢেকে অন্ধকার ও ঠাণ্ডা জায়গায় রেখে দিন ৬-৭ ঘণ্টা।
* ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে দই জমে যাবে। যদি ঠাণ্ডা দই খেতে চান তবে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন।
* এরপর ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করুন দোকানের মতোই সুস্বাদু ঘরে জমানো পারফেক্ট ‘মিষ্টি দই’।
আজকে এ পর্যন্তই। ভালো থাকবেন সবাই।

নৈমিত্তিক ছুটি (Casual leave) কি

নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা ১৯৫৯ অনুযায়ী নৈমিত্তিক ছুটি (Casual Leave) এর সংগাঃ
সামান্য শরীরিক অসুস্থতা বা কোন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে একটি পঞ্জিকা বর্ষে ২০দিন পর্যন্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কোন সরকারি কর্মচারী যে ছুটি ভোগ করেন তাহাই নৈমিত্তিক ছুটি। নৈমিত্তিক ছুটিকালীণ সময়কে কর্তব্য কর্মরত হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই ছুটি ভোগকালে ছুটি মঞ্জুরীকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যায় না।

নৈমিত্তিক ছুটির শর্তাবলীঃ

১. নৈমিত্তিক ছুটি চাকুরী বিধিমালা স্বীকৃত ছুটি নয় এবং নৈমিত্তিক ছুটিজনিত অনুপস্থিতিকে কাজে অনুপস্থিতি হিসাবে গণ্য করা হয় না।
২. পঞ্জিকাবর্ষে সকল সরকারি কর্মচারী বৎসরে সর্ব মোট ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করতে পারিবেন।৩. কোন সরকারি কর্মচারীকে এক সংগে ১০ দিনের বেশী নৈমিত্তিক ছুটি প্রদান করা যাইবে না। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বান্দরবন জেলায় কর্মরত সকল সরকারি কর্মচারীকে এক বৎসরে মঞ্জুরযোগ্য ২০ দিনের মধ্যে ১৫ দিন নৈমিত্তিক ছুটি একই সঙ্গে ভোগ করিতে দেওয়া যাইতে পারে।
৪. কোন কর্মকর্তা আবেদন জানাইলে সর্বোচ্চ ৩ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি এক বার বা একাধিক বার অন্য কোন সরকারি ছুটির পূর্বে অথবা পরে সংযুক্ত করার অনুমতি প্রদান করা যাইতে পারে। যে ক্ষেত্রে এই ধরনের আবেদন করা হইবে না বা অনুমতি দেওয়া হইবে না, সেই সকল ক্ষেত্রে রবিবার বা সরকারি ছুটির দিনগুলিও নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে গণ্য করা হইবে।
৫. নৈমিত্তিক ছুটির উভয়দিকে সরকারি ছুটি সংযুক্ত করা যাইবে না।
৬. কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে নৈমিত্তিক ছুটি ভোগকারী কোন ব্যক্তি সদর দপ্তর ত্যাগ করিতে পারিবে না।
৭. নৈমিত্তিক ছুটিতে থাকাকালীন কেহ বিদেশে গমন করিতে পারিবেন না।
৮. সরকারি কাজে অথবা প্রশিক্ষণার্থে বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থানরত কর্মকর্তাদিগকে নৈমিত্তিক ছুটি প্রদান সরকার নিরুৎসাহিত করেন। তবে কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে নৈমিত্তিক ছুটি প্রদান করা যাইবে।