বিজয়ের মাস

সকালে কাঁচা ছোলা ( Chick pea ) খাওয়ার উপকারিতা কি





কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।
এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। নিচে দেখুন ছোলার যত সব গুনাগুন

* ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।
* ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে। এই খাদ্য আঁশ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
* ছোলা খাদ্যনালীতে ক্ষতিকর জীবাণু দূর করে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমায়।
* ছোলার শর্করা গ্লুকোজ হয়ে দ্রুত রক্তে যায়না। তাই ডায়াবেটিকস রোগীর জন্য ছোলা খুবই উপকারী খাবার।
* ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেইক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।
* কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
* ছোলা খাওয়ার পর বেশ অল্প সময়েই হজম হয়। ছোলার আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
* ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
* ছোলায় থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরে শক্তির যোগান দেয়।

আজকের মত বিদায়, ভালো থাকবেন সবাই।

কিভাবে কয়েল ( mosquito coil ) মানব শরীরের ক্ষতি ( harm) করে






সারা বছর মশার প্রচন্ড উপদ্রব-এ আমরা প্রচুর বিরক্ত। মশা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনার মনে হয়তোবা কয়েলের ছবি ভাসছে। কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন, এক বছরে আপনি কয়েলের পিছনে কত টাকা খরচকরেছেন? আর সব থেকে বড় কথা হলো, কয়েল মানব শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর সেটা কি আপনি জানেন? আপনি হয়তোবা বলতে পারেন আমি কয়েল ব্যবহার করিনা। আমার আছে অ্যারোসল! সেটাতো মানব শরীরের জন্য আরো ভয়াবহ ক্ষতিকর। আসুন জেনে নেই কয়েলের ক্ষতিকর দিকগুলো।

কয়েলের মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ
(১) আপনি যদি একটি মশার কয়েল টানা ৮ ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে ১৩৭টি সিগারেটের পরিমান বিষাক্ত ধোঁয়া আপনি গিলছেন।
(২) কয়েলে যে গুঁড়া দেখেন সেটা এতটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালীর এবং ফুসফুসের পথেগিয়ে জমা হয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে।
(৩) কয়েলের ধোঁয়া চোখের ভীষন ক্ষতি করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়াবহ ক্ষতিসাধন হতে পারে।
(৪) কয়েল মশাকে তাৎক্ষনিক মারে কিন্তু মানব দেহে স্লো পয়জনিং করে, ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

অ্যারোসলে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ
(১) অ্যারোসল হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মানব দেহের হার্ট সরাসরি অ্যারোসলের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
(২) অ্যারোসলের ক্যামিকেল চোখের ক্ষতি করে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে চোখের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।



কিভাবে খুব সহজে Blogger এ 'Back To Top' Button যুক্ত করবেন

আজকে শেয়ার করবো কিভাবে খুব সহযে আপনার ব্লগে বা ওয়েব সাইটে 'back to top' বাটন যুক্ত করবেন ! এতে আপনার ব্লগ আরো সুন্দর ও আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে ।  এই টিপসটি সবার জন্য না । বিশেষ করে যাদের ব্লগে অনেক বড় বড় পোস্ট থাকে আর পাঠক পড়তে পড়তে অনেক নিচে চলে যান তখন পাঠকদের সহজেই উপরে আনতে এই অপশনটির দরকার পড়ে । তবে নতুন ব্লগাররাও এটি যুক্ত করে নিজের ব্লগের সৌন্দর্য বাড়াতে পারবেন । তো কথা না বাড়িয়ে এবার মূল আলোচনায় আসি ।

কিভাবে Blogger Label এর Post গুলো প্রতি Page এ পাঁচটি করে দেখাবেন

আমরা যারা ব্লগ চালাই তারা ভিজিটর বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ভাবে ব্লগের ডিজাইন করি । আজকে এমন একটি ডিজাইনের আলোচনা করছি যেটা আপনার জানা দরকার । আপনি লেবেল বা ক্যাটেগরি যুক্ত করলে এই পোস্ট আপনার জন্য ।

প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন । এবার ড্যাশবোর্ড থেকে Tamplate ক্লিক করুন । এখন Edit HTML ক্লিক করুন ।
এখন নিচের কোডটি খুজুন

<a expr:dir='data:blog.languageDirection' expr:href='data:label.url'>


আপনি পরপর দুইবার পেতে পারেন । প্রথমবার যে কোডটি পাবেন সেটি নিচের কোড দ্বারা রিপ্লেস করুন ।


<a expr:dir='data:blog.languageDirection' expr:href='data:label.url + "?max-results=5"'>

এবার টেম্পেট সেভ করুন । অন্য একটি ট্যাব খুলে আপনার ব্লগ দেখুন । আর পরিক্ষা করুন কাজ করছে কি না ?
না করলে কমেন্ট করে জানাবেন ।

কিভাবে ব্লগারে 'back to top' বাটন যুক্ত করবেন

আজকে শেয়ার করবো কিভাবে ব্লগে বা ওয়েব সাইটে 'back to top' বাটন যুক্ত করবেন ! এতে আপনার ব্লগ আরো সুন্দর ও আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে । আর ভিজিটর ও আপনার ব্লগের শেষপ্রান্ত থেকে সহজেই উপরে আসতে পারবে । এই টিপসটি সবার জন্য না । বিশেষ করে যাদের ব্লগে অনেক বড় বড় পোস্ট থাকে আর পাঠক পড়তে পড়তে অনেক নিচে চলে যান তখন পাঠকদের সহজেই উপরে আনতে এই অপশনটির দরকার পড়ে । তবে নতুন ব্লগাররাও এটি যুক্ত করে নিজের ব্লগের সৌন্দর্য বাড়াতে পারবেন । তো কথা না বাড়িয়ে এবার মূল আলোচনায় আসি । প্রথমে ব্লগারে লগইন করে Layout থেকে Add a gadget ক্লিক করার পর HTML/JavaScript নির্বাচন করুন এবং Name এর ঘর Blank রেখে Content ঘরে নিচের কোডটুকু পেস্ট করে দিন । অতঃপর সেভ করুন এবং Footer এলাকায় Set করুন ।

 

 এরকম আরো ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের কিছু কোড যা দেখলে মিস করবেন

 



 




এরকম কিছু কোড পাবেন এখানে 
তো কথা না বাড়িয়ে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি ।
সবাই ভাল থাকবেন এই কামনায়......

কিভাবে আপনার Blog বা Site এ Bangla date যুক্ত করবেন

আজকে জানাব দারুন একটা টিপস । আমরা বাংলা ভাষার মানুষ । বাংলা ভাষার জন্য শহীদ হলেন অনেকে । অথচ আমরা অধিকাংশই বাংলা তারিথ,মাস,সাল বলতে পারিনা । তাই আজকে জানাব কিভাবে ওয়েব সাইটে বাংলা তারিখ ও সাল যুক্ত করবেন । খুব বেশি কিছু করতে হবে না এজন্য আপনাকে । নিচে কয়েকটি স্টাইলের তারিখ ও সাল যুক্ত করার কোড নিয়ে নিন একবারে ফ্রি ।
ডিজাইন ১


এর জন্য কোডঃ



ডিজাইন ২


এর জন্য কোডঃ




ডিজাইন ৩


এর জন্য কোডঃ



ডিজাইন ৪


এর জন্য কোডঃ



ডিজাইন ৫



এর জন্য কোডঃ

কিভাবে ব্লগে Breaking News bar যুক্ত করবেন

আজকে শেয়ার করবো কিভাবে ব্লগে বা ওয়েব সাইটে Breaking News bar ওয়েডগেট হিসেবে যুক্ত করবেন ! এতে সাম্প্রতিক পোস্টগুলো স্ক্রলিং করবে । যার ফলে খুব সহজেই আপনার ব্লগ আরো সুন্দর ও আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে । আর ভিজিটর ও আপনার ব্লগ পুনরায় না এসে পারবেনা । তো কথা না বাড়িয়ে এবার মূল আলোচনায় আসি । প্রথমে ব্লগারে লগইন করে Layout থেকে Add a gadget ক্লিক করার পর HTML/Javascript নির্বাচন করুন এবং Name এর ঘর ফাকা রেখে Content ঘরে নিচের কোডটুকু পেস্ট করে দিন ।

 

 তারপর সেভ করুন । এখন আপনার ইচ্ছামত জায়গায় সেটাকে টেনে স্থাপন করুন ! এবার আপনার ব্লগ দেখুন ! আজকে বিদায়, ভাল থাকবেন সবাই

কিভাবে ব্লগে Recent post গুলো Breaking News আকারে দেখাবেন

আজকে শেয়ার করবো কিভাবে ব্লগে বা ওয়েব সাইটে Recent post গুলো Breaking News হিসাবে ওয়েডগেট এ যুক্ত করবেন ! এতে আপনার ব্লগ আরো সুন্দর ও আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে । আর ভিজিটর ও আপনার ব্লগ পুনরায় না এসে পারবেনা । তো কথা না বাড়িয়ে এবার মূল আলোচনায় আসি । প্রথমে ব্লগারে লগইন করে Layout থেকে Add a gadget ক্লিক করার পর HTML/Javascript নির্বাচন করুন এবং Name এর ঘর ফাকা রেখে Content ঘরে নিচের কোডটুকু পেস্ট করে দিন ।



 তারপর সেভ করুন । এখন আপনার ইচ্ছামত জায়গায় সেটাকে টেনে স্থাপন করুন ! এবার আপনার ব্লগ দেখুন ! আজকে বিদায়, ভাল থাকবেন সবাই

Pay scale- 2015 এর বিভিন্ন grade এর বেতন

ধাপঃ -১ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ৪০০০০ (নির্ধারিত) ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৭৮০০০(নির্ধারিত) ।


 ধাপঃ -২ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ৩৩৫০০-১২০০×৫-৩৯৫০০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৬৬০০০-৬৮৪৮০-৭১০৫০-৭৩৭২০-৭৬৪৯০ ।


ধাপঃ-৩ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ২৯০০০-১১০০×৬-৩৫৬০০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৫৬৫০০-৫৮৭৬০-৬১১২০-৬৩৫৭০-৬৬১২০-৬৮৭৭০-৭১৫৩০-৭৪৪০০ ।


ধাপঃ -৪ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ২৫৭৫০-১০০০×৮-৩৩৭৫০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৫০০০০-৫২০০০-৫৪০৮০-৫৬২৫০-৫৮৫০০-৬০৮৪০-৬৩২৮০-৬৫৮২০-৬৮৪৬০-৭১২০০ ।

ধাপঃ -৫ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ২২২৫০-৯০০×১০-৩১২৫০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৪৩০০০-৪৪৯৪০-৪৬৯৭০-৪৯০৯০-৫১৩০০-৫৩৬১০-৫৬০৩০-৫৮৫৬০-৬১২০০-৬৩৯৬০-৬৬৮৪০-৬৯৮৫০ ।



 ধাপঃ -৬ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ১৮৫০০-৮০০×১৪-২৯৭০০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৩৫৫০০-৩৭২৮০-৩৯১৫০-৪১১১০-৪৩১৭১০-৪৫৩৩০-৪৭৬০০-৪৯৯৮০-৫২৪৮০-৫৫১১০-৫৭৮৭০-৬০৭৭০-৬৩৮১০-৬৭০১০ ।

ধাপঃ -৭ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ১৫০০০-৭০০×১৬-২৬২০০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ২৯০০০-৩০৪৫০-৩১৯৮০-৩৩৫৮০-৩৫২৬০-৩৭০৩০-৩৮৮৯০-৪০৮৪০-৪২৮৯০-৪৫০৪০-৪৭৩০০-৪৯৬৭০-৫২১৬০-৫৪৭৭০-৫৭৫১০-৬০৩৯০-৬৩৪১০ ।


ধাপঃ -৮ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ১২০০০-৬০০×১৬-২১৬০০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ২৩০০০-২৪১৫০-২৫৩৬০-২৬৬৩০-২৭৯৭০-২৯৩৭০-৩০৮৪০-৩২৩৯০-৩৪০১০-৩৫৭২০-৩৭৫১০-৩৯৩৯০-৪১৩৬০-৪৩৪৩০-৪৫৬১০-৪৭৯০০-৫০৩০০-৫২৮২০-৫৫৪৭০।


ধাপঃ -৯ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ১১০০০-৪৯০×৭-১৪৪৩০-ইবি-৫৪০×১১-২০৩৭০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ২২০০০-২৩১০০-২৪২৬০-২৫৪৮০-২৬৭৬০-২৮১০০-২৯৫১০-৩০৯৯০-৩২৫৪০-৩৪১৭০-৩৫৮৮০-৩৭৬৮০-৩৯৫৭০-৪১৫৫০-৪৩৬৩০-৪৫৮২০-৪৮১২০-৫০৫৩০-৫৩০৬০।



ধাপঃ -১০ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ৮০০০-৪৫০×৭-১১১৫০-ইবি -৪৯০×১১-১৬৫৪০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ১৬০০০-১৬৮০০-১৭৬৪০-১৮৫৩০-১৯৪৬০-২০৪৪০-২১৪৭০-২২৫৫০-২৩৬৮০-২৪৮৭০-২৬১২০-২৭৪৩০-২৮৮১০-৩০২৬০-৩১৭৮০-৩৩৩৭০-৩৫০৪০-৩৬৮০০-৩৮৬৪০।


ধাপঃ -১১ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা ৬৪০০-৪১৫×৭-৯৩০৫-ইবি -৪৫০×১১-১৪২৫৫ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ১২৫০০-১৩১৩০-১৩৭৯০-১৪৪৮০-১৫২১০-১৫৯৮০-১৬৭৮০-১৭৬২০-১৮৫১০-১৯৪৪০-২০৪২০-২১৪৫০-২২৫৩০-২৩৬৬০-২৪৮৫০-২৬১০০-২৭৪১০-২৮৭৯০-৩০২৩০ ।



 ধাপঃ -১২ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৫৯০০-৩৮০×৭-৮৫৬০-ইবি -৪১৫×১১-১৩১২৫ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ১১৩০০-১১৮৭০-১২৪৭০-১৩১০০-১৩৭৬০-১৪৪৫০-১৫১৮০-১৫৯৪০-১৬৭৪০-১৭৫৮০-১৮৪৬০-১৯৩৯০-২০৩৬০-২১৩৮০-২২৪৫০-২৩৫৮০-২৪৭৬০-২৬০০০-২৭৩০০ ।


 ধাপঃ -১৩ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৫৫০০-৩৪৫×৭-৭৯১৫-ইবি -৩৮০×১১-১২১৫৫ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ১১০০০-১১৫৫০-১২১৩০-১২৭৪০-১৩৩৮০-১৪০৫০-১৪৭৬০-১৫৫০০-১৬২৮০-১৭১০০-১৭৯৬০-১৮৮৬০-১৯৮১০-২০৮১০-২১৮৬০-২২৯৬০-২৪১১০-২৫৩২০-২৬৫৯০ ।


 ধাপঃ -১৪ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৫২০০-৩২০×৭-৭৪৪০-ইবি -৩৪৫×১১-১১২৩৫ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ১০২০০-১০৭১০-১১২৫০-১১৮২০-১২৪২০-১৩০৫০-১৩৭১০-১৪৪০০-১৫১২০-১৫৮৮০-১৬৬৮০-১৭৫২০-১৮৪০০-১৯৩২০-২০২৯০-২১৩১০-২২৩৮০-২৩৫০০-২৪৬৮০ ।


ধাপঃ -১৫ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৪৯০০-২৯০×৭-৬৯৩০-ইবি -৩২০×১১-১০৪৫০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৯৭০০-১০১৯০-১০৭০০-১১২৪০-১১৮১০-১২৪১০-১৩০৪০-১৩৭০০-১৪৩৯০-১৫১১০-১৫৮৭০-১৬৬৭০-১৭৫১০-১৮৩৯০১৯৩১০-২০২৮০-২১৩০০-২২৩৭০-২৩৪৯০ ।


 ধাপঃ -১৬ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৪৭০০-২৬৫×৭-৬৫৫৫-ইবি -২৯০×১১-৯৭৪৫ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৯৩০০-৯৭৭০-১০২৬০-১০৭৮০-১১৩২০-১১৮৯০-১২৪৯০-১৩১২০-১৩৭৮০-১৪৪৭০-১৫২০০-১৫৯৬০-১৬৭৬০-১৭৬০০-১৮৪৮০-১৯৪১০-২০৩৯০-২১৪১০-২২৪৯০ ।


 ধাপঃ -১৭ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৪৫০০-২৪০×৭-৬১৮০-ইবি -২৬৫×১১-৯১৫৫ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৯০০০-৯৪৫০-৯৯৩০-১০৪৩০-১০৯৬০-১১৫১০-১২০৯০-১২৭০০-১৩৩৪০-১৪০১০-১৪৭২০-১৫৪৬০-১৬২৪০-১৭০৬০-১৭৯২০-১৮৮২০-১৯৭৭০-২০৭৬০-২১৮০০ ।


ধাপঃ -১৮ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৪৪০০-২২০×৭-৫৯৪০-ইবি -২৪০×১১-৮৫৮০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৮৮০০-৯২৪০-৯৭১০-১০২০০-১০৭১০-১১২৫০-১১৮২০-১২৪২০-১৩০৫০-১৩৭১০-১৪৪০০-১৫১২০-১৫৮৮০-১৬৬৮০-১৭৫২০-১৮৪০০-১৯৩২০-২০২৯০-২১৩১০ ।


 ধাপঃ -১৯ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৪২৫০-২১০×৭-৫৭২০-ইবি -২২০×১১-৮১৪০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৮৫০০-৮৯৩০-৯৩৮০-৯৮৫০-১০৩৫০-১০৮৭০-১১৪২০-১২০০০-১২৬০০-১৩২৩০-১৩৯০০-১৪৬০০-১৫৩৩০-১৬১০০-১৬৯১০-১৭৭৬০-১৮৬৫০-১৯৫৯০-২০৫৭০ ।


 ধাপঃ -২০ 
পূর্বের স্কেল(২০০৯): টাকা৪১০০-১৯০×৭-৫৪৩০-ইবি -২১০×১১-৭৭৪০ ।

বর্তমান স্কেল(২০১৫): টাকা ৮২৫০-৮৬৭০-৯১১০-৯৫৭০-১০০৫০-১০৫৬০-১১০৯০-১১৬৫০-১২২৪০-১২৮৬০-১৩৫১০-১৪১৯০-১৪৯০০-১৫৬৫০-১৬৪৪০-১৭২৭০-১৮১৪০-১৯০৫০-২০০১০ ।

OTG কি এবং এটি কি কাজে ব্যবহার হয়



OTG মানে on the go যেহেতু USB ব্যবহার করা হয় এতে তাই একে USB On The Go ও বলা যায় OTG ফাংশন সম্বলিত ফোন যদি আপনার  OTG ব্যবহার করে ফোনের সাথে Keyboard, Mouse, Pendrive, Card Reader সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন

ফোনের ছোট কীবোর্ড ব্যবহার করতে ভালো লাগে না ? OTG  দ্বারা খুব সহজেই ফোনের সাথে কীবোর্ড বা মাউস ব্যাবহর করতে পারবেন এছাড়াও স্টোরেজ নিয়ে সমস্যা অনেকেরই কম স্টোরেজের কারনে বড় মুভি রাখতে পারেন না মোবাইল এ তাই পেনড্রইভ এ মুভি রাখেন usb দিয়ে পেনড্রাইভ মোবাইল এ কানেক্ট করেন অতঃপর তা মোবাইলেই দেখতে পারবেন ! তাই মূলত ষ্টোরেজ সমস্যার সমাধান করে OTG । 

আরেকটা কথা, কিছু Device OTG ব্যবহার করে আপনার ফোনকে Power Bank হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন হার্ডওয়্যার এর উপর ভিত্তি করে OTG এর বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছেযেমন স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে OTG সাপোর্ট থাকলে আপনি আপনার ডিভাইসের সাথে কী-বোর্ড,মাউস,হার্ডড্রাইভএবং ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন কিন্তু কথা হল সব স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কিন্তু OTG সাপোর্টেড নয় সেক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসটি OTG সাপোর্টেড কিনা তা জানার জন্য ডিভাইসটির স্পেসিফিকেশন চেক করাই যথেষ্ট শুধুমাত্র OTG সাপোর্ট থাকলেই চলবে না এইসুবিধা ব্যবহার করার জন্য আপনার প্রয়োজনহবে একটি ভাল OTG ক্যাবলের বর্তমানে বিভিন্ন স্মার্টফোন এক্সেসোরিস দোকানে এই OTG ক্যাবল পাওয়া যায় 

 এখন আরেকটি বিষয় যা মনে রাখতে হবে তা হল আপনি যদি আপনার স্মার্টফোন বা  ট্যাবলেটের সাথে কোন প্রকার স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডড্রাইভ বা ফ্ল্যাশড্রাইভ যুক্ত করতে চানতাহলে আপনাকে কিছু অ্যাপ ব্যবহার করতে হতে পারে… ( যেমন – USB Host Controller)

OTG ব্যবহার করে আপনি যা যা করতে পারবেন-USB OTG এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসযেমন মাউস,কী-বোর্ড ইত্যাদি যুক্ত করে আপনার ডিভাইসটি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন

এছাড়া OTG এরমাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের সাথে বিভিন্ন স্টোরেজ ডিভাইস,যেমন- হার্ডড্রাইভ,পেনড্রাইভইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন শুধু তাই নয় আপনার ডিভাইসে একটি ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করে এইস্টোরেজ ডিভাইস গুলো থেকে ডাটা আদান প্রদান করতে পারবেনসেই সাথে এই এক্সটারনাল স্টোরেজ ডিভাইস গুলো থেকে গান বা মুভি প্লে করতে পারবেন

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পরিমাপ



আসুন জেনে নেই জাতীয় পতাকার বিভিন্ন মাপ সম্পর্কে । স্থানভেদে  ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন পরিমাপের জাতীয় পতাকা তৈরি হয় । যেমনঃ

ভবনে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো—১০ ফুট ৬ ফুট,  ৫ ফুট ৩ ফুট,  ২.৫ ফুট ১.৫ ফুট।
মোটর গাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো—১৫ ইঞ্চি ৯ ইঞ্চি, ১০ ইঞ্চি ৬ ইঞ্চি।
আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য টেবিল পতাকার মাপ হল—১০ ইঞ্চি ৬ ইঞ্চি।
পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট, লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ ফুট, পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে ৪ ফুট ওপরে প্রস্থের মাঝ বরাবর অঙ্কিত আনুপাতিক রেখার ছেদ বিন্দু হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু ।

কিভাবে ব্লগে Floating search box যুক্ত করবেন

আজকে শেয়ার করবো কিভাবে ব্লগে বা ওয়েব সাইটে একটি Floating search box বা ভাসমান সার্চ বক্স যুক্ত করবেন ! এজন্য প্রথমে ব্লগারে লগইন করে Layout থেকে যে কোন যায়গায় Add a gadget ক্লিক করার পর HTML/JavaScript নির্বাচন করুন এবং



 Name এর ঘর ফাকা রেখে Content ঘরে  কোডটুকু পেস্ট করে দিন ।

তারপর সেভ করে ইচ্ছামত জায়গায় সেটাকে স্থাপন করুন !
আর ব্লগ দেখুন ! আজকে বিদায়, ভাল থাকবেন সবাই.....