জেনে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ উপকারীতা ও গুণাগুণ






এমন কোন দিন নেই যেটা আমাদের কাঁচা মরিচ ছাড়া চলে। এই কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সবজিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো।

কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১। গ্রীষ্ম কালে মসলা জাতীয় খাবারের সাথে কাঁচা মরিচ খেলে তা ঘামের সাথে বেড়িয়ে যায়ফলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।

২। চর্বি জাতীয় খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেলে মোটা হওয়ার কোনা ভয় থাকে না। কারণ কাঁচা মরিচ খাদ্যের সঙ্গে থাকা চর্বিকে ধ্বংস করে । ফলে স্লিম থাকা যায়।

৩। কাঁচা মরিচে অবস্থিত ক্যাপসাইসিন খাদ্যে থাকা উচ্চমাত্রার চর্বি শুষে নিয়েশরীরে মেদ রোধ করতে সাহায্য করে।

৪। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

৫। ত্বক ও চুল ভালো রাখতে কাঁচা মরিচে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দারুণ উপকারি। তাছাড়াও রক্তনালী আর তরুনাস্থি গঠনে সাহায্য করে।

৬। প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়। ও হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

৭। কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরিপোড়াতে সহায়তা করে। ফলে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৮। এতে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

৯। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যাও কমে যায়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

১০। কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। এছাড়া যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য খুবই উপকারী


কাঁচামরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খেলে, তাতে বিদ্যমান ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এর আসল উপকারিতা পেতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কাঁচা খেতে অভ্যাস করুণ।

ধন্যবাদ সবাকে। ভালো থাকবেন।



কিভাবে blogger ব্লগে navbar মুছে ফেলবেন







আজকে শেয়ার করব এই দরকারি টিপ্সটি। যারা নিয়মিত ব্লগার এবং blogger.com এ ব্লগ আছে তাদের জন্য এই পোস্ট।

ব্লগার ব্লগ থেকে নাভবার মুছে ফেলতে আপনাদের যা যা করতে হবে --

* প্রথমে blogger.com যান এবং লগ ইন করুন।

* এবার ড্যাশবোর্ড থেকে Template লেখায় ক্লিক করুন।

* এবার Edit HTML লেখায় ক্লিক করুন।

* এখন নিচের কোডটুকু খুজুন
]]></b:skin>

* কোডটি খুজে পেলে ঠিক তার উপরে নিচের CSS code টুকু পেস্ট করে দিন।

#navbar { height: 0px; visibility: hidden; display: none;}
#navbar-iframe { height: 0px; visibility: hidden; display: none;}


* এখন “Save Template” লেখায় ক্লিক করুন।

তাহলে navigation bar আপনার ব্লগ থেকে remove হয়ে যাবে।

যাই হোক পরবর্তীতে আপনারা যদি আবার Navbar দেখাতে চান তাহলে কেবল উপরের CSS কোডটা রিমুভ করে দিন এবং সেভ করুন।

ব্যাস কাজ শেষ। এভাবে আপনি আপনার ব্লগ থেকে নাভবার দূর করতে কিংবা ফিরে আনতে পারবেন।


জেনে নিন বাস বা ট্রেন ভ্রমনে বমি আসলে কি কিরবেন







বাস বা ট্রেনের ঝাঁকুনি, লঞ্চের দুলুনি এবং বিমানের শূন্যতার কারণেই মূলত সমস্যায় পড়েন অনেকে। পেটে অসস্তিকর অনুভূতি, মাথা ঘোরানো, কানে ভোঁ ভোঁ করতে থাকা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। অনেকর বমি হতে পারে। মোশন সিকনেসের কারণে বমি হয়ে থাকে । তাই বলা যায় মোশন সিকনেস ভ্রমণের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। এক ধরনের মস্তিকের সমস্যার কারণে এটা হতে পারে।
অন্তঃকর্ণ আমাদের শরীরের গতি ও জড়তার ভারসাম্য রক্ষা করে। যখন গাড়িতে চড়ি তখন অন্তঃকর্ণ মস্তিষ্কে খবর পাঠায় যে সে গতিশীল। কিন্তু চোখ বলে ভিন্ন কথা। কারণ তার সামনের বা পাশের মানুষগুলো কিংবা গাড়ির সিটগুলো থাকে স্থির। চোখ আর অন্তঃকর্ণের এই সমন্বয়হীনতার ফলে তৈরি হয় মোশন সিকনেস। এ কারণে তৈরি হয় বমি বমি ভাব, সেই সঙ্গে মাথা ঘোরা, মাথা ধরা প্রভৃতি। আজকে জেনে নিন এই মোশন সিকনেস থেকে বাঁচতে অর্থাৎ বাস বা ট্রেন ধরণের বাহনে উঠলে বমিভাব দূর করার খুবই সাধারণ কিছু কার্যকরী উপায় ---

১) বাহনে উঠার আগে কি খাওয়া উচিত এবং উচিত নয় সেদিকে নজর দিন। অতিরিক্ত সফট ড্রিংকস, ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার একেবারেই খাবেন না। যারা এই সমস্যায় ভোগেন তারা প্রয়োজনে কিছু না খেয়েই বাহনেউঠুন। অনেক দূরের পথ হলে হালকা শুকনো কিছু খেয়ে নিন।

২) অতিরিক্ত ঘ্রাণ বা সুগন্ধযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাহন চলাকালীন সময়ে কিছু খেতে চাইলে শুকনো চিপস ধরণের খাবার অল্প পরিমাণে খাবেন। পানি পান করবেন।

৩) বাহন যেদিক মুখ করে সামনে এগুচ্ছে তার উলটো দিকে কখনোই বসবেন না। এতে উলটো মোশনের কারণে বমিভাব প্রবল হয়। বাহন যেদিকে এগুচ্ছেন সেদিক মুখকরে বসুন।

৪) বাসে বসার ক্ষেত্রে পেছনের দিকের সিটে বসার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। পেছনের দিকে ঝাঁকুনি বেশী লাগে যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৫) যতোটা সম্ভব চলার পথের সমতলে নজর রাখুন। বাইরের দৃশ্য দেখায় মনোযোগ দিন। নিচের দিকে বা উপরের দিকে তাকিয়ে বসে থাকলেও বমিভাব ও অস্বস্তি হয়।

৬) যাদের মোশন সিকনেস রয়েছে তারা বাহনে উঠে চলার সময় কোনো বই পড়া বা মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে কিছু দেখার চেষ্টা করবেন না। এতে আরও অস্বস্তি হতে থাকবে।

৭) বদ্ধ স্থানে আরও বেশী সমস্যা হয়। তাই বাস বা ট্রেনে উঠলে জানালার পাশে বসে তাজা বাতাস গ্রহন করতে পারলে এই বমিভাব আপনা থেকেই কেটে যায়। বিমানের জন্য বা বড় ফিক্সড জানালার এসি বাসের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।

৮) চলার পথে অন্যান্য যাত্রীদের কাউকে অসুস্থ হয়ে বমি করতে দেখলে অবস্থা আরও বেশী খারাপ হয়ে যায়, তাই যাত্রীদের দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে বাইরের দিকে মনোযোগ দিন অথবা চোখ বন্ধ করে গান শুনতে থাকুন।

৯) ঘুমিয়ে পড়া হচ্ছে সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ। ঘুমিয়ে পড়তে পারেন এই অস্বস্তিকর অনুভূতি থেকে বাঁচতে। ভালো কাজে দেবে।

১০) বমিভাব দূর করার জন্য বাহনে উঠার আগেই ডমপেরিডন জাতীয় ঔষধ খেয়ে নিতে পারেন। যদি আপনার খুব অল্প দূরত্বের জন্য এবং ঘন ঘন এই সমস্যা হতে থাকে তাহলে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খাবেন।

প্রাকৃতিক চিকিৎসা :
বমি ভাব দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী ভেষজ ওষুধ আদা। আদা কুচি করে কেটে মুখে নিয়ে চিবুতে পারেন। এতে করে আপনার বমি ভাবটি দূর হয়ে যাবে।

* যখনই বমি ভাব দেখবেন তখনি মুখে এক টুকরা লবঙ্গ রেখে দিন। ধীরে ধীরে চিবুতে থাকুন দেখবেন আপনার মুখ থেকে বমিভাব চলে গিয়েছে।

* পুদিনা পাতা বমিভাব দূর করতে দারুণ কার্যকর।পুদিনার রস গ্যাস্ট্রিক জনিত বমিভাব দূর করতে বেশি কার্যকরী। তাই গ্যাস্ট্রিক জনিত বমিভাবে পুদিনা পাতা মুখে দিয়ে চিবুতে থাকুন।

* অনেকেই দারুচিনি চিবুতে পছন্দ করেন। দারুচিনি ভারী খাবারের পর খেলে হজমে খুব সাহায্য করে। তাই হজমের সমস্যাজনিত কারণে বমিভাব হলে খেতে পারেন এক টুকরা দারুচিনি।

* টক জাতীয় খাবারের ফলে শরীরের বমিভাব দূর হয়। লেবুর রসে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা বমিভাব দূর করতে বেশ কার্যকরী। কিন্তু গ্যাস্ট্রিক জনিত বমির ভাব হলে লেবু না খাওয়াই ভালো। তা ছাড়া বমি ভাব হলে লেবুপাতার গন্ধ উপকারে আসতে পারে। কারণ লেবুর পাতা শুকলে বমি বমি ভাব দূর হয়।

জানালার কাছে সিট নিন। জানালাটা খুলে দিন। খোলা বাতাসে মন-প্রাণ থাকবে চনমনে। ফলে আপনার যাত্রা হবে ফুরফুরে। ভালো থাকবেন সবাই এই কামনায়.......

জেনে নিন আপনার Facebook Profile কে কে Visit করেছে


আজ  দেখবো কিভাবে জানা যায় কে কে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল দেখেছিল। আর এর মাধ্যমে আপনি সেই সব বন্ধুদের চিনতে পারবেন যারা আপনার প্রোফাইল দেখেছিলো । চলুন কাজটি কিভাবে করতে হবে দেখে নেওয়া যাক।


* প্রথমে ফেসবুকে লগইন করুন।

* টাইমলাইনে রাইট ক্লিক করুন। ‘view page source’সিলেক্ট করুন।

* কোডে ভরা একটা পেজ খুলবে। বিভ্রান্ত হবেন না। আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।

* কিবোর্ডে CTRL+F প্রেস করুন।

* পেজের ডান দিকে যে সার্চ বক্স খুলবে সেখানে টাইপ করুন  InitialChatFriendsList

* InitialChatFriendsList-এর পাশে নম্বরের একটা তালিকা দেখতে পাবেন।

* যাঁরা আপনার টাইমলাইন ভিজিট করেছেন, তাঁদের আইডি’র তালিকা আসবে।

* আইডিগুলোর যে কোন একটি কপি করে নিন এবং ব্রাউজারে আলাদা একটি ট্যাব খুলুন  ।

* এখন আপনার টাইমলাইন ভিজিট করেছে, তা নিশ্চিত করতে অ্যাড্রেস বারে টাইপ করুন:
facebook.com/তারপরে এখানে আইডি দিন। 

এবার ইন্টার মারলেই আপনার ভিজিটরের পেজে ল্যান্ড করবেন। আর দেখতে পাবেন কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে ।

ঠিক একই ভাবে, এক একটি কোড কপি করে তার প্রোফাইল দেখে নিন, ধন্যবাদ।



জেনে নিন পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আপনার ফোন খুলবেন কিভাবে



আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটিতে পাসওয়ার্ড দিয়ে রেখেছেন। আপনার ছোট্ট ভাই - বোন কিংবা ছেলে - মেয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে। অথবা আপনার বন্ধু- বান্ধব যাতে কোন এপ্লিকেশন এ ঢুকতে না পারে । এজন্য বেছে নিয়েছেন প্যাটার্ন লক, আই লক, ফিঙ্গার প্রিন্ট ইত্যাদি বহুবিধ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু এতসব পাসওয়ার্ড কিংবা প্যটার্ন লকের মধ্যে ভুলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তখন কী করবেন আর ফোনটাই বা খুলবেন কীভাবে ? জেনে নিন এর সমাধান।

১. প্রথমে আপনার স্মার্টফোনটির সুইচ অফ করুন।

২. এরপর ফোনের ভলিউম বাটন, পাওয়ার বাটন এবং হোমস্ক্রিন বাটন একসঙ্গে প্রেস করুন (একেক সেটে একেক রকম। সবগুলো বাটন চেপে যাচাই করবেন)।

৩. এবার wipe data/factory reset বাটন প্রেস করুন এবং yes প্রেস করুন।

তবে মনে রাখবেন, এই অপশন সিলেক্ট করা মাত্র আপনার ফোন মেমরির সমস্ত ডাটা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি ডিলিট হয়ে যাবে।

৪. এরপর আপনার ফোনটি নিজে থেকেই রিস্টার্ট হয়ে যাবে। এবার আপনি নিজের ইচ্ছে মতো ফোন আনলক
করতে পারবেন।

৫. এবার নিজের ইচ্ছে মতো প্যাটার্ন লক দিয়ে ফোনকে সুরক্ষিত রাখুন।

ভালো থাকবেন সবাই।