বিজয়ের মাস

জেনে নিন খাঁটি মধু চেনার উপায়






মধু হল এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। মধুতে উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল বিদ্যমান এবং এটি সুপেয়। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে মধুর ব্যবহারে চিনির চেয়ে অনেক সুবিধা রয়েছে। মধুর বিশিষ্ট গন্ধের জন্য অনেকে চিনির চাইতে মধুকেই পছন্দ করে থাকেন।
আমরা জানি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মধু কতটা দরকারী। মধুর উপকারিতা এবং কার্যকারীতা বলে শেষ করার মতো নয়। তবে মধু যদি আসল না হয়ে ভেজাল যুক্ত হয়, কিংবা নকল মধু হয়, তখন কিন্তু হিতে বিপরিত হতে পারে। আজকে আমি আপনাদের সামনে খাটি মধু চিনার কিছু টিপস নিয়ে হাজির হচ্ছি।

জেনে নিন শীতে ঠোট ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন কিভাবে





শীত আসি আসি করছে। এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেই ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়ে যান। মাত্রাতিরিক্ত ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার কারণে অনেকের ঠোঁট ফেটেও যায়, যা খুবই অস্বস্তিকর। তাই এই শীতে ঠোট ফাটা সমস্যার কিছু সহজ উপায় নিয়ে হাজির হলাম ।

১. যাদের ঠোঁট ভীষণ শুকিয়ে যায় তাদের একটি বদ অভ্যাস তৈরি হয়। যা হল কিছুক্ষণ পর পর জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। অনেকে ভাবেন এটি করলে ঠোঁট শুকোবে না। কিন্তু এতে ঠোঁট আরো বেশি শুকিয়ে যায় এবং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন।


জেনে নিন ঘুমের মাঝে শরীরে ঝাকুনি আসে কেন

আপনি সবে মাত্র ঘুমিয়েছেন । এমন সময় আচমকাই শরীরেএকটা ঝটকা। শরীরটা প্রবলভাবে ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল, মনে হল কোথাও পড়ে যাচ্ছিলেন। এটা কেবল আপনার সমস্যা নয় বরং শরীরের ঝাঁকুনির এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিশ্বের অন্তত ৭০শতাংশ মানুষ। ঘুমের মধ্যে এমন ঝাঁকুনিকে বলা হয় ‘হিপনিক জার্কস’ । কিন্তু কেন এমনটা হয় ?

এর উত্তর খুজতে গিয়ে অজানা এক তথ্য বেরিয়ে আসে। সাধারণত জেগে থাকা অবস্থা থেকে সবেমাত্র ঘুমোতে যাওয়ার অবস্থার মধ্যে এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। এ সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না। বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। এই অবস্থাতেই স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে জাগরণ ও স্বপ্নের সীমানাকে অনেক সময়েই মস্তিষ্ক ঠিকমত উপলদ্ধি করতে পারে না। ফলে তার ধাক্কা এসে লাগে শরীরে। এ থেকেই তৈরি হয় ‘হিপনিক জার্কস’।

ঠিক কেন মস্তিষ্ক অনুভব করতে পারে না শরীরের এমন অবস্থা?
আসলে শরীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাসল এবং পেশীগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে। কিন্তু মস্তিস্ক শরীরে পেশীর এই অবস্থান উপলদ্ধি করতে না পেরে সেই প্রক্রিয়া আটকানোর চেষ্টা করে, ফলে শারীরে ঝাঁকুনি হয়। যদিও কিছু মানুষ এটাকে শারীরিক অসুবিধা ভেবে ভয় পান। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ অনেক সময়ে নাক ডাকা থেকেও এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। সহজ ভাবে বলা যায়, স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনা প্রবাহ ঠিকমতো উপলদ্ধি করতে না পারায় ঘুমের মধ্যে শরীরে এই ঝাঁকুনি হয়। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।


পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত এর এলোপ্যাথিক সমাধান






পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা অথবা পুরুষত্বহীনতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা। অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।
যাই হোক শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-

ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা।
পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যোনিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া,
প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব।

এসবের মাঝে দ্রুত বীর্য পাত সমাজে প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের (পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর। গবেষণায় দেখা গেছে, খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, যৌন মিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌন সুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পর পুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে।


কেন এমন হচ্ছে বা এর পেছনে কারন কি?

প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো- ডায়াবেটিস, লিঙ্গে জন্মগত কোন ত্রুটি, সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌন রোগ ইত্যাদি।

প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।
আবার অতিরিক্ত যৌন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মাস্টারবেট বা হস্তমৈথুন করা, যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না।
এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে ব্যাপক বয়সের পার্থক্য কিংবা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

প্রতিরোধের জন্য করণীয় :

* অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌনজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।

* যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাতুড়ে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হবেন না বা কোন টোটকা ব্যবহার করবেন না। কোন তেল বা ওষুধ কিছুই ব্যবহার করবেন না হাতুড়েদের কথায় প্রভাবিত হয়ে।

* বাজারে সাময়িকভাবে যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।

চিকিৎসা :
দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসা একটি দীর্ঘ মেয়াদী ব্যাপার। এর জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা উত্তম। তবে এলোপ্যাথি বেশ কিছু ঔষধ বাজারে প্রচলিত আছে। যেমন :-
Capsule :
1) Dapoxen 30 mg (Opsonin)
2) Daxetin 30 mg (ACI)
3) Depotin 30 mg ( Incepta)
4) Susten 30 mg ( Square)
5) Ejalong 30 mg ( Drug)


সেবন বিধি :
মিলনের ১ - ৩ ঘন্টা আগে একটা ক্যাপসুল সেবন করতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আর সেবন করা যাবে না।
তবে ১৮ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের উর্দ্ধে যাদের বয়স তাদের সেবন করা উচিৎ নয়। এছাড়া যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে এবং heart এর সমস্যা আছে তাদের সেবন করা ঠিক নয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া :
এসব ঔষধ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যৌন জীবনে দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া সেবন না করাই ভালো। তবে এসব সেবনে অনেকের মাথা ব্যাথা, ঝিমুনি, তন্দ্রাচ্ছন্ন, ডায়রিয়া, ইনসোমিয়া প্রভৃতি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাছাড়া দীর্ঘ দিন ব্যবহার করলে ঔষধ ছাড়া আর চলতেই পারবেন না। এ জন্য বেশি দিন সেবন করা মোটেই ঠিক নয়।
সর্বোপরি একজন ভালো যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন।

সূত্র : DIMS এবং ইন্টারনেট।