ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিল কি ?



ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক পিল এমন একটি ঔষধ যা অরক্ষিত সহবাসে ডিম্বানু ও শুক্রানুর নিষিক্তকরণ প্রতিরোধ করে। আর এটি কার্যকারীতা প্রদর্শন করে থাকে তিন দিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত ৷

কখন ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক ব্যবহার করবেন ?
অরক্ষিত সহবাসের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জন্মনিরোধক ট্যাবলেট ব্যবহার করতে হবে, তবে সহবাসের ১২ ঘণ্টার মধ্যে হলে সবচেয়ে ভাল হয় কিন্তু ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের পরে নয়। তবে পিউলি ১২০ ঘন্টা বা পাঁচ দিন পর্যন্ত সেবন করা যায় ৷ কিন্তু সময় যত বেশি হবে ঔষধ তত কার্যকারীতা কম প্রদর্শন করে থাকে ৷ তাই যত তারাতারি সম্ভব ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক পিল সেবন করা কর্তব্য ৷

কোন কোন ক্ষেত্রে ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক পিল ব্যবহার করা করতে হয় ?

কিভাবে ব্যান্ড (Banned) হওয়া সাইট রিকোভার করবেন






আজকের টিপস কিভাবে আপনি গুগল কর্তৃক ব্যান হওয়া সাইটকে আবার গুগল ইনডেক্স এ নিয়ে আসবেন ৷ অর্থাৎ আপনার সাইট যদি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের ব্লাক লিষ্টে ঢুকে যায় তাহলে তা কিভাবে আবার রিকোভার করে ইনডেক্স করাবেন ৷ কারন আপনার সাইট ব্লাক লিষ্টে ঢুকে গেলে আপনি ভিজিটর হারাবেন আর এতে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে ৷

সবার আগে নিচের লিংক থেকে জেনে নিন আপনার সাইটে কি ধরনের সমস্যা হয়েছে যার কারনে গুগল ব্যান্ড করে দিল বা ব্লাকলিষ্টে ঢুকালো ৷

https://sitecheck.sucuri.net



গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন জটিলতা ও প্রতিকার






মা হওয়ার আগে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে প্রস্তুতির বিশেষ প্রয়োজন আছে। প্রাপ্ত বয়স্ক একজন নারী যখন মা হওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হবেন তখনই তার সন্তানধারণ করা উচিত। কখনোই তার আগে নয়। এর আগে সন্তান ধারণ করলে গর্ভকালীন সময়ে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয় ৷ তবে মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকলে জটিলতা হবে না তা কিন্তু নয় ৷ এতে জটিলতা হলে কম হবে বা হলেও প্রতিরোধ করা সহজ হবে ৷ কিন্তু আগে থেকেই সতর্ক না থাকলে জটিলতা বেশি হবে আর তাতে বাচ্চা এবং মা দুজনের প্রাণ নাশের আসঙ্কা থাকে ৷ যাই হোক নিচে গর্ভকালীন কিছু জটিলতার কথা উল্লেখ করা হলো।

রক্ত স্বল্পতা, জন্ডিস, খিঁচুনি, পা ফুলে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত বমি হওয়া, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে তলপেটে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হওয়া। প্রায়ই জ্বর হওয়া, ডায়াবেটিস ধরা পড়া বা রক্তে সুগার পাওয়া ৷ প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া বা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাওয়া ৷ দিন বেশি হচ্ছে কিন্তু তলপেটের আকার বাড়ছে না ৷ যোনিপথে রক্ত ক্ষরণ, রক্তস্রাব, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব ৷ জরায়ুর ভিতরে সন্তানে চড়াচড়া অনুভব করতে না পারা ইত্যাদি ৷

গর্ভবতী মায়ের জন্য পালনীয় বিষয়







গর্ভবতী মায়ের সুস্থ বাচ্চা প্রসব করার জন্য এবং নিজে সুস্থ থাকার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় ৷ আর এসব নিয়ম
প্রসূতি মায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৷ তাই আজকের আলোচনায় থাকছে গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন জটিলতা এড়ানোর জন্য দরকারী কিছু পরামর্শ ৷

১) প্রসূতি মাকে স্বাভাবিক খাবারের বাইরেও প্রতিদিন অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে ৷

২) মাছ, মাংস, দুধ, ডিম এবং দুধ জাতীয় প্রাণিজ আমিষ নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে।

৩) স্থূল বা মোটা মায়েদের জন্য শর্করা জাতীয় খাবার (ভাত, রুটি) কিছুটা কম খেতে হবে ৷

গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণের কারণ ও প্রতিকার





একজন নারীর পুরো গর্ভাবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে ৷ প্রথম তিন মাস বা first trimester , মাঝের তিন মাস বা second trimester ও শেষের তিন মাস বা third trimester ৷ আর এই তিন পর্যায়ের যে কোনো সময় রক্তক্ষরণ হতে পারে।
তাই আজকের আলোচনায় থাকছে গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণের কারণ ও করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ৷

প্রথম তিন মাসে রক্তক্ষরণের কারণঃ

* শতকরা ২০-৩০ ভাগ গর্ভবতীর প্রথম তিন মাসে হালকা রক্তক্ষরণ হতে পারে। এর মধ্যে অর্ধেক বাচ্চার কোনো সমস্যা হয় না ৷ ফলে বাচ্চার কোন রকম সমস্যা ছাড়াই অনেক মহিলা সন্তান প্রসব করে থাকেন ৷

কিভাবে বুঝবেন আপনার হার্ট দূর্বল






হার্ট হচ্ছে আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। হার্টের স্পন্দন থেমে যাওয়া মানে জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া।
সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, আমরা যে অসচেতনতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করি, তাতে আমাদের হার্টের অসুখের ঝুঁকি অনেক গুন বেড়ে যায়। অথচ স্বাস্থ্যকর এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে হার্ট অ্যাটাক এবং হার্টের অন্যান্য অসুখ থেকে অনেক দূরে থাকা যায়। তাই আসুন জেনে নেই কিভাবে বুঝবেন আপনার হার্ট দূর্বল রয়েছে বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে ৷


১. হাঁটতে গেলে বা দৌড়াদৌড়ি
করার সময় সহজে হাঁপিয়ে উঠলে বুঝবেন আপনার হার্টে সমস্যা আছে ৷

এপেনডিসাইটিস এর লক্ষণ ও জটিলতা




আমাদের বৃহদন্ত্র নলের মতো ফাঁপা। বৃহদন্ত্রের তিনটি অংশের মধ্যে প্রথম অংশ হচ্ছে সিকাম। এই সিকামের সাথে ছোট একটি আঙ্গুলের মত অভিক্ষেপ হল এপেনডিক্স। কোন কারণে যদি এর মধ্যে পাঁচিত খাদ্য, মল বা কৃমি ঢুকে যায়, তাহলে রক্ত ও পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। তখন নানা ধরনের জীবাণু আক্রমণ করে ইনফেকশন বা প্রদাহের সৃষ্টি করে এবং এপেনডিক্সের ঐ অংশে বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। একেই বলা হয় এপেনডিসাইটিস ৷


লক্ষণ/উপসর্গঃ
পেট ব্যথাঃ প্রথমে নাভির চারপাশে ব্যথা শুরু হয় ৷ এরপরে তলপেটের একটু ডান দিকে গিয়ে ব্যথা স্থির হয়। সময়ের সাথে এই ব্যথার পরিমাণ বাড়ে। রোগির তলপেটে হাত দিলেই ব্যথা অনুভূত হয়, শক্ত অনুভূত হয়।

হিট স্ট্রোক কি, হঠাৎ স্ট্রোক হলে যা করবেন





প্রচণ্ড গরমে শরীর খুব উত্তপ্ত হয়ে দুর্বলতা, বমির উদ্রেক, মাথাব্যথা, শরীর ঝিমঝিম করা, সমগ্র শরীর কষে আসা, খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ প্রকাশ পেলে একে হিট স্ট্রোক বলা হয়। হঠাৎ করেই এই সমস্যাগুলো দেখা যায়। এটি একটি অতিজরুরি অবস্থা, সঙ্গে মারাত্মক পানিশূন্যতা থাকে। জেনে নিন আজকের পর্বে এর সম্পর্কে অজানা সব তথ্য ৷

কাদের এই রোগ হয় ?
খেলোয়াড় কিংবা রৌদ্রে যারা কঠোর পরিশ্রম করেন যেমন- ভ্যান, রিকশা, ঠেলাগাড়ির চালক, হকার, কৃষক এরাই বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে ৷ শিশুরা রৌদ্রে দৌড়ঝাপ করার সময়ও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

আইবিডি (IBD) এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার





দীর্ঘমেয়াদী আমাশয়ের সমস্যার মধ্যে অন্যতম প্রধান হল ইনফ্লামেটরী বাওয়েল ডিজিজ তথা আইবিডি(IBD)। আইবিডির মধ্যে দুটো রোগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে৷ যথাঃ ক্রনস ডিজিজ ও আলসারেটিভ কোলাইটিস।

আইবিডি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা যা বছরের পর বছর চলতে থাকে এবং হঠাৎ হঠাৎ বেড়ে যাওয়া ও কমে যাওয়ার আচরণ দেখায়। আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে ক্রনস ডিজিজ-এর চেয়ে আলসারেটিভ কোলাইটিস এ মানুষ বেশী আক্রান্ত হচ্ছে। আর ওষুধ খেয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখছে । একটা বিষয় লক্ষণীয় যে - স্বল্পমেয়াদী ব্যাকটেরিয়া জনিত আমাশয়েও রক্ত যায়, কিন্তু এর সাথে আলসারেটিভ কোলাইটিসের পার্থক্য হল যে এটি দীর্ঘমেয়াদী ৷ এতে অধিকাংশ রোগীর ওজন ঠিক থাকে। কারও কারও জ্বর, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা ও পেটে অশ্বস্তি লাগার মত সমস্যা হতে পারে।

আইবিএস (IBS) এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার







দীর্ঘমেয়াদী আমাশয়ের সমস্যার মধ্যে একটি হলো ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম তথা আইবিএস। পৃথিবীর মানুষ পরিপাকতন্ত্রের যে সমস্যাটিতে সবচেয়ে বেশী ভুগে থাকেন এবং যে সমস্যাটির জন্য জীবন যাপনের মানে ঘাটতি হয় তা হলো আইবিএস৷ পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই প্রায় দুই থেকে তিনগুণ এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হয়। যারা আইবিএস নামক দীর্ঘমেয়াদী আমাশয় সমস্যায় ভুগেন তাদের কারো কারো উক্ত রোগের সাথে বদহজম, দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি, মাসিকের সময় ব্যথা এবং পুরো শরীর ব্যথাসহ এই জাতীয় সমস্যা থাকে ৷

আইবিএসের কারণঃ
আইবিএসের কারণ ও প্রভাবক হিসেবে বিজ্ঞানীরা অনেকগুলো বিষয়কে চিহ্নিত করেছেন। এগুলো দুটো ভাগে ভাগ করা যায় ৷ যেমন - মনোসামাজিক ও শারীরবৃত্তীয়।
মনোসামাজিক কারণের মধ্যে আছে দুশ্চিন্তা ও হতাশা। এছাড়া হঠাৎ অধিক মানসিক চাপও আইবিএসকে প্রভাবিত করে। দেখা গেছে, আইবিএসে আক্রান্ত রোগীরা অল্প সমস্যা হলেই মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তারা পরিস্থিতি সহজে মানিয়ে নিতে পারেন না।
শারীরবৃত্তীয় সমস্যার মধ্যে রয়েছে অন্ত্রনালীর অস্বাভাবিক নাড়াচাড়া, অন্ত্রনালীর বেশী স্পর্শকাতর হয়ে পড়া, এলার্জী ও ইনফেকশন।

হে ফিভার কি, জেনে নিন এর লক্ষন ও প্রতিকার






হে ফিভার হলো হঠাৎ করে শুরু হওয়া অ্যালার্জির মতো। হে ফিভার বা অ্যালার্জি হলে সেই রোগীর অধিক পরিমাণে বার বার হাঁচি হতে থাকে। নাক দিয়ে সব সময় পানির মতো পড়তে থাকে এবং নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

এই রোগের উৎপত্তি সাধারণত ধুলাবালি, ফুলের রেণু, তুলার অাঁশ থেকে কিংবা রোগী সেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয় সেসব খাবার থেকে হয়ে থাকে। এই অ্যালার্জির কারণে হে ফিভার বা অনবরত হাঁচি হতে থাকে। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগীদের এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায়।

সাধারণত ঘাস ফুলের রেণু থেকেই বেশি অ্যালার্জি হয়ে থাকে। অনেক খাবার থেকে বা ধুলাবালি থেকে যদি অ্যালার্জি সৃষ্টি হয় তাহলে প্রায় সারা বছরই এ রোগের উপসর্গগুলো দেখা যায়। এই রোগের নাম হে ফিভার হলেও অ্যালার্জির কারণে হাঁচিতে জ্বর হয়না।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কারন, লক্ষণ ও প্রতিকার





অ্যালার্জিক রাইনাইটিস সাধারনত ঠান্ডা জনিত উপসর্গ হাঁচি , চুলকানি, এবং বন্ধ কিংবা প্রবাহ প্রবন নাক এর কারনে হয়ে থাকে। এই উপসর্গ গুলো সাধারনত শুরু হয় অ্যালার্জেন প্রকাশিত হবার পর পরই। কিছু মানুষের অ্যালার্জিক রাইনাইটিস কয়েক মাসের জন্য হয় আবার কিছু মানুষ সারা বছরই অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এ আক্রান্ত থাকে।

রোগের লক্ষনঃ
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এ আক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষের কিছু হালকা উপসর্গ বা লক্ষণ থাকে যা খুব সহজেই চিকিৎসা করে ভাল করা যায়।
এলার্জিক রাইনাইটিস রোগটি হলো এলার্জিজনিত নাকের প্রদাহ। এর অন্যতম প্রধান লক্ষন হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারো কারো চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

আইবিএস কি, জেনে নিন এর লক্ষণ ও প্রতিকার





অন্ত্রের সমস্যার মধ্যে ‘ইরিটেবিল বাওয়েল সিনড্রোম’ বা ‘আইবিএস’ অন্যতম। কয়েকটি লক্ষণের সমষ্টিগত প্রকাশকে ‘সিনড্রোম’ বলা হয়। এটি মূলত বৃহদান্ত্রজনিত সমস্যা। অনেক সময় একে ‘উত্তেজিত মলাশয়’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এটি অন্ত্রের অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগ যেমন- ক্ষতযুক্ত বৃহদান্ত্র (আলসারেটিভ কোলাইটিস), ক্রোন’স্ ডিজিস থেকে আলাদা। এ রোগে অন্ত্রে কোনও প্রদাহ বা কোষকলার পরিবর্তন হয় না বা ‘কলোরেকটাল ক্যান্সার’-হওয়ার আশংকা নেই। কারও কারও ক্ষেত্রে রোগের লক্ষণ তেমন কষ্টদায়ক না হলেও স্বাভাবিক জীবনযাপনে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।

হাইড্রোসেল বা একশিরা রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার





পুরুষের অণ্ডকোষের বাইরের দিকে এক ধরনের পর্দা থাকে, যাকে বলা হয় "টিউনিকা ভেজাইনালিস"। যখন এই টিউনিকা ভেজাইনালিসের মাঝে পরিসড়ার তরল জমতে থাকে তাকে হাইড্রোসিল বলে।
প্রাইমারি হাইড্রোসিলের ক্ষেত্রে ব্যথা না হয়ে ক্রমশ অণ্ডথলি বড় হতে থাকে।

সব সময় টিউনিকা ভেজাইনালিসের দু’টি স্তরের মধ্যে কিছু তরল পদার্থ নিঃসৃত হতে থাকে। আবার যে মাত্রায় এই তরল পদার্থ নিঃসৃত হয় একই মাত্রায় তা পরিশোষিত হয়। যদি পরিশোষণ থেকে এই নিঃসরণের মাত্রা বেশি হয় তখন টিউনিকা
ভেজাইনালিসের দু’টি স্তরের মাঝে তরল জমা হতে থাকে। যাকে বলা হয় হাইড্রোসিল।

বজ্রপাতের সময় ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ রাখবেন কি না







আমাদের আধুনিক যুগে জীবনযাপন করতে নিজেকে মানিয়ে নিতে হচ্ছে প্রকৃতির সঙ্গে। এখন যেহেতু সর্বত্র ছোয়া লেগেছে প্রযুক্তির ছোয়া তাই জীবনযাপনে ও অপরিহার্য হয়ে উঠেছে আধুনিক প্রযুক্তি ৷ আমাদের নিত্য দিনের সাথী হয়েছে মোবাইল ফোন, টিভি, ইন্টারনেট সংযোগ ৷ তাই খেয়াল রাখতে হচ্ছে সেদিকেও।

নারীদের মাসিক চক্রে সেভ পিরিয়ড এবং ড্যানজার পিরিয়ড





আজকে নিয়ে আসলাম গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ৷ স্বামী স্ত্রী কোন দিন শারীরিক মিলন করলে বাচ্চা কনসেপ্ট করবে আর কোন সময় মিলন করলে বাচ্চা কনসেপ্ট করবে না বা প্রেগন্যান্ট হবে না সেই সম্পর্কে আজকের পোষ্ট ৷ আশা করি প্রত্যেক বিবাহীত ভাই বোনদের কাজে লাগবে এই পোষ্টটি ৷


নারীদের মাসিক স্রাব শেষ হবার পরদিনকে প্রথম দিন ধরে ৫ থেকে ৭ দিন, এই সময়কে বলা হয় Resting Phase.

এরপর ৮ - ১৪ দিন, এই সময়কে বলা হয় Proliferative Phase.

জেনে নিন স্পিরুলিনার স্বাস্থ্যগুণ ও উপকারী দিক





স্পিরুলিনা এক প্রকার জলজ উদ্ভিদ যা সায়ানো ব্যাক্টেরিয়া নামে পরিচিত। দেখতে লতা পাতার মতো হলেও এর রয়েছে চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার ৷ নিচে এর উপকারী দিকগুলো তুলে ধরলাম ৷

১. স্তন ক্যান্সারঃ স্পিরুলিনা ক্যান্সার হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে। স্পিরুলিনার নীল-সবুজ রঙ এটা ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।স্পিরুলিনা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট "সেলেনিয়াম" সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা গেছে স্পিরুলিনা স্তন ক্যান্সার চিকিৎসায় সফলভাবে কার্যকরী হয়েছে।

গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ কেন হয় এবং করণীয় কি





গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ বা যোনীপথে স্পটিং হওয়া স্বাভাবিক বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে। প্রতি ৪ জন মায়ের ১ জনের প্রথম দিকে হালকা রক্তপাত হয়। এটি কোন সমস্যার কারণ নয় ৷ কিন্তু যেহেতু রক্তপাত হওয়া অন্য আরও জটিলতার লক্ষন ৷ তাই এটি দেখা গেলেই দেরী না করে ডাক্তারকে জানানো উচিত যাতে তিনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন যে সবকিছু ঠিক আছে কিনা?

গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ অনেক সময় কোন মারাত্মক জটিলতারও লক্ষন হতে পারে, যেমন-একটোপিক প্রেগন্যান্সি, গর্ভপাত বা প্লাসেন্টা জনিত কোন সমস্যা ইত্যাদি। ডাক্তার রক্তপাতের কারণ জানার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করতে পারেন, যেমন-শারীরিক পরীক্ষা, আলট্রাসাউন্ড, রক্ত পরীক্ষা ইত্যাদি যাতে তিনি নিশ্চিত হতে পারেন যে গর্ভবতী মা এবং গর্ভের শিশুর সবকিছু ঠিকঠাক আছে।

ল্যাপারোস্কপি সার্জারি কি, এর সুবিধা এবং অসুবিধা







আমরা সচরাচর পেট কেটে সার্জারী করে থাকি। কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সাথে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক উন্নতি হয়েছে ৷ যার ফলে আবিস্কার হয়েছে পেট না কেটে কি করে শুধুমাত্র কয়েকটি ফুটো করে অপারেশন করা যায় ? এই ফুটো দিয়ে ছোট ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্র প্রবেশ করিয়ে পেটের ভেতরটা মনিটরের পর্দায় দেখে সার্জারী করাকেই ল্যাপারোস্কপিক সার্জারী বলা হয়।


ইতিহাসঃ ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির অপারেশন প্রথম শুরু হয় ১৯৮৭ সালে। বাংলাদেশে এর প্রচলন ১৯৯১ সনে খুব স্বল্প পরিসরে। তবে ২০০০ সাল থেকে এর প্রচলন অতি দ্রুত প্রসার লাভ করছে।

কি বোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালু করার উপায়





আমরা সবাই জানি কম্পিউটার চালু করতে হলে সিপিইউ এর পাওয়ার বাটনে চাপ দিতে হয়। কিন্তু কোনো কারণে যদি কম্পিউটারের সিপিইউ পাওয়ার বাটন হঠাৎ করে নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কম্পিউটারটি অচল হয়ে পড়ে। তাই আজকের টিপস কিভাবে এ ধরনের সমস্যায় পড়লে সিপিইউ পাওয়ার বাটন ছাড়া সহজেই কিবোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালু করবেন ৷ আর এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে -

* প্রথমে power button চেপে আপনার পিসি অন করুন

* এরপর কম্পিউটার চালু হচ্ছে এ অবস্থায় কিবোর্ড থেকে Delete বাটন চেপে ধরুন ।

* কিছুক্ষণের মধ্যে মনিটরে বায়োসের একটি পেজ ওপেন হবে। সেখান থেকে Power Management Setup চাপ দিন ৷

জেনে নিন কিভাবে চিনবেন নকল ডিম






চীনের তৈরি এক প্রকার নকল ডিম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বলে বেশ খবর রটেছে । আর তা গুজব হিসেবে নিলেও এখন নাকি অনেকেই তা বাস্তবে এরকম ডিম পাচ্ছেন। কিন্তু এই ডিম যদি খান তবে এর স্বাস্থ্য ঝুকিও আছে। তাহলে চিনবেন কিভাবে এই ডিম? আর টাকা খরচ করে কেনইবা নকল ডিম কিনবেন ? তাই আজকের টিপস - জেনে নিন, নকল ডিম চেনার উপায়-

১. নকল ডিমের খোসা আসলের থেকে একটু বেশিই চকচকে
২. চকচকে হলেও আসল ডিমের থেকে বেশি খসখসে নকল ডিমের খোসা
৩. নকল ডিম কানের কাছে ধরে জোরে ঝাঁকালে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়
৪. নকল ডিমে আসল ডিমের মতো আঁশটে গন্ধ নেই ৷

জেনে নিন চোখের পাতা লাফায় কেন





আমাদের প্রত্যেকের কোনো না কোনো সময় চোখের পাতা নাচে বা লাফায় ৷ কিন্তু কেন চোখের পাতা লাফাচ্ছে, সেই কারণটা একবারও ভাবেন না। প্রধাণত পেশীর সংকোচনের ফলেই চোখের পাতা লাফায়। ডাক্তারি ভাষায় এই রোগটির নাম Myokymia। দিনে দু-একবার হলে সেটি স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু সেটা যদি মাত্রারিক্ত হয় ও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে ।

কেন চোখের পাতা লাফায় বা নাচে ?
প্রত্যেকের চোখে কিছু বিশেষ পেশি থাকে ৷ এসবের মধ্যে দুটি পেশির ওপর চোখের পাতা বন্ধ হওয়া বা খুলে যাওয়া নির্ভর করে। এই পেশি দুটির একটি থাকে চোখের ওপরের পাতায়, অন্যটি নীচে। চোখের পাতা বন্ধ বা খোলার ব্যাপারে নির্দেশ আসে মগজ থেকে। ঐ নির্দেশ বৈদ্যুতিক চার্জের আকারে স্নায়ু মারফত চোখের পাতায় পৌছে। সাময়িক কোনও কারনে যদি চোখের পাতায় থাকা বিশেষ ঐ পেশি দুটোকে বৈদ্যুতিক চার্জ পৌছে দিতে না পারে, তবে চোখের পাতা নাচতে থাকে। আবার স্নায়ু থেকে পেশিতে বৈদ্যুতিক চার্জ পৌছানোর সঙ্গে সঙ্গে চোখের কাঁপুনি বন্ধ হয়ে যায়।


চিকনগুনিয়া জ্বরের কারন, লক্ষণ ও প্রতিকার





চিকনগুনিয়া এক ধরনের ভাইরাস জ্বর। এডিস মশার মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। চিকুনগুনিয়া ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পরবর্তী দুই থেকে চার দিনের মধ্যে আকস্মিক জ্বর এবং অস্থিসন্ধিতে ব্যথা শুরু হয়, যা কয়েক সপ্তাহ, মাস এমনকি বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।

রোগের লক্ষণঃ
* রোগীর প্রচণ্ড জ্বর হবে, ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি কিংবা তারও বেশি তাপমাত্রা হতে পারে। এজ্বরে কোন কাঁপুনি বা ঘাম হয় না।
* জ্বর সাধারণত ২ থেকে ৫ দিন থাকতে পারে, এরপর এমনিতেই ভালো হয়ে যায়।
* অসহনীয় মাথাব্যথা এবং বমি বমি ভাব হতে পারে।
* শরীরের গিটে গিটে বা হাড়ের জোড়ায় জোড়ায়  ব্যথা হবে।  হাড়ের জোড় গুলি ফুলে যাবে ৷ সাধারণত এই লক্ষনটি  চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য ।
* চিকুনগুনিয়া জ্বরের ফলে গাঁটের ব্যাথার পাশাপাশি পেশী ব্যথার সমস্যাও দেখা যায়। অনেক সময় পেশী এতটাই শক্ত হয়ে যায় যে চলাফেরার সমস্যা শুরু হয় এবং ব্যাথা সহ্য করা অসম্ভব হয়ে পড়ে ৷
* কয়েকদিন পর শরীরে র‍্যাশ উঠবে। শরীর খুব দূর্বল হয়ে যাবে ৷
* জ্বর ২ থেকে ৩ দিনের ভেতর কমে যাবে কিন্তু এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত শরীর ও গিরায় ব্যথা থাকতে পারে।
* অনেকের চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চোখের মধ্যে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। আবার অনেক সময় চোখের ব্যথা এতটাই বেড়ে যায় যে আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা হয় ৷


সিম ক্লোনিং কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায়






আজকের আয়োজন সিম ক্লোনিং কি এবং এবং করণীয় ? কেমন আছেন আপনারা ? নিশ্চয়ই ভাল আছেন ৷ ধারাবাহিক টিউনের আজকের পর্বে থাকছে সিম ক্লোনিং কি, কিভাবে হয়, হলে সমস্যা কি এবং কিভাবে এর থেকে নিজেকে রক্ষা পাবেন ?

সিম ক্লোনিং কি ?
সাধারণত একটি সিম এর নং কপি করে যদি অন্য কেউ নতুন সিম বানিয়ে ব্যবহার করে থাকে তাকে সিম ক্লোনিং বলে ৷ অর্থাৎ একই নং দুইজন ব্যবহার করে থাকে ৷ এক্ষেত্রে সিমের আসল মালিক এবং ক্লোনকারী উভয়ের হাতে একই ফোন নং সম্বলিত সিম থাকে ৷

► ১- কিভাবে বুঝবেন আপনি সিম ক্লোনের শিকার ?

একটি সিম যেটি আপনি ব্যবহার করছেন সেই সিম টি যদি অন্য কেউ ব্যবহার করে কিংবা এক নাম্বার যদি দেখেন এক সাথে দুইজন ব্যবহার করে কিংবা হঠাৎ করে যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের কানেকশন নাম্বার থেকে ব্যালান্স কোন কারন ছাড়া কমে যাচ্ছে তবে আপনি সিম ক্লোনের শিকার।

জেনে নিন চোখ লাল হয় কেন






আমাদের চোখ কখনো কখনো লাল হয়ে যায়, চুলকায়, পানি পড়ে, ব্যথা করে ৷ কিন্তু আমরা জানিনা কেন লাল হয় ? তাই আজকের আয়োজন চোখ লাল হয় কি কারনে এবং লাল হলে করণীয় কি ?

চোখের কনজাংটিভার ভিতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্ত নালী অবস্থিত ৷ এই ছোট ছোট রক্ত নালী থেকে রক্ত বেরিয়ে আসলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। সাধারণত দুটি কারনে চোখ লাল হয়৷ যেমন-
১.কনজাংটিভায় রক্তক্ষরণ
২.চোখের ভিতর রক্তক্ষরণ


জেনেটিক রোগ কি, এর থেকে বাঁচার উপায়





জেনেটিক রোগ বা বংশগত রোগ হচ্ছে অসংক্রামক রোগ ৷ এই রোগ ছোয়াচে নয় তাই রোগাক্রান্ত ব্যক্তির সাথে বসবাস করলে বা সংস্পর্শে আসলে ছড়ায় না বা নুতন কেউ আক্রান্ত হয় না ৷ সাধারনত যেসব রোগ বংশীয় ভাবে ছড়ায় সেগুলোকে জেনেটিক রোগ বা বংশগত রোগ বলে ৷ অর্থাৎ ইতিপূর্বে বংশে কারো ছিল এবং পরবর্তীতে ছেলে মেয়ে বা নাতি নাতনীর মধ্যে এই রোগ হয়ে থাকে ৷ তবে বংশের সবারই এই রোগ হবে তা নয় ৷ কারন যাদের রোগ হবে না তাদের কেউ রোগের বাহক হতে পারেন আবার কেউ স্বাভাবিক সুস্থ হতে পারেন ৷

এই রোগের কারনঃ
মানব শরীরে অসংখ্য জিন আছে ৷ এই জিন হচ্ছে বংশগতির ধারক ও বাহক। এটি আমাদের শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। মা-বাবার সব ধরনের বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাধ্যমে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বহন করে। এই জিনের অস্বাভাবিকতা, মিউটেশন, ডিএনএ বিন্যাসের গোলমালের কারনে সৃষ্টি হয় বিভিন্ন ধরনের বংশগত রোগ বা জেনেটিক রোগ৷

জেনে নিন কোন ফলে কি এসিড থাকে





আমরা অনেকেই এসিড মারার কথা খবরে শুনি ৷ খবরের কাগজে দেখি এসিড নিক্ষেপ করে মেয়ের শরীর ঝলসে দিয়েছে ৷ এসিড নিক্ষেপকারী পলাতক কিংবা এসিড নিক্ষেপ করার কারনে জেল হয়েছে ৷ এসিডের নাম শুনলেই আমরা চমকে উঠি বা ভয় পাই ৷
কিন্তু আমরা কি জানি যে প্রতিদিন আমরা কত রকমের এসিড অজানায় খেয়ে ফেলি ৷ না, হয়তো অনেকেই জানিনা আমরা কত রকম এসিড অনায়াসেই খেয়ে ফেলি ৷ অথচ আমাদের কিছুই হচ্ছে না, মুখ বা পেট পুড়ে যাচ্ছে না ৷ কি অবাক হচ্ছেন ? না অবাক হওয়ার মত কিছু নেই ৷ সত্যি এটাই যে আমরা বিভিন্ন রকম এসিড খেয়ে থাকি আর সেগুলো আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় ৷ কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেই এসিড গুলো কি কি ?

খাদ্যের সাথে আমরা এসব এসিড খেয়ে থাকি খাদ্যের উপাদান হিসেবে ৷ জেনে নিন এসব এসিডের নাম----

জেনে নিন কিভাবে পাসপোর্ট করবেন





পাসপোর্ট বিদেশ যাওয়ার অপরিহার্য অনুষঙ্গ। বৈধভাবে পৃথিবীর যে কোন দেশে যেতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির একটি পাসপোর্ট প্রয়োজন। এটি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতিরও বড় দলিল। জাতীয় পরিচয়পত্র বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অন্যতম জোরালো প্রমাণপত্র। কিন্তু দেশের গন্ডি পেরোলেই এই পরিচয়পত্র প্রায় অচল। সেখানে কেবল পাসপোর্টই ব্যাক্তির হয়ে স্বাক্ষ্য দিতে পারে। প্রমাণ করতে পারে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তাই শুধু বিদেশ যাওয়া নয়, মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির জন্যও প্রত্যেক নাগরিকেরই পাসপোর্ট থাকা উচিত।


পাসপোর্টের ধরণ:
সাধারণভাবে পাসপোর্ট দুই ধরনের। হাতে লেখা পাসপোর্ট ও মেশিনে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট। তবে বর্তমানে হাতে লেখা পাসপোর্ট ইস্যু করা হচ্ছে না। কেবল পুরনো পাসপোর্টের নবায়ন হচ্ছে। আগামী বছর পর্যন্ত এ ধরনের পাসপোর্ট ব্যবহার করা যাবে। তাছাড়া অনেক দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এখন হাতে লেখা পাসপোর্ট গ্রহণ করেন না। তাই মেশিনে পাঠযোগ্য পাসপোর্টই কার্যকর। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নীতিমালা অনুযায়ী ২০১২ সালের এপ্রিল মাস থেকে মেশিনে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি) চালু হয়েছে।

জেনে নিন মহিলাদের স্তন ব্যথার কারন ও প্রতিকার






আজকাল মহিলাদের স্তনে ব্যথা খুব সাধারণ একটি ব্যাপার হয়ে গেছে ৷ আর সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যান্সারের সাথে সম্পৃক্ত না হলেও নিশ্চিত ভাবেই অনেকের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে ব্যাহত হয়ে যায় স্বাভাবিক জীবন যাপন। বেশ কিছু কারণে মহিলাদের স্তনে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তাই আসুন জেনে নেই স্তন ব্যথার কিছু কারন ও প্রতিকার -

হরমোনের প্রভাবঃ যে সমস্ত মহিলাদের নিয়মিত মাসিক বা পিরিয়ড হয় তারা সাধারনত ঋতুচক্রের দ্বিতীয় ভাগে উভয় স্তনেই এক ধরনের অস্বস্তি বা ভার বোধ বা ব্যথা অনুভব করে থাকেন। পরবর্তীতে মাসিক শুরু হবার সাথে সাথেই এই ব্যথার উপশম হয়ে যায়। এই ধরনের ব্যথাকে বলা হয় সায়ক্লিকাল মাস্টালজিয়া। সাধারণত অল্প বয়সী মহিলাদের মাঝেই এই ব্যথায় আক্রান্ত হবার হার বেশি এবং মেনোপজের পর আর এই ব্যথা অনুভূত হয় না। হরমোন জনিত কারনে এই ব্যথা হতে পারে এবং এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

ব্রেইন টিউমার এর লক্ষন ও চিকিৎসা





সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয় ৷ আর ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ বিবেচনা করলে এই পরিমাণ দ্বাড়ায় সারা বিশ্বে শতকরা ২ ভাগের মত। আবার ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ক্যান্সারের কারণ হিসেবে ব্রেইন টিউমারে অবস্থান দ্বিতীয় ৷ আর ব্রেইন টিউমার সংক্রান্ত ক্যান্সারের চিকিৎসা যথেষ্ট ব্যয়বহুল। তাই আজকের আয়োজন ব্রেইন টিউমারের কারন, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা ৷

ব্রেইন টিউমার কি ?
ব্রেইন টিউমার বা ইন্ট্রাক্রানিয়াল নিওপ্লাজম হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন মানুষের মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক কিছু কোষ তৈরি হয়। এতে তীব্র মাথা সহ আরও কিছু সমস্যা অনুভূত হয় ৷ এই টিউমার দুই প্রকারের হয় ৷ যথা-
১) ম্যালিগ্যান্ট বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার
২) বেনাইন টিউমার।

ব্রেইন ক্যানসার এর কারন ও লক্ষণ





করোটি গহ্বর এ অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন থেকেই ব্রেইন ক্যান্সার হয়। একে ইনট্রাকার্ণিয়াল টিউমারও বলা হয়। মস্তিস্কের বিভিন্ন কোষে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, করোটিড নার্ভ, খুলি, পিটুইটারি গ্ল্যান্ড এবং অন্যান্য মেটাস্টাসিস ব্রেইন টিউমার থেকে এই ক্যান্সার হয়ে থাকে ৷ করোটির গহ্বরে হাড় থাকে বিধায় মস্তিষ্কের টিউমারের কারণে ইনট্রাকার্ণিয়াল প্রেসার অত্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷ ফলে মাথা ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, বমি, কোমা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। বয়স ভেদে টিউমারের অবস্থান, ধরণ ইত্যাদি ভিন্ন হতে পারে।  

ব্রেইন ক্যান্সারের কারণ কি?
১. রেডিয়েশনঃ মোবাইল এবং কম্পিউটার হতে নির্গত তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ অথবা যে কোন ভাবেই তেজস্ক্রিয় তরঙ্গের সংস্পর্শে আসলে ব্রেইন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

২. আঘাতঃ বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ ভাবে মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পেলে অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার কোষ সক্রিয় হয়ে যেতে পারে অথবা পূর্বে বিদ্যমান টিউমারের আকৃতিও বৃদ্ধি পেতে পারে।  

৩. বিভিন্ন কেমিক্যালঃ দীর্ঘসময় ধরে বিভিন্ন কেমিক্যাল অথবা হেয়ার কালার মাথায় ব্যবহার করলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

জেনে নিন স্বামী স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ একই হলে সমস্যা হবে কি না ?






স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -

১) ABO system (A, B, AB & O),
২) Rh factor ৷ এটি আবার দুই ধরনের ৷ যথা-
i) Rh positive(+ve)
ii) Rh negative(-ve)

এবার জেনে নেয়া যাক, যদি এক গ্রুপের রক্ত অন্য কারো শরীরে দেয়া হয় তাহলে কী হবে?

যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের কোন ব্যক্তির শরীরে Rh পজেটিভ গ্রুপের রক্ত দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারণত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরি হবে ৷ ফলে পরবর্তীতে যদি কখনো রোগী আবার পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, ফলে জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি হতে পারে ।

চাকরিতে ইস্তফা দিবেন, জেনে নিন বিধিমালা






যারা সরকারি চাকরি করেন, চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে অন্য একটি সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন তাদের ইস্তফা পত্র দাখিল বিষয়ে আইন জানা না থাকার কারনে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়৷ কারন সরকারি চাকরিতে কেউ আগে থেকেই না জানিয়ে হঠাৎ ইস্তফাপত্র দিতে পারবেন না ৷ আর হঠাৎ ইস্তফা দিলে তাকে জড়িমানা বা ক্ষতিপূরণ হিসাবে বেতন ফেরত দিতে হবে ৷ এই বিষয়ে স্পষ্ট আইন আছে ৷ পাঠকের সুবিধার্থে আইনটি তুলে ধরা হল ৷

এই ইস্তফা আইনটি ইস্টাব্লিশমেন্ট ম্যানুয়াল বই এর নবম অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ এই অধ্যায়ে অবসর গ্রহন, চাকুরী অবসান ও অব্যাহতি বিষয়ে আইনের ধারা উল্লেখ আছে ৷ এর ৫১ নং ধারার (১) উপধারায় সরকারী চাকুরী জীবী যাদের চাকুরী স্থায়ীকরন করা হয়েছে তাদের ইস্তফাপত্র দাখিলের ব্যপারে বলা হয়েছ ৷ আর এই ধারার (২) উপধারায় যাদের চাকুরী স্থায়ী হয়নি তাদের বিষয়ে বলা হয়েছে ৷

জন্মনিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন - সোমাজেক্ট, ডিপ্রোপ্রভেরা






কেমন আছেন সবাই? আজকে খুবই দরকারি একটা বিষয় নিয়ে হাজির হলাম। আজকের টিপস জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন সম্পর্কে। বিবাহিত নারী পুরুষদের জন্য জেনে রাখা খুবই দরকার। যেসব মহিলা অন্তত একটি সন্তানের মা হয়েছেন। দীর্ঘদিন কিংবা আর কোনদিন সন্তান নেবেন না। কিন্তু বন্ধ্যাকরন ব্যাপারে মনস্থির করতে পারছেন না। বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন। প্রতিদিন মনে করে বড়ি খেতে পারেন না। বড়ি ব্যবহারে নিষেধ আছে বা বড়ি খেলে অসুবিধা হয়। এসব ক্ষেত্রে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন নেওয়া প্রয়োজন। বাজারে বেশ কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন পাওয়া যায়। এসবের মাঝে সোমাজেক্ট, ডিপ্রোপ্রভেরা, নরিষ্টারেট, মোভেরা, মেডোজেন ইত্যাদি।

গাইনেকোমাশিয়া কি? এর কারন ও প্রতিকার






কেমন আছেন আপনারা? আজ আপনাদের সামনে নতুন একটা রোগের তথ্য নিয়ে হাজির হলাম। সেই রোগের নাম হচ্ছে গাইনেকোমাশিয়া। এটা কেবল ছেলেদের বা পুরুষ লোকদের হয়ে থাকে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এটাকে রোগ বলা হয় না।

গাইনেকোমাশিয়া কি ?
সাধারণভাবে একটা যুবতী মেয়ের বুক স্ফীত হয়ে যায় স্তন বড় হয়ে যাওয়ার কারনে। সাধারণত মেয়েদের ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সে মাসিক ঋতুস্রাব শুরু হয়। আর এ সময় তাদের স্তন স্ফীত হয়ে যায়। তাদের বুকের গঠন উন্নত হয়ে একটা বাড়তি সৌন্দর্য ফুটে উঠে।
কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে এই বয়সে স্তন স্ফীত হয় না। এটা আমরা সবাই জানি।
তবে যাদের স্তন স্ফীত হয় তাদের সেই সমস্যাটাকে গাইনেকোমাশিয়া বলে। সহজ কথায় বলতে গেলে মেয়েদের মত ছেলেদের স্তন বা ব্রেস্ট স্ফীত হলে বা বড় হলে তাকে গাইনেকোমাশিয়া বলে। সাধারণত পুরুষ এবং নারী হরমোন ভারসাম্যহীনতার কারনে এমনটি হয়ে থাকে। এছাড়াও আরো কিছু কারন রয়েছে।

বিয়ের আগে কেন রক্ত পরীক্ষা করা জরুরী






বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করার কথা বললে যে কোন পক্ষ, বর বা কনে পক্ষ বেঁকে বসতে পারে ৷ এর কারন হচ্ছে অজ্ঞতা বা ভুল বুঝা ৷ কারন বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করার কথা বললে ছেলে বা মেয়ে ভেবে বসেন হয়ত আমাকে সন্দেহ করা হচ্ছে ৷ আমার চরিত্র নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে কিংবা আমাকে বিশ্বাস করতে পারছে না ৷ তবে সবাই এমন ভাববে তা নয় ৷ যারা বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার গুরুত্ব বুঝে এমন লোকের সংখ্যা হাতে-গোনা কয়েকজন। যাই হোক বিয়ের আগে পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান মেলানোর পাশাপাশি রক্তপরীক্ষা করাটাও খুব জরুরী ৷ নিচে কিছু কারন তুলে ধরা হল-

১) এই রক্ত পরীক্ষার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো ভবিষ্যতে সন্তান সুস্থ হবে কি না- তা দেখা। তাই হবু মা ও বাবার নির্দিষ্ট কিছু রক্তপরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

সায়টিকা কি, এর কারন ও প্রতিকার






আজকাল মধ্য বয়সী নারী ও পুরুষের মাঝে সায়টিকা রোগটি প্রায় দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এই সায়টিকা রোগের বিষয়ে জ্ঞান কম থাকার কারনে অনেকেই তা অন্য কোন পায়ের ব্যাথার সাথে গুলিয়ে ফেলেন। কারন অনেক সাধারণ মানুষের ধারণা শরীরের যে কোন জায়গায ব্যাথা হলেই সেটা সায়টিকার ব্যাথা। কিন্তু না জেনে এমন ভাবাটা মোটেই ঠিক নয়। তাই আসুন আজকের আয়োজনে থাকছে সায়টিকা ও তার চিকিৎসা নিয়ে কিছু কথা।

সায়টিকা কি ?
আমাদের পাছা থেকে উরুর পশ্চাৎভাগ দিয়ে সায়টিক নামক একটা সবচেয়ে বড় মোটা নার্ভ বা স্নায়ু পায়ের গোরা পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছে । কোনও কারনে সেই নার্ভের প্রদাহ হলে তাকে সায়েটিকা বলে।

কিভাবে অন্যের ইন্টারনেট ব্যালেন্স দিয়ে আপনার ফোনে ইন্টারনেট চালাবেন






আজকে মজার একটা বিষয় নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। কিভাবে অন্যের সিমের ইন্টারনেট মেগাবাইট আপনার ফোনে ব্যবহার করবেন। খুব সহজ একটা ট্রিক্স। আপনার বন্ধু বা আত্নীয়ের ফোনে ইন্টারনেট ব্যালেন্স আছে। কিন্তু আপনার ফোনে টাকা বা মেগাবাইট কোনটাই নেই। তাতে কি হয়েছে, আপনার বন্ধুর ফোনের মেগাবাইট দিয়ে আপনার ফোনে চলবে ইন্টারনেট। দেখুন কিভাবে চালাবেন?

যে মোবাইলে মেগাবাইট ব্যালেন্স আছে সেটি হাতে নিন। এরপর -

* Menu থেকে Settings -এ যান।

* তারপর যান More Settings এ।
এরপর Wireless & Network অপশনে যান।
* এবার দেখুন Tethering and portable hotspot নামে একটা অপশন পাবেন।

গর্ভাবস্থায় আলট্রাসনোগ্রাফি কেন করাবেন







গর্ভকালীন সময়ে আলট্রাসনোগ্রাফির ব্যবহার শুধু ইদানিংকালে নয়, অনেক বছর ধরে চলে আসছে৷ গর্ভবতীর জন্য আলট্রাসনোগ্রাফি একটি অতি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষা গর্ভের যে কোন সময়ে প্রয়োজন হতে পারে৷ এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে, আলট্রাসনোগ্রাফি গর্ভকালীন সময়ে বেশ নিরাপদ।

গর্ভাবস্থায় কখন আলট্রাসনোগ্রাফি করাতে হবে, এ ব্যাপারে রোগীর ডাক্তার বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের মতামতই গুরুত্বপূর্ণ ৷ কাজেই ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই পরীক্ষা করাতে হবে। সাধারণ ভাবে প্রধানত তিনটি পর্যায়ে একজন গর্ভবতী নারীর আলট্রাসনোগ্রাফি করা উচিত। তবে ব্যক্তিগত চিকিৎসক মনে করলে এর বেশিও করতে পারেন কিংবা কমও করাতে পারেন। যাই হোক, একজন গর্ভবতী নারীর কখন কখন আলট্রসনোগ্রাফি করাতে হবে সে বিষয়ে তুলে ধরা হলো-


নারীদের যৌন মিলনে ব্যাথার কারন ও প্রতিকার






সাধারণত প্রথম মিলনের সময় মেয়েদের ভয়, লজ্জা, সংকোচ প্রভৃতি নানা কারনে এই রোগ হয় । তার ফলে বিভিন্ন পেশী ও পেলভিক ফ্লোর আপনা থেকেই সংকুচিত হয়। আবার অনেক সময় যোনীর ছিদ্র ছোট থাকলেও যৌন মিলনে ব্যথা হতে পারে । যাই হোক আজকের আয়োজনে থাকছে যৌন মিলনে ব্যথা ও তার প্রতিকার নিয়ে আলোচনা -

কারন:
১) মানসিক কারনে ভয়, লজ্জা, সংকোচ প্রভৃতি থেকে পেশীর সংকোচন এবং তার জন্য এই অবস্থা দেখা দিতে পারে ।

২) অনেকের হাইমেনের মাঝে ছিদ্র ছোট থাকে বলে মিলনে ব্যথা হতে পারে।

৩) অনেকের হাইমেনে বা যোনীতে ইনফেকশন থাকতে পারে, আর এ জন্য ব্যথা হতে পারে ।

৪) মিলনের আগে যথেষ্ট মাত্রায় উত্তেজিত না হলে যোনি থেকে কাম রস ক্ষরণ ঠিক মত হয়না। একারনে ব্যথা হতে পারে।

জেনে নিন বাংলাদেশী এড নেটওয়ার্ক সাইট এর তালিকা






কেমন আছেন আপনারা সবাই ? আজ আমি আপনাদের ব্লগ থেকে আয় করার উপায়ের কথা বলবো । আমরা যারা ব্লগ থেকে আয় করি তারা অবশ্যই কোন না কোন এড নেটওয়ার্ক এর সাথে জরিত। এড নেটওয়ার্ক কি টা অবশ্যই জানেন।

আমি কথা বলবো আজ বাংলাদেশী এডনেটওয়ার্ক সাইট নিয়ে । আমাদের দেশে ও বেশ কয়েকটি এড নেটওয়ার্ক সাইট চালু হয়েছে এবং মোটামুটি পেমেন্ট দিচ্ছে, তাও আবার বিকাশে কিংবা মোবাইল ফ্লেক্সিলোডে। কাজেই যাদের একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট আছে তারা অনায়াসেই বাড়তি কিছু ইনকাম করতে পারেন। আর এসব সাইট ব্যানার এড, পপ এড, ওয়ার্ড এড, রেফারেল ইত্যাদির মাধ্যমে আয়ের ব্যবস্থা রেখেছে।


কি দেখে বুঝবেন একজন নারী গর্ভবতী







উর্বর সময়ে বা বিপদজনক সময়ে কিংবা হিট পিরিয়ড যাই বলেন না কেন, এসময় কোনও সক্ষম মহিলার ডিম্বাণু এবং কোনও সক্ষম পুরুষের শুক্রাণু মিলিত হলে ভ্রূণের সঞ্চার হয় অর্থাৎ উক্ত মহিলা গর্ভবতী হয়ে পড়েন ৷ এরপর ভ্রূণ জরায়ুতে ক্রমেই বড় হতে থাকে, এই অবস্থাকে আমরা গর্ভাবস্থা বলি ৷

আমরা অনেকেই জানি একটি সুস্থ বাচ্চা জণ্ম দেয়ার জন্য গর্ভাবস্থায় একজন গর্ভবতী মহিলাকে বিভিন্ন ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়৷ আর এসব সাবধানতা অবলম্বন না করলে বাচ্চা এবং মা দুজনেরই বিপদ। তাই আগে থেকে সাবধান হতে গেলে আমাদের প্রত্যেকের জানা উচিৎ গর্ভের প্রাথমিক লক্ষণ সমূহ কি কি? তাই আজকের আয়োজন গর্ভের লক্ষণ -

কিভাবে ব্লগে মাউসের রাইট বাটন ডিজেবল করবেন






কেমন আছেন আপনারা সবাই? নিশ্চয় ভাল আছেন। আজকে আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন একটা বিষয় নিয়ে। আর সেটা হচ্ছে কিভাবে আপনার ব্লগার ব্লগের পোস্ট কপি করা থেকে রক্ষা করবেন। কারন অনেকেই লেখা কপি করে নিজের ব্লগে পেস্ট করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়। আর এতে আপনার কষ্ট, পরিশ্রম সব বৃথা হয়ে যায়। তাই আজকের পোস্ট ভিজিটরের মাউসের রাইট বাটন ডিজেবল করে আপনার মূল্যবান পোস্ট কপির হাত থেকে রক্ষা করার উপায়। আর এর জন্য তেমন কোন কোডের প্রয়োজন নেই। এমনকি সেরকম কোডিং জ্ঞান না থাকলেও হবে। একবারে নুতন ব্লগার হলেও এই কোড ব্যবহার করে যে কোন ভিজিটরের মাউস এর রাইট (ডান) বাটন অকেজো করে দিতে পারবেন। ফলে আপনার পোস্ট সিলেক্ট করে রাইট বাটন ক্লিক করে কপি করতে পারবে না।

ইনসোমনিয়া কি? জেনে নিন এর কারন ও প্রতিকার




ইনসোমনিয়া মূলত কোন রোগ নয় বরং একটি অবস্থা। ঘুমাতে পারার অক্ষমতা বা একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমিয়ে থাকতে না পারার অবস্থাকেই ইনসোমনিয়া বলে। যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে এই সমস্যাটা দিন দিন যেন আরও প্রকট হয়ে উঠছে। বিভিন্ন কারণে এটা হতে পারে। যেমন-স্ট্রেস,দুশ্চিন্তা,বিষণ্ণতা,খাদ্যাভাস ইত্যাদি।

জীবনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সময় আমরা ঘুমাই। বয়স অনুযায়ী অবশ্য ঘুমের একটা স্বাভাবিক ছন্দ আছে। যেমন: শিশুরা খুব বেশি ঘুমায়। আর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ঘুমের এই সময়সীমা কমে যায়। ফলে বৃদ্ধরা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক কম ঘুমান। আসলে শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজনের ওপরই নির্ভর করে ঘুমের এই মাপ। তবে খুম কম ঘুম বা খুব বেশি ঘুম কোনোটাই স্বাভাবিক নয়। চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ৪ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুম স্বাভাবিক। আর মোটামুটি ৬ থেকে ৭ ঘন্টার ঘুম হচ্ছে আদর্শ ঘুম।

কিভাবে ব্লগার ব্লগে Post view কাউন্টার যুক্ত করবেন







আজকে আমি শেয়ার করব ব্লগারে পোস্ট ভিউ বাটন যুক্ত করার উপায় নিয়ে। খুব সহজ একটি কোড যা যুক্ত করতে পারলে আপনার ব্লগ আরো সুন্দর আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যার ফলে কোন পোস্ট কতবার ভিউ হয়েছে তা ভিজিটর এবং আপনি দেখতে পাবেন।

যাই হোক এবার আসল কথায় আসি।
>প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।

> এবার ড্যাশবোর্ড এর বাম পাসের ড্রপডাউন মেনু থেকে প্রথমে "Template" লেখায় ক্লিক করুন।

> এরপর "Edit HTML" বাটনে ক্লিক করুন।
> এরপর যে কোডবক্স পাবেন সেখান থেকে নিচের লাইনটি খুজে বের করুন।

<div class='post-header-line-1'/>

জেনে নিন নারীদের যৌন অনিহার কারন ও প্রতিকার






অনেক পুরুষই অভিযোগ করেন যে তার স্ত্রী যৌনতার ক্ষেত্রে শীতল সাড়া প্রদান করে থাকেন। অনেকই মত ব্যক্ত করেন "সে এমনিতে খুবই ভালো স্ত্রী ও প্রেমিকা, কিন্তু যৌনতার কথা এলেই কেমন জানি হয়ে যায়। শারীরিক কোন সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও বিছানায় শীতল যৌন আচরণ করে এবং অনীহা দেখায় কিংবা বলে দেয় আমি যথেষ্ট সক্রিয় নই।" আর এর ফলে দাম্পত্যে অশান্তি অবধারিত ভাবেই হচ্ছে।
আসলে আমাদের সমাজে অনেক নারী নিজেও বোঝেন এবং জানেন নিজের এই শীতল যৌন সমস্যাটা, কিন্তু কাকে বলবেন বা কী করবেন, সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না।

এর পেছনে রয়েছে যে কারনঃ
নারীর শীতল যৌন আচরণের পেছনে যে সর্বদা শারীরিক বা মানসিক কোন গুরুতর সমস্যা থাকবে, বিষয়টা একেবারে তেমন নয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিষয়টি স্বামী স্ত্রীর মাঝে সাধারণ বোঝাপড়ার অভাবে হয়ে থাকে। আবার বয়সের পার্থক্য কিংবা অতীতের কোন ঘটনার কারণে এমনটি হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে একটু সহমর্মিতা ও ভালোবাসা দিয়েই এই সমাধান করা সম্ভব।

বীর্য কি এবং এতে শুক্রাণুর পরিমাণ কত?







বীর্য কি? হ্যাঁ খুব সাধারণ একটি প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আজকে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। রাস্তা ঘাটে, হাটে বাজারে, বাস স্টান্ডে, স্টেশনে সব জায়গায় পোস্টার দেখি বীর্য সমন্ধে। কিন্তু আসলে এই বীর্য কি? কয়জন জানে এ সমন্ধে সঠিক তথ্য? তাই চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে বীর্য কি, এর পরিমাণ এবং এতে কি থাকে?

বীর্য হল অসচ্ছ, সাদা রঙের শারীরিক তরল পদার্থ যা নারী পুরুষ মিলনের সময় পুংলিঙ্গের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মুত্রনালীর মাধ্যমে শরীর থেকে বাহিরে নির্গত হয়। বীর্যের বেশির ভাগ অংশই যৌন অনুভুতির সময় পুরুষ প্রজননতন্ত্রের ক্ষরন/নিঃসরন হতে সৃষ্ট।

নারীদের ঋতুচক্রে নিরাপদ সময় কি এবং কখন




 সবাইকে ইংরেজি নব বর্ষের শুভেচ্ছা। আজকে আপনাদের সামনে বিশেষ এক পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। এই বিষয়টা প্রতিটা বিবাহিত নারী ও পুরুষের জন্য জেনে রাখা জরুরী। আর সেটা হচ্ছে নারীদের নিরাপদ সময়, যে সময় যৌন মিলন করলে নারীদের গর্ভধারনের কোন সম্ভাবনা থাকে না। এতে করে পিল খাওয়া বা কন্ডম ব্যবহার করা, কোন কিছুর প্রয়োজন নেই। যাই হোক এবার মূল আলোচনায় আসি।