বিজয়ের মাস

জেনে নিন মহিলাদের স্তন ব্যথার কারন ও প্রতিকার






আজকাল মহিলাদের স্তনে ব্যথা খুব সাধারণ একটি ব্যাপার হয়ে গেছে ৷ আর সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যান্সারের সাথে সম্পৃক্ত না হলেও নিশ্চিত ভাবেই অনেকের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে ব্যাহত হয়ে যায় স্বাভাবিক জীবন যাপন। বেশ কিছু কারণে মহিলাদের স্তনে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তাই আসুন জেনে নেই স্তন ব্যথার কিছু কারন ও প্রতিকার -

হরমোনের প্রভাবঃ যে সমস্ত মহিলাদের নিয়মিত মাসিক বা পিরিয়ড হয় তারা সাধারনত ঋতুচক্রের দ্বিতীয় ভাগে উভয় স্তনেই এক ধরনের অস্বস্তি বা ভার বোধ বা ব্যথা অনুভব করে থাকেন। পরবর্তীতে মাসিক শুরু হবার সাথে সাথেই এই ব্যথার উপশম হয়ে যায়। এই ধরনের ব্যথাকে বলা হয় সায়ক্লিকাল মাস্টালজিয়া। সাধারণত অল্প বয়সী মহিলাদের মাঝেই এই ব্যথায় আক্রান্ত হবার হার বেশি এবং মেনোপজের পর আর এই ব্যথা অনুভূত হয় না। হরমোন জনিত কারনে এই ব্যথা হতে পারে এবং এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

ব্রেইন টিউমার এর লক্ষন ও চিকিৎসা





সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয় ৷ আর ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ বিবেচনা করলে এই পরিমাণ দ্বাড়ায় সারা বিশ্বে শতকরা ২ ভাগের মত। আবার ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ক্যান্সারের কারণ হিসেবে ব্রেইন টিউমারে অবস্থান দ্বিতীয় ৷ আর ব্রেইন টিউমার সংক্রান্ত ক্যান্সারের চিকিৎসা যথেষ্ট ব্যয়বহুল। তাই আজকের আয়োজন ব্রেইন টিউমারের কারন, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা ৷

ব্রেইন টিউমার কি ?
ব্রেইন টিউমার বা ইন্ট্রাক্রানিয়াল নিওপ্লাজম হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন মানুষের মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক কিছু কোষ তৈরি হয়। এতে তীব্র মাথা সহ আরও কিছু সমস্যা অনুভূত হয় ৷ এই টিউমার দুই প্রকারের হয় ৷ যথা-
১) ম্যালিগ্যান্ট বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার
২) বেনাইন টিউমার।

ব্রেইন ক্যানসার এর কারন ও লক্ষণ





করোটি গহ্বর এ অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন থেকেই ব্রেইন ক্যান্সার হয়। একে ইনট্রাকার্ণিয়াল টিউমারও বলা হয়। মস্তিস্কের বিভিন্ন কোষে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, করোটিড নার্ভ, খুলি, পিটুইটারি গ্ল্যান্ড এবং অন্যান্য মেটাস্টাসিস ব্রেইন টিউমার থেকে এই ক্যান্সার হয়ে থাকে ৷ করোটির গহ্বরে হাড় থাকে বিধায় মস্তিষ্কের টিউমারের কারণে ইনট্রাকার্ণিয়াল প্রেসার অত্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷ ফলে মাথা ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, বমি, কোমা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। বয়স ভেদে টিউমারের অবস্থান, ধরণ ইত্যাদি ভিন্ন হতে পারে।  

ব্রেইন ক্যান্সারের কারণ কি?
১. রেডিয়েশনঃ মোবাইল এবং কম্পিউটার হতে নির্গত তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ অথবা যে কোন ভাবেই তেজস্ক্রিয় তরঙ্গের সংস্পর্শে আসলে ব্রেইন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

২. আঘাতঃ বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ ভাবে মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পেলে অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার কোষ সক্রিয় হয়ে যেতে পারে অথবা পূর্বে বিদ্যমান টিউমারের আকৃতিও বৃদ্ধি পেতে পারে।  

৩. বিভিন্ন কেমিক্যালঃ দীর্ঘসময় ধরে বিভিন্ন কেমিক্যাল অথবা হেয়ার কালার মাথায় ব্যবহার করলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।