গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ কেন হয় এবং করণীয় কি





গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ বা যোনীপথে স্পটিং হওয়া স্বাভাবিক বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে। প্রতি ৪ জন মায়ের ১ জনের প্রথম দিকে হালকা রক্তপাত হয়। এটি কোন সমস্যার কারণ নয় ৷ কিন্তু যেহেতু রক্তপাত হওয়া অন্য আরও জটিলতার লক্ষন ৷ তাই এটি দেখা গেলেই দেরী না করে ডাক্তারকে জানানো উচিত যাতে তিনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন যে সবকিছু ঠিক আছে কিনা?

গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ অনেক সময় কোন মারাত্মক জটিলতারও লক্ষন হতে পারে, যেমন-একটোপিক প্রেগন্যান্সি, গর্ভপাত বা প্লাসেন্টা জনিত কোন সমস্যা ইত্যাদি। ডাক্তার রক্তপাতের কারণ জানার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করতে পারেন, যেমন-শারীরিক পরীক্ষা, আলট্রাসাউন্ড, রক্ত পরীক্ষা ইত্যাদি যাতে তিনি নিশ্চিত হতে পারেন যে গর্ভবতী মা এবং গর্ভের শিশুর সবকিছু ঠিকঠাক আছে।

ল্যাপারোস্কপি সার্জারি কি, এর সুবিধা এবং অসুবিধা







আমরা সচরাচর পেট কেটে সার্জারী করে থাকি। কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সাথে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক উন্নতি হয়েছে ৷ যার ফলে আবিস্কার হয়েছে পেট না কেটে কি করে শুধুমাত্র কয়েকটি ফুটো করে অপারেশন করা যায় ? এই ফুটো দিয়ে ছোট ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্র প্রবেশ করিয়ে পেটের ভেতরটা মনিটরের পর্দায় দেখে সার্জারী করাকেই ল্যাপারোস্কপিক সার্জারী বলা হয়।


ইতিহাসঃ ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির অপারেশন প্রথম শুরু হয় ১৯৮৭ সালে। বাংলাদেশে এর প্রচলন ১৯৯১ সনে খুব স্বল্প পরিসরে। তবে ২০০০ সাল থেকে এর প্রচলন অতি দ্রুত প্রসার লাভ করছে।

কি বোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালু করার উপায়





আমরা সবাই জানি কম্পিউটার চালু করতে হলে সিপিইউ এর পাওয়ার বাটনে চাপ দিতে হয়। কিন্তু কোনো কারণে যদি কম্পিউটারের সিপিইউ পাওয়ার বাটন হঠাৎ করে নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কম্পিউটারটি অচল হয়ে পড়ে। তাই আজকের টিপস কিভাবে এ ধরনের সমস্যায় পড়লে সিপিইউ পাওয়ার বাটন ছাড়া সহজেই কিবোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালু করবেন ৷ আর এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে -

* প্রথমে power button চেপে আপনার পিসি অন করুন

* এরপর কম্পিউটার চালু হচ্ছে এ অবস্থায় কিবোর্ড থেকে Delete বাটন চেপে ধরুন ।

* কিছুক্ষণের মধ্যে মনিটরে বায়োসের একটি পেজ ওপেন হবে। সেখান থেকে Power Management Setup চাপ দিন ৷

জেনে নিন কিভাবে চিনবেন নকল ডিম






চীনের তৈরি এক প্রকার নকল ডিম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বলে বেশ খবর রটেছে । আর তা গুজব হিসেবে নিলেও এখন নাকি অনেকেই তা বাস্তবে এরকম ডিম পাচ্ছেন। কিন্তু এই ডিম যদি খান তবে এর স্বাস্থ্য ঝুকিও আছে। তাহলে চিনবেন কিভাবে এই ডিম? আর টাকা খরচ করে কেনইবা নকল ডিম কিনবেন ? তাই আজকের টিপস - জেনে নিন, নকল ডিম চেনার উপায়-

১. নকল ডিমের খোসা আসলের থেকে একটু বেশিই চকচকে
২. চকচকে হলেও আসল ডিমের থেকে বেশি খসখসে নকল ডিমের খোসা
৩. নকল ডিম কানের কাছে ধরে জোরে ঝাঁকালে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়
৪. নকল ডিমে আসল ডিমের মতো আঁশটে গন্ধ নেই ৷