বিজয়ের মাস

জেনে নিন ব্যাথা মুক্ত যৌনমিলনের জন্য পাঁচ টিপস






কেমন আছেন আপনারা সবাই, নিশ্চয় ভালো আছেন। আজকে একটা বিশেষ পোস্ট লিখতে বসে গেলাম। আসলে Alexa তে এই keyword টা পেলাম। দেখে বেশ কৌতুহল জেগে গেলো , অবশেষে গুগলে অনেক খুজলাম বাট কোন তথ্যই পেলাম না। তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেয়ার করছি।
অনেক মহিলাই আছেন যারা যৌন মিলনে ব্যাথা পান, ফলে মিলন কষ্টকর হয়ে উঠে। মিলনের সময় জ্বালা করে, ব্যাথা হয়, এমনকি একপর্যায় এ সহবাস এর কথা ভাবতে গেলেই ভয়ে গা শিওরে উঠে। তুখন দাম্পত্য জীবনে কলহ দেখা দেয়। তাই এর থেকে পরিত্রাণ পেতে অর্থাৎ ব্যাথামুক্ত যৌনমিলনের জন্য কিছু টিপস তুলে ধরলাম।

১) মেদ কমান: বর্তমানে নারীদের মেদ বৃদ্ধি একটা রোগে পরিণত হয়েছে। তলপেটে চর্বি কিংবা মাংস বেড়ে যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি। ফলে যৌনি পথ কিছুটা সংকুচিত হয়ে যায়। এছাড়া মাংস বৃদ্ধির কারনে যৌনি পথের প্রসারণ ক্ষমতা অনেক কমে যায়, এমনকি শ্রোণী অঞ্চলের রক্ত নালীতে চাপ পড়ার কারনে রক্ত প্রবাহ কম হয় । ফলে মিলনের সময় রক্ত প্রবাহ পর্যাপ্ত না হওয়ায় যৌনি পথ ঠিকমত প্রসারিত হয় না। এতে নারীরা ব্যাথা পায়। তাই এ সমস্যার জন্য মেদ দূর করাটাই প্রথম সমাধান।

২)তাড়াহুড়া করবেননা : অনেক পুরুষ আছে যারা নিজের স্বার্থটাই আগে দেখে। মিলনের জন্য উত্তেজিত হলে হুট করে লিংগ যোনিতে ঢুকিয়ে দেয়, কিন্তু তার সঙ্গী তৎক্ষণাৎ ভাবে শারীরিক এবং মানষিক ভাবে প্রস্তুত হতে পারে না। যার কারনে যোনিপথ মিলনের জন্য সাড়া প্রদান করে না। এতে করে নারীরা মিলনে আনন্দের বদলে ব্যাথা পায়। এজন্য যৌন মিলনে তাড়াহুড়া করা মোটেই ঠিক নয়।

৩) ফরপ্লেতে সময় নিন: বেশিরভাগ নারীদের যৌন ইচ্ছা পুরুষের তুলনায় অনেক কম হয় কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। বিশেষ করে ৩০ বছর পার হলে অনেকটাই কমে যায়। অনেক ব্লগে পাওয়া যায় নারীদের যৌন চাহিদা পুরুষের চার ভাগের এক ভাগ, আবার কেউ বলে থাকেন ছয় ভাগের এক ভাগ। বাস্তবতা যেটাই হোক নারীদের যৌন মিলনের ইচ্ছা পুরুষের মত চট করে জেগে উঠে না। পুরুষের লিঙ্গ ফুলে উঠতে ২-৩ মিনিট সময়ই যথেষ্ট। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে ৫-১৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে। তাই তদেরকে পুরোপুরি উত্তেজিত করতে ফরপ্লেতে সময় নিন। নারীরা পুরোমাত্রায় উত্তেজিত হলে পর্যাপ্ত যৌনি রস ক্ষরণ হয়, এতে যৌনি পথ পিচ্ছিল হয়। ফলে মিলন সহজ হয়, আর ব্যথা ও পাবে না।

৪) সেক্স লুব্রিকেন্ট লাগান: বাজারে সেক্স লুব্রিকেন্ট বা সেক্স জেল পাওয়া যায়। তবে সবখানে পাওয়া নাও যাইতে পারে। এটি বাইরের দেশের প্রডাক্ট। বাংলাদেশে এটি এখনো তৈরি হয়নি। রতিক্রিয়ার আগে নারী পুরুষ উভয়ই এটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে যোনিপথ পিচ্ছিল হবে ফলে ব্যথা পাবে না। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহারে এতে অনেকেই এলার্জি অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে নারিকেল তৈল বা গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। এতেও যোনিপথ পিচ্ছিল হবে। ফলে মিলন ব্যথামুক্ত করতে পারবেন। তবে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই পানির সাথে মিশিয়ে করতে হবে। নইলে জ্বালা পোড়া করবে।

৫) চিকিৎসা নিন: কিছু কিছু নারীদের ক্ষেত্রে এমন দেখা যায় যে কিছুতেই মিলনের সময় অনুভুতি আসে না। ফলে যৌনি রস ক্ষরণ না হওয়ার কারনে যোনি পথ সুস্ক থাকে। এ অবস্থায় সহবাস করলে ব্যথা হয়, জ্বালা পোড়া করে। তাই এমন ক্ষেত্রে চিকিৎসা নিতে হবে। এজন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাই বেটার আমি মনে করি।

ধন্যবাদ সবাইকে। ভালো থাকবেন।


জেনে নিন নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাবের কারন ও প্রতিকার







আমাদের দেশের নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব একটি প্রচলিত সমস্যা। এমন কোন নারী নেই যে এই সমস্যার সম্মুখীন হয়নি। কিন্তু কেন এই সমস্যা হয় তা কি আপনারা জানেন? যারা জানেন না তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।

সাধারণত একজন নারীর জীবনে ২৫ দিন থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে যেটি হয় সেটি নিয়মিত ঋতুস্রাব। আর যদি ২৫ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পরে হয় তবে সেটিকে আমরা অনিয়মিত ঋতুস্রাব বলে থাকি । অনিয়মিত ঋতুস্রাব সাধারণত যৌবনের প্রারম্ভে এবং যৌবন শেষে হতে পারে। যৌবনের প্রারম্ভে সাধারণত ১২ থেকে ২০ বছর বয়সে কোন মেয়ের শরীরের ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন যদি অপরিপক্ব বা প্রিমেচিউর থাকে তবে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয়। আবার নারী শরীরে মেনোপজ শুরু হওয়ার আগে এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে ।
এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতার কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। নিম্নে এ বিষয়ে তুলে ধরা হল-

অনিয়মিত ঋতুস্রাবের কারণ:

* মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণে এই সমস্যা হয়।

* অনেক সময় বিবাহিত নারীরা হঠাৎ করে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে স্রাব অনিয়মিত হতে পারে।

* বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপের ফলে মহিলাদের স্রাব দেরিতে হতে পারে।

* নারীদের শরীরের রক্ত কমে গেলে অর্থাৎ এনিমিয়া হলে অনিয়মিত মাসিক হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

* অনেকের ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, শরীরের ওজন বেড়ে গেলে এই সমস্যা হয়।

* অনেক সময় জরায়ুর বিভিন্ন জটিলতার কারণে স্রাব অনিয়মিত হতে পারে।

* সহবাসের সময় পুরুষের শরীর থেকে আসা রোগের কারণে হতে পারে। যেমন :গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি।

* শরীরে টিউমার বা ক্যানসার ইত্যাদি অসুখের কারনে হতে পারে।

* নারীদের বয়স ৪৫ পার হলে প্রি মেনোপজের সময় স্রাব অনিয়মিত হয়ে থাকে।

* যেসব নারী শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ান সেসব নারীর অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে ।

এছাড়াও কিছু কিছু নারীর ক্ষেত্রে প্রতিমাসে নিয়মিত ঋতুস্রাব হয় না। এক মাসে রক্তপাত হলে হয়তো আরেক মাসে হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে দুই-তিন মাস পরপর হয়ে থাকে। আবার হলে ঋতুস্রাব বেশি সময় ধরে হয়। কখনো অল্প রক্তপাত হয় আবার কখনোও বেশি হয়।

এর ক্ষতিকর প্রভাব:
যদিও এই সমস্যা খুব মারাত্মক না তথাপি কিছু কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক সমস্যা সৃস্টি করতে পারে। যেমন:

* সন্তান ধারণ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
* অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ হতে পারে।
* এ ছাড়া মেজাজ খিটখিটে থাকা এবং অস্বস্তিবোধ তৈরি হয়।

চিকিৎসা :
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাধারণত হরমোনাল থেরাপি দেওয়া হয়। কারো ক্ষেত্রে যদি বেশি ওজনের জন্য এই সমস্যা হয় তবে ডায়েট ও ব্যয়াম করতে বলা হয়। তবে সন্তান ধারণক্ষম বয়সে সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বেশি রক্তপাত হলে আয়রন ক্যাপসুল দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা উচিত।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

১) যদি বছরে তিন বারের বেশি ঋতুস্রাব না হয়।
২) যদি ঋতুস্রাব ২৫ দিনের আগে এবং ৩৫ দিনের পরে হয়।
৩) ঋতুস্রাবের সময় অনেক বেশি রক্তপাত হয়।
৪) সাত দিনের বেশি সময় ধরে ঋতুস্রাব চলতে থাকে।
৫) ঋতুস্রাবের সময় খুব ব্যথা হলে।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন:
* শরীরের ওজন সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
* মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
* পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
* আয়রন জাতীয় খাবার খেতে হবে যাতে শরীরে পরিমিত পরিমাণে রক্ত থাকে।

জেনে নিন গর্ভধারণ পরীক্ষার প্রাকৃতিক উপায়






গর্ভধারণ যেকোন মহিলার জীবনেই একটি সুখের ব্যাপার। কারন মা হওয়ার মধ্য দিয়েই নারীর জীবনে পূর্ণতা আসে ।এই গর্ভধারণ প্রক্রিয়াটি নারীর জীবনে একটি চমৎকার অভিজ্ঞতাও বটে। কিন্তু অনেক নারী ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, তিনি গর্ভধারণ করেছেন, কি করেননি? অনেক সময় অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়ার কারনে গর্ভধারণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় না। তাই গর্ভধারণ ব্যাপারটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে।


১) টুথপেস্ট : একটি ছোট পাত্রের মধ্যে কাঙ্খিত মহিলার প্রস্রাব নিয়ে এর মধ্যে সামান্য সাদা টুথপেস্ট মেশান। এরপর লক্ষ করুন, যদি এটি কয়েক মিনিটের মধ্যে নীল রং ধারণ করে, তাহলে বুঝবেন তিনি গর্ভধারণ করেছেন।

২) ভিনেগার : একটি পাত্রে কাঙ্খিত নারীর প্রস্রাব নিয়ে এর মধ্যে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে দিন। এরপর লক্ষ করুন, যদি কয়েক মিনিটের মধ্যে ভিনেগারের রং পরিবর্তন হয়, তাহলে বুঝবেন উক্ত নারী মা হতে যাচ্ছেন।

৩) সাবান : একটি পাত্রে কাঙ্খিত মহিলার প্রস্রাব নিয়ে এর মধ্যে সাবান মেশান। এরপর খেয়াল করুন ফেনা তৈরি হচ্ছে কি না? যদি ফেনা ও বাবল তৈরি হয়, তাহলে ধরে নিতে পারেন তিনি গর্ভধারণ করেছেন।

তবে সব পদ্ধতি প্রাকৃতিক। আরো ভালো ভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র: বোল্ডস্কাই


কিভাবে GP eCare একাউন্ট খুলবেন




ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার eCare অ্যাকাউন্টে Login করে এখন থেকে নিজেই আপনি আপনার Value added সার্ভিসগুলো চালু কিংবা বন্ধ করতে পারবেন খুব সহজে । তাছাড়া সিমের Package পরিবর্তন, Balance যাচাই, কল লিস্ট দেখা, welcome tune সেট কিংবা বন্ধ করা, FnF নম্বর দেখা ও পরিবর্তনসহ বহু অপশন পাবেন eCare পোর্টালে। এবার আসুন দেখি কিভাবে খুলবেন আপনার eCare অ্যাকাউন্ট।
1. রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন
https://webserv.grameenphone.com/ecare/faces/GpUserRegistration.jsp?

2. এরপর eCare এর পেজে আপনাকে তথ্য পূরণ করতে বলবে।

*প্রথম বক্সে আপনার মোবাইল নং লিখুন (০১৭ বাদ দিয়ে )।
*দ্বিতীয় বক্সে আপনার নাম লিখুন ।
*তৃতীয় বক্সে আপনার ইমেইল এড্রেস দিন ।

এবার নিচের ছোট বক্সটিতে টিক চিহ্ন দিয়ে Create my account লেখায় ক্লিক করুন ।

3. সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আরেকটি নতুন পেজ আসবে এবং আপনার মোবাইলে একটি SMS যাবে, মেসেজ এ আপনাকে একটি Password দেয়া হবে।

4. এবার আপনার মোবাইল নম্বর (88017XXXXXXXX) ও মোবাইলে SMS এ আসা Password দিয়ে ecare সাইটে Login করুন এবং নিজের ইচ্ছে মত পাসওয়ার্ড সেট করে নিন ।

5. ব্যাস Login হলেই পেয়ে যাবেন মোবাইল কাস্টমাইজ করার সব সুবিধা।

বিঃদ্রঃ প্রতিবার Login হলেই আপনার মোবাইলে একটি সেশন আইডি আসবে। কোন সার্ভিস চালু বা বন্ধ করতে হলে এই সেশন আইডিটি লাগবে। তাই আপনার Password অন্য কেউ জেনে গেলেও সে আপনার কোন সার্ভিস চালু বা বন্ধ করে দিতে পারবে না।
আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

আপডেট নোটঃ বর্তমানে জিপি ইকেয়ার সার্ভিসটি বন্ধ করে দিয়েছে ৷ 



কিভাবে Blogger এ Password Protected Page তৈরি করবেন

আজকে শেয়ার করব দারুন একটি টিপস । আপনি কিভাবে আপনার ব্লগে একটি পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত পাতা বানাবেন । এতে আপনি একদিকে যেমন ভিজিটরদের চমকে দিবেন অন্যদিকে আপনার মূল্যবান কোন কথা, লিংক, বা কোড রাখতে পারবেন ।এই পাতায় কেউ ক্লিক করলেই পাসওয়ার্ড চাবে ।

তো এবার কাজের কথায় আসি । প্রথমে ড্যাশবোর্ড থেকে Page ক্লিক করুন । এবার New Page ক্লিক করুন । এখন টাইটেল এর ঘরে আপনার পেজের নাম দিন । পোস্ট এর ঘরে কিছু না লিখেই পাবলিশ করুন ।

এরপর Layout থেকে Page Widget এর Edit ক্লিক করুন । এবার যে পাতাটি বানালেন তার বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে পাবলিশ করুন ।
এখন আপনার ব্লগ দেখুন । যেপাতা বানালেন তাতে ক্লিক করুন । এবার এড্রেস বার থেকে লিংকটি কপি করে নোটপ্যাডে রাখুন ।

এবার ড্যাশবোর্ড থেকে Page এ যান । যে পাতাটি বানালেন সেটি Edit ক্লিক করুন । HTML ফরম্যাটে যান । এখন নিচের কোডটুকু কপি করে পেস্ট করে দিন ।

 


 পাসওয়ার্ড এর জায়গায় আপনার ইচ্ছামত  পাসওয়ার্ড সেট করে দিন ।
এছাড়া পূর্বের কপি করা পেজ লিংকটি নোটপ্যাড থেকে নিয়ে পেজ URL এর জায়গায় বসিয়ে দিন ।

আপাতত কাজ শেষ । এবার পাতাটি আপডেট করে দিন বা পাবলিশ করে দিন ।
এখন আপনার ব্লগ দেখুন । নুতন পাতাটিতে ক্লিক করুন পাসওয়ার্ড চাবে ।  পাসওয়ার্ড দিয়ে ইন্টার চাপুন খুলে যাবে । পরবর্তিতে আপনি পাতাটি সম্পাদন করে আপনার গোপন কিছু রেখে আপডেট দিতে পারবেন । ধন্যবাদ সবাইকে ।