তথ্য ও প্রযুক্তির মশাল জ্বলে উঠুক হাতে হাতে

পিরিয়ডের সময় যেসব কাজ করা উচিৎ নয়


পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে মেয়েদের নানা  রকম সমস্যা দেখা দেয়। এসবের মধ্যে সবচেয়ে কমন হচ্ছে তলপেটে পেটে ব্যথা, স্টোমাক ক্র্যাম্প ইত্যাদি। এই সময় অনেক কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় । কিন্তু আমরা অনেকেই তা জানিনা বলে না মেনে সেই কাজগুলি সচরাচর করে থাকি। ফলে বিভিন্ন রকমের শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

এইসময় শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। এছাড়া দৌড়াদৌড়ি না করা, আস্তে হাঁটা চলা করা, সময়মত কাপড় বা প্যাড চেন্জ করা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা ইত্যাদি করা দরকার। এছাড়াও এমন  কতগুলো কাজ আছে যা  করলে  সারাজীবনের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। আসুন জেনে নেই  সেই কাজগুলি কী কী -



দুগ্ধজাত খাবারঃ দুধের তৈরি খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।
কিন্তু পিরিয়ডের সময় সেগুলো আবার
অপকারী হয়ে ওঠে। কারণ পিরিয়ডের সময় আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া দূষিত রক্তের কারণে সেগুলোও বিষাক্ত হয়ে ওঠে। তাই এই সময় দুধ, চিজ, দই এসব খেলে একটি বিশেষ হরমোন ক্ষরণের মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে তা অন্য শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে।


ভাজা খাবারঃ পিরিয়ডের সময় এমনিতেই শরীরের অন্যান্য ক্রিয়াগুলির কাজ দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই বেশি ভাজাপোড়া খাবার খেলে পেটের
সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ এইসময়
অনেকের পেটের সমস্যা হয়ে থাকে।

একটা প্যাডঃ নোংরা হোক বা নাই
হোক, একটি প্যাড ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যবহার করা কখনই উচিত নয়। কারন একটি প্যাড বা একই কাপড় সারাদিন ব্যবহার করলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের অাক্রমন হতে পারে ৷ ফলে সাদা স্রাব, পিআইডি, ইউটিআই, ট্রাইকোমোনাসিস, মনিলিয়াসিস ইত্যাদি রোগ হতে পারে ৷


অতিরিক্ত লবনঃ এই সময় লবন বেশি খেলে শরীরের কষ্ট আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবার খেলে শরীরে কষ্ট বেশি হয়। তাই এই সময় লবন বেশি আছে এমন খাবার থেকে বিরত থাকা উচিত।


শারীরিক সম্পর্কঃ অনেকের মতে,
এইসময় শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করলে
গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এ ধারনাটি ঠিক হলেও এসময় শরীরে সংক্রমনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই শারীরিক মিলনে বিভিন্ন রোগ অাক্রমন করে থাকে ৷ এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া ইসলাম ধর্মে এসময় শারীরিক মিলন হারাম করা হয়েছে ৷

কোল্ড ড্রিঙ্কঃ এসময় অনেকেই কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করে থাকেন এই ভেবে যে ড্রিঙ্ক করলে শরীর হিট থাকবে ৷ ফলে হজম ভাল হবে, পেট ব্যথা কম হবে, স্রাব তাড়াতাড়ি শেষ হবে ৷ কিন্তু দীর্ঘদিনের গবেষনার দেখা গেছে এইসময় কোল্ড ড্রিঙ্ক খেলে ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক গুন বেড়ে যায়। এছাড়াও কোল্ড ড্রিঙ্ক
খেলে শারীরিক নানারকম ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।