টেক পার্ক

তথ্য ও প্রযুক্তির মশাল জ্বলে উঠুক হাতে হাতে

Wednesday, November 11, 2020

জেনে নিন কিভাবে বুক রিভিউ বা পুস্তক পর্যালোচনা করতে হয়


তথ্য গুলি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে উপস্থাপন করলাম৷ এখান থেকে সহজেই বুক রিভিউ বা পুস্তক পর্যালোচনার ধারনা নিতে পারবেন৷ তাই আসুন জেন নেই Book review বা পুস্তক পর্যালোচনা সম্পর্কে টুকিটাকি বিষয়গুলো যা আপনার পুস্তক পর্যালোচনাকে মান সম্মত করে তুলতে পারে৷ 

বুক রিভিউ বা পুস্তক পর্যালোচনা লেখার বিশেষ কোন বাঁধা ধরা নিয়ম নেই। তবে কিছু বিষয় আছে যার অনুপস্থিতিতে বুক রিভিউ বা পুস্তক পর্যালোচনা করলে সেটা রং হারাবে। সিনেমার ট্রেইলার দেখে যেমন আঁচ করে নেই সিনেমাটা কেমন হবে, রিভিউ আর স্যাটায়ার দেখে যেমন বুঝতে পারি তার দূর্বলতা, সফলতা গুলো তেমনি বুক রিভিউ আসলে একটি বই দেখতে কেমন, এর বিষয়বস্তু কী? লেখক, প্রকাশকের পরিচিতি? মুদ্রণ, পৃষ্ঠা মূল্য এসব নানা জিনিসের তথ্য জানিয়ে একটি বুক রিভিউ বা পুস্তক পর্যালোচনা হয়।

যাই হোক ধাপে ধাপে বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো- 


প্রচ্ছদঃ

বইয়ের কভার বা মলাটের প্রচ্ছদ কেমন তা নিয়ে বলা প্রয়োজন। অনেক সময় প্রচ্ছদ থেকে বইয়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু জানা যায়।


ধরনঃ

বইটি কোন ধরনের এটা নিয়ে তথ্য থাকবে। এটা কি ভ্রমন কাহিনি, নাকি থ্রিলার, নাকি অ্যাডাল্ট এসব তথ্য উল্লেখ করতে হবে।


পরিচিতিঃ

লেখকের নাম সাথে তার অর্জন থাকলে উল্লেখ করতে হবে। বইটি অন্য ভাষা থেকে অনুবাদিত হলে অনুবাদকের নাম উল্লেখ করতে হবে।


অর্জনঃ

বইটির নিজস্ব কোন অর্জন থাকলে সেটা নিয়েও দুই চার লাইন কিছু লিখতে হবে৷ 


রেটিংঃ

বইটি সম্পর্কে ব্যক্তিগত রেটিং করা যেতে পারে। ৫ অথবা ১০ এর মধ্যে করলে ভালো হয়।


সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ

বইয়ের ভাবাংশ তথা গল্পের কাহিনীকে খুব ছোট করে তুলে ধরতে হবে। বইয়ে কোন চুম্বক অংশ থাকলে তার পেইজ নাম্বার উল্লেখ করেও দেয়া যেতে পারে।


ভাষাঃ

বই পড়ে যেন পাঠক সাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারেন তাই লেখক ভাষার প্রাঞ্জলতা গুণ কতটুকু ধরে রেখেছেন তা তুলে ধরতে হবে৷ 


বানানঃ

বানান ভুলে ভরা বই যেকোন পাঠকের পড়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়। লেখক সে দিকে কতোটুকু খেয়াল রেখেছেন তা তুলে ধরা জরুরী।


প্রাপ্তিস্থান ও মূল্যঃ

বইয়ের মূল্য দেয়া জরুরী৷ বইটি কোথায় কোথায় পাওয়া যেতে পারে এবং তার কোথায় কেমন মূল্য তা জানানো যেতে পারে। প্রয়োজনে অনলাইন কপির লিংক  বা ডাউনলোড লিংক দেয়া যেতে পারে।


আকারঃ

বইয়ের মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা বা বইয়ের আকার উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া বইয়ের বাঁধাই, মুদ্রণ, সংযোজিত ছবির মান এসব বিষয় নিয়ে ও লিখতে হবে।


ব্যক্তিগত মতামতঃ

যে বইটি রিভিউ করছেন তা নিয়ে কোন ব্যক্তিগত মতামত থাকলে সেটা একেবারে শেষে উল্লেখ করা যেতে পারে।

সবশেষে বলবো একটা বই রিভিউতে আলোচনা, সমালোচনা সব মিলিয়ে রিভিউটির গ্রহণযোগ্যতার খেয়াল রাখাটা জরুরি।


পুস্তক পর্যালোচনা লেখার নিয়মঃ

বুক রিভিউ বা পুস্তক পর্যালোচনা লিখার বাস্তবে কোনো ব্যকরণ নাই। তবে ভালো রিভিউ লিখতে হলে আমাদের অবশ্যই কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে রিভিউ লিখার মাধ্যমে আমরা যদি একটা বইয়ের সারসংক্ষেপ স্মার্টলি দক্ষতার সাথে তুলে ধরতে চাই এবং যথাসম্ভব বেশিসংখ্যক পাঠকের মানসপটে সেই বই সম্পর্কে নিখুঁত চিত্র আঁকতে চাই, তাহলে আমাদের কিছু সূত্র মেনে চলতেই হবে।

এখানে কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো 

প্রথমতঃ কোনো বুক রিভিউ করতে হলে যথেষ্ঠ মনোযোগের সাথে সেটি পড়তে (অধ্যয়ন) হবে। প্রয়োজনীয় নোট করতে হবে পড়ার সময়ই।

দ্বিতীয়তঃ  নিজের স্টাইলে বইকে না বুঝে, লেখকের স্টাইলে বুঝতে হবে। লেখকের ইন্টেনশন ধরার চেষ্টা করতে হবে।

তৃতীয়তঃ বই পড়ার সময় নির্মোহ থাকা। বই, বইয়ের লেখক এবং প্রকাশনী সংস্থার ব্যাপারে প্রি-ডিটার্মাইন্ড ভালো লাগা, খারাপ লাগা থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে।

চতুর্থতঃ আগেই নির্ধারণ করে নিতে হবে বুক রিভিউ লিখবেন কাদের জন্য? সাধারণ পাঠকদের জন্য, ক্রেতাদের জন্য, বইয়ের তথ্য শেয়ার করার জন্য, নাকি বই সম্পর্কে আগ্রহী করার জন্য। তাই সেই আলোকে নোট নেওয়া দরকার।

এরপর বই থেকে নির্দিষ্ট কোনো লাইন কোড করে অথবা বই সম্পর্কে দুটো দারুণ লাইন লিখে রিভিউ শুরু হতে পারেন। যেন পাঠক রিভিউ পড়তে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

বইয়ের মূল রিভিউয়ে যা খেয়াল রাখতে হবেঃ

০১. বইয়ের সংক্ষিপ্তসার, অনধিক ২৫০ শব্দ৷ 

০২. বই সম্পর্কে নিজের মন্তব্য৷ 

০৩. বইয়ের ভালো দিক/ খারাপ দিক৷ 

০৪. কেন বইটি অন্যদের পড়া উচিৎ৷ 

০৫. লেখক, অনুবাদকের পরিচিতি ও কর্মযজ্ঞ৷ 

একটি কথা মনে রাখবেন, লেখক যা লিখেছেন, তা রিভিউ করুন। লেখক অথবা বই থেকে যা আপনি প্রত্যাশা করেছিলেন তার রিভিউ লিখবেন না৷ ঠিক ততটুকুই লিখুন যতটুকু লেখক কভার করেছেন। ইলাস্টিকের মতো টেনে বড় করবেন না৷ এমনকি লেখক ও বইয়ের মূল ফোকাসটা ধরুন এবং হিংসা-বিদ্বেষ, ঈর্ষা এসব কিছু একদম ভুলে যান৷ লেখক, অনুবাদক ও প্রকাশনীর প্রতি মোহ ও ভালোবাসার টানে অহেতুক প্রশংসা পরিহার করুন৷

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট ৷


 

Thursday, November 05, 2020

জেনে নিন কোন ডিমে পুষ্টি বেশি, সাদা ডিমে নাকি লাল ডিমে?

 


আমরা বাড়িতে প্রতিদিনই কম বেশি খেয়ে থাকি। আর বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে তো কথাই নেই। ডিম রান্না করতেই হবে বা ভাজি, পোচ করতে হবে শিশুর জন্য৷ কিন্তু আমরা কি জানি কোন ডিমটা ভালো,  সাদা ডিম নাকি লাল ডিম?  কোন ডিম খাওয়া বেশি উপকারী? যাই হোক এ নিয়ে দ্বন্দ্ব, তর্ক বা মতের শেষ নেই। এমনিতেই ডিম প্রায় সব বাড়িতে প্রতি দিনই কম-বেশি রান্নার প্রয়োজন পড়ে। আর খাবার বেলায় বা সন্তানকে ডিম দেওয়ার সময় তাই অভিভাবকরা চিন্তায় থাকেন, আসলে কোন ডিম কিনবেন? অনেকেরই ভাবনা লাল ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি। কেউ বা ভাবেন সাদা ডিমে।

আসুন জেনে নেয়া যাক কেন ডিমের রঙ দুই রকম হয়-
বিজ্ঞানীদের মতে, সাদা ডিম পাড়ে সাদা পালকের মুরগিরা। লাল ডিম পাড়ে গাঢ় রঙের পালকের মুরগি। এই দুই ধরনের মুরগির ক্ষেত্রে কি পুষ্টিগুণ বদলে যেতে পারে?

না, ডিমের রঙ বিবেচনায় পুষ্টি কম বেশি হয় না৷ সম্প্রতি এই নিয়ে গবেষণা করেছেন কর্নেল ইউনিভার্সিটির প্রাণীবিজ্ঞানের ভিজিটিং ফেলো ট্রো ভি বুই। তিনি ভারতের গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই দুই ধরনের ডিমে পুষ্টিগুণে বিশেষ কোনও তফাত নেই। তার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন নিউ ইয়র্কের এক দল গবেষকও। তবে তাদের মতে, লাল ডিমে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড একটু বেশি রয়েছে। কিন্তু এই পরিমাণ এতই অল্প যে তাতে খুব একটা তফাত  পড়ে না।
ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ)-র মতে, একটি বড় (৫০ গ্রাম ওজনের) ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট ( যার মধ্যে ১.৫ গ্রাম মাত্র দ্রবণীয়)। সাদা ও লাল ডিমে এই পুষ্টিগুণের পরিমাণ প্রায় এক।

তবে এর সাথে কিছুটা ভিন্ন মত প্রকাশ করেন কলকাতার পুষ্টিবিদ সুমিত ঘোষ। তার মতে, লাল ডিমে যেটুকু ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি, সেটুকুও তো শরীরের পক্ষে লাভজনকই। তবে সে কথাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন দিল্লির পুষ্টিবিদ গীতা মালহোত্র। তার মতে, ঐটুকু ফ্যাটি অ্যাসিড সেভাবে আলাদা করে কোনও ভূমিকা পালন করতে পারে না। 
সুতরাং, দুই ধরনের ডিমের খাদ্যগুণই যে প্রায় সমান সে কথাই মেনে নিচ্ছেন সব চিকিত্‍সারা। তাই ডিম খাওয়ার আগে ভাবনা চিন্তার কোন দরকার নেই৷ যে ডিমই খান পুষ্টি মান একই পাবেন৷ 


Saturday, October 17, 2020

জেনে নিন মুরগরি ডিম নাকি হাঁসের ডিম, কোনটা বেশি পুষ্টিকর?


ডিম আমাদের দেশে সবার একটি প্রিয় খাবার। সন্দেহাতীতভাবে ডিম একটি পুষ্টিকর খাবারও বটে। হঠাৎ অতিথি আপ্যায়নে আমাদের দেশে ডিমের কদর অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। কিন্তু ডিম খাওয়ার কথা উঠলেই আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকজনই মুরগির ডিমকে বেছে নেন। বিশেষ করে হাঁসের ডিমের পাশে মুরগির ডিমকেই বেশি পছন্দ করেন। এর কারণ হলো, প্রচলিত ধারণা হচ্ছে মুরগির ডিমে বেশি পুষ্টি থাকে। 


এছাড়া হাঁসের ডিমের রয়েছে নানা বদনাম। যেমন: অনেকেই মনে করেন, হাঁসের ডিম খেলে হাঁপানি হয় কিংবা হাঁপানি বেড়ে যায়। আবার অনেকের ধারণা হাঁসের ডিম অ্যালার্জির উদ্রেক করে বা বাড়িয়ে দেয়। কাজেই ডিম যদি খেতেই হয় তো মুরগির ডিমই খাওয়া ভালো—এমন ধারণায় আমরা অনেকেই বন্দি। 


কিন্তু ডিম সম্পর্কে এই ধারণাগুলো কি ঠিক? 

স্বাদ, পছন্দ কিংবা দামের বিবেচনায় হাঁস এবং মুরগির ডিমকে পার্থক্য করা গেলেও পুষ্টিমানের বিবেচনায় উভয় ডিমের মূল্যই সমান৷ খাদ্য বিজ্ঞানীদের মতে, হাঁস এবং মুরগি উভয় ডিমেরই পুষ্টিমূল্য সমান। একই ওজনের একটি হাঁসের ডিম ও একটি মুরগির ডিমের পুষ্টিমান প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। কাজেই অযথা মুরগির ডিমের দিকে ঝুঁকে পড়ার কোনো কারণ নেই। বরং মোটা এবং বড় হাঁসের ডিমে পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে ছোট মুরগির ডিমের থেকে৷ 

আবার বাজারের দিকে তাকালে দেখতে পাই উল্টো চিত্র। বেশি দাম দিয়ে লোকজন মুরগির ডিমই বেশি কিনছেন। অন্যদিকে মুরগির ডিমের চেয়ে ওজন সম্ভবত কিছুটা বেশি হওয়ার পরও কম দামে বিক্রি হচ্ছে হাঁসের ডিম। কাজেই যারা কম দামের জন্য হাঁসের ডিম কিনছেন তারা কিন্তু জিতে যাচ্ছেন পুষ্টিমূল্যের বিবেচনায়। তবে পছন্দের কথা আলাদা, কেউ যদি মুরগির ডিম খেতে পছন্দ করেন এবং সে কারণেই বেশি দাম দিয়ে মুরগির ডিম কিনে নেন তাহলে কোনো কথা নেই। কিন্তু মুরগির ডিমে পুষ্টি বেশি মনে করে থাকলে একটি কথা আছে। আর তা হলো, আপনি ভুল করছেন। পুষ্টিমানের বিবেচনায় মুরগির ডিম ও হাঁসের ডিমের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বললেই চলে। 

আর হাঁসের ডিমের সঙ্গে হাঁপানির কোনো সম্পর্ক নেই। আর অ্যালার্জি? ও তো সব ডিমেই হতে পারে। তাহলে দোষটা শুধু হাঁসের ডিমের উপর চাপাচ্ছেন কেন? শুধু ডিম কেন যে কোনো খাবারের প্রতিই যে কারও অ্যালার্জি থাকতে পারে, খাবারের অ্যালার্জির বিষয়টি কোনোক্রমেই এভাবে একতরফা হাঁসের ডিমের উপর চাপিয়ে দেয়া ঠিক না৷

 

Friday, October 09, 2020

সহজে ডাউনলোড করুন বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের নির্ধারিত ১২টি বই

 



শিক্ষকের মনকে রুচিশীল ও উন্নত করে তোলা গেলে ছাত্রসমাজও তার স্পর্শে সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষার দিনগুলোতে। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংগে যৌথ-উদ্যোগে প্রতিবছর দেশের ৬৭টি পিটিআই-এর ১২ হাজার প্রশিক্ষণার্থীর সবার জন্য ১২টি করে বই পড়ানোর কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। বই পড়ার প্রাপ্তি হিসেবে পরীক্ষার নম্বর ছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের বই উপহার পাবার সুযোগ রয়েছে। অনুপ্রেরণামুলক, কল্পনাসমৃদ্ধ ও চিত্তাকর্ষক এই উপন্যাস ও গল্পের বইগুলো শিক্ষকদের ও তাঁদের ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের মনকে প্রভাবিত করবে এ আশা করা হয়েছে।কিন্ত মহামারি করোনার কারনে পিটিআইসমূহ বন্ধ থাকার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের বই পড়া কর্মসূচী ব্যহত হচ্ছে। এ চিন্তা মাথায় রেখে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র নির্ধারিত মোট ১২টি বইয়ের ডাউনলোড লিংক নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। নিচে বইয়ের ছবিতে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন সহজে। এরপর মোবাইল বা ল্যাপটপে পড়তে পারবেন ।

পিটিআই বইপড়া কর্মসূচির বই এখান থেকে ডাওনলোড করুন।

ছোটদের বিদ্যাসাগর

ঠাকুরমার ঝুলি

ঈশপের গল্প

ছোটদের বেতালের গল্প

সেরা কিশোর গল্প লিও টরস্টয়

পারস্য প্রতিভা

অবরোধ বাসিনী

উন্নত জীবন

বনফুলের শ্রেষ্ঠ গল্প

একাত্তরের দিনগুলি

সূর্য সেন

বাঙালীর হাসির গল্প

সূত্রঃ আলোরপাঠশালা

Wednesday, October 07, 2020

কিভাবে প্রশ্ন করে এবং উত্তর দিয়ে টাকা আয় করবেন?


 আজকে আপনাদের সামনে এমন একটা সাইট নিয়ে হাজির হলাম যেখানে প্রশ্ন করে ও উত্তর দিয়ে আপনি আয় করতে পারবেন৷ এজন্য আপনাকে আগে সেই সাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে সদস্য হতে হবে৷ নিবন্ধন করতে এখানে  ক্লিক করুন।

সদস্য হলেই আপনার একাউন্টটে ৫০ পয়েন্ট জমা হবে৷ এরপর সদস্য পদ যাচাই বা ইমেইল যাচাই করতে হবে৷ ইমেইল যাচাই বা ভেরিফাইড হয়ে গেলে আপনি ইনকাম করতে পারবেন ৷ এজন্য আপনাকে পয়েন্ট অর্জন করতে হবে৷ প্রতি মাসে আপনার পয়েন্ট ১০০০ হলেই আপনি ১০০ টাকা তুলতে পারবেন৷

পয়েন্ট অর্জন করে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে যা যা জানতে হবে- 

* আপনি একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে পাবেন ১ (এক ) পয়েন্ট৷   

* আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর দিলে পাবেন ৫ (পাঁচ) পয়েন্ট৷

* আপনার দেওয়া কোন উত্তর নির্বাচিত হলে পাবেন বোনাস হিসেবে এক পয়েন্ট৷

এভাবে আপনি পয়েন্ট অর্জন করতে করতে যখন আপনার একাউন্টে ১০০০ (এক হাজার) পয়েন্ট জমা হবে তখন আপনি পাবেন ১০০ টাকা ৷ এই টাকা আপনি নিতে পারবেন বিকাশ, নগদ অথবা ফ্লেক্সিলোডের মাধ্যমে ৷ 

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

আপনি চাইলে দুটি একাউন্ট খুলতে পারেন ৷ একটি থেকে প্রশ্ন করবেন আর অন্যটি থেকে উত্তর দিতে পারবেন ৷ তবে প্রতিটি প্রশ্ন হতে হবে ইউনিক এবং উত্তর দিতে হবে কপি পেস্ট মুক্তভাবে ৷ অর্থাৎ আপনি হুবহু কোন সাইটের লেখা কপি করে দিতে পারবেন না৷ সেক্ষেত্রে সামান্য মোডিফাই করে দিতে হবে৷

টাকা ইনকামের শর্তাবলীঃ

১) প্রতিমাসে কেবল ১ বার ১০০ টাকা পাবেন ৷ প্রতি মাসে ১০০০ এর বেশি পয়েন্ট বা কম পয়েন্ট চলতি মাসে কিংবা পরবর্তী মাসে হিসেবের মধ্যে ধরা হবে না৷

২) শুধু উত্তর দিয়েই পয়েন্ট অর্জন করা যাবে না ৷ প্রশ্ন এবং উত্তর দিয়ে পয়েন্ট অর্জন করতে হবে৷ এক্ষেত্রে প্রতিমাসে কমপক্ষে ৫০ টি প্রশ্ন করতে হবে৷

৩) প্রতিটি প্রশ্ন করার জন্য পাবেন ১ পয়েন্ট এবং অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিলে পাবেন ৫ পয়েন্ট ৷ এছাড়া মাঝে মাঝে বোনাস পয়েন্ট পাবেন৷

৪) একই মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে দুটি একাউন্ট চালালে যেকোন একটি একাউন্টের জন্য টাকা পাবেন৷ দুটি একাউন্টের জন্য টাকা পাবেন না ৷ 

৫) তবে ইচ্ছে করলে আপনি দুটি একাউন্ট চালিয়ে দুটির জন্যই টাকা পেতে পারেন৷ এজন্য - 

* দুটি আলাদা আলাদা ফোন থেকে দুটি একাউন্ট চালাতে হবে ৷ অথবা

* একটি ফোন ও একটি কম্পিউটার থেকে দুটি একাউন্ট চালাতে হবে ৷ অথবা

* একটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ এর মাধ্যমে দুটি একাউন্ট চালাতে হবে৷ অথবা

* একটি ল্যাপটপ ও একটি কম্পিউটারের মাধ্যমে দুটি একাউন্ট চালাতে হবে৷ 

৬) প্রতিটি  প্রশ্ন হতে হবে ইউনিক ৷ এছাড়া কোন প্রশ্নে যদি বানান ভুল থাকে বা বিভাগ ভুল থাকে এবং কোন সদস্য সতর্ক করে তাহলে সেই প্রশ্নের জন্য ১ পয়েন্ট, মাস শেষে মোট অর্জিত পয়েন্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে৷

৭) প্রতিটি উত্তর দিতে হবে বাংলায় এবং হতে হবে মানসম্মত ও অধিক তথ্যবহুল ৷ এছাড়া - 

* এক কথায় বা সংক্ষেপে কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবেনা ৷ 

* কোন সাইট থেকে হুবহু কপি করে উত্তর  দেওয়া যাবেনা ৷ 

* একান্তই যদি কপি করার প্রয়োজন হয় তাহলে কিছু কিছু বিষয় বা লাইন পরিবর্তন করে দিতে হবে৷ আর শেষে সূত্র হিসেবে সেই উত্তরটির লিংক দিতে হবে৷ 

৮) আপনার উত্তর দেওয়ার পরে যদি অন্য  কেউ উত্তর দেয় এবং সেটি প্রশ্নকর্তা বা প্রশাসন কর্তৃক সর্বোত্তম হিসাবে নির্বাচিত হয় তাহলে সেই উত্তরের জন্য অর্জিত ৫ পয়েন্ট, মাস শেষে মোট অর্জিত পয়েন্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে৷

৯) সদস্য হিসেবে অবশ্যই আপনার ইমেইল যাচাই করে নিতে হবে ৷ এছাড়া - 

* প্রোফাইলে সঠিক মোবাইল নং সহ সব তথ্য দিতে হবে৷ 

* ব্যক্তিগত বার্তা চালু রাখতে হবে এবং দেয়ালপোস্ট চালু রাখতে হবে ৷ 

যাতে প্রশাসন যেকোন সময় যোগাযোগ করতে পারে৷ 

* কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে বা জানার থাকলে প্রশাসক কে মেসেজ দিয়ে জানাবেন৷ 

১০) এই অফার কেবল সাধারণ সদস্যের জন্য প্রযোজ্য হবে ৷ কোন বিশেষ সদস্য বা প্রশাসনের কেউ এই অফারের আওতায় আসবে না ৷ 

ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য৷